শনিবার, ২৩ মে ২০১৫ ।

মাইক্রোতে তুলে আদিবাসী তরুণীকে গণধর্ষণ

অস্ত্রের মুখে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় অজ্ঞাত পাঁচ যুবকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২১ বছর বয়সী এক আদিবাসী তরণী। শুক্রবার দুপুরে পরিবারসহ তিনি থানায় গিয়ে মামলাটি করেন। মামলা নম্বর ২৬। তার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায়। দুই-তিন বছর আগে ঢাকায় আসা ওই তরুণী বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে দুই যুবক অস্ত্রের মুখে জোর করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে মাইক্রোবাসের মধ্যেই পাঁচ যুবক তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে উত্তরার জসীম উদ্দিন রোডে ফেলে যায়। তবে ধর্ষকদের কারো নাম-পরিচয় জানাতে পারেননি অভিযোগকারী তরুণী।

খাদ্য অপচয় রোধে ফ্রান্স পার্লামেন্টে বিল পাস

অবিক্রিত খাদ্যপণ্য নষ্ট নিষিদ্ধ করলো ফ্রান্স। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্টে এমন একটি বিল সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। ফলে বিশেষ করে বড় সুপারমার্কেটগুলোতে অবিক্রিত খাদ্যপণ্য নষ্ট করা এখন থেকে নিষিদ্ধ হলো। এ বিল পাসের ফলে এখন জ্বালানি ও পরিবেশ আইনটি আরো বিস্তৃত রূপ পেল। নতুন আইন অনুযায়ী, সুপার মার্কেটগুলো খাওয়ার যোগ্য এমন অবিক্রিত খাদ্যপণ্য দাতব্য সংস্থাকে দিয়ে দিতে বাধ্য থাকবে। এসব পণ্য পশুখাদ্য অথবা খামারে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এটি বাস্তবায়ন করতে বড় সুপার মার্কেটগুলোকে অবশ্যই কোনো না কোনো দাতব্য সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ থাকতে হবে। বিলটি উপস্থাপন করেন সমাজতান্ত্রিক দলের সাংসদ গিলাউম গারোত। তিনি বলেন, ‘সুপারমার্কেটগুলো অবিক্রিত খাদ্যপণ্যে ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে, এটা খুবই গর্হিত কাজ।’ বর্তমানে ফ্রান্সের মুদি দোকানগুলো অবিক্রিত খাদ্যপণ্য ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে। ফলে এটা ভালো থাকা সত্ত্বেও আর খাওয়ার যোগ্য থাকে না। বার্তা সংস্থা এএফপির এক হিসাবে বলা হয়েছে, ফরাসিরা প্রত্যেকে প্রতি বছর ২০ থেকে ৩০ কিলোগ্রাম খাবার ফেলে দেয়। বছরে এর সর্বমোট মূল্য দাঁড়ায় আনুমানিক ১ লাখ ৩০ হাজার থেকে ২ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার।

ঢাকা-শিলং-গৌহাটি বাস চলাচল শুরু

ঢাকা থেকে সিলেটের তামাবিল হয়ে ভারতের শিলং দিয়ে গৌহাটি পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ-ভারত দু’দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে দু’দেশের সকারের মধ্যে ইতিবাচক সমঝোতার নতুন রুটে বাস চলাচল শুরু হলো। শুক্রবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর কমলাপুরে বিআরটিসির আন্তর্জাতিক বাস ডিপোতে এই সার্ভিসের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আজাহারুল ইসলামের নেতৃত্বে পরীক্ষামূলক বাস সার্ভিসে বিআরটিসি, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ২২ সদস্যের একটি একটি প্রতিনিধিদল ভ্রমণে গেছেন। উদ্বোধন কালে ওবায়দুল কাদেও বলেন, ‘পরীক্ষামূলক কয়েকবার যাতায়াত করার পর থেকে নিয়মিত যাত্রী সার্ভিস শুরু করা হবে। এ নিয়ে ভারতের নয়াদিল্লিতে আমার সঙ্গে ও ভারতের সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতিন জয়রাম গাদকারি সঙ্গে বৈঠক হয়েছে।’
যানজটে নাকাল হওয়া ঢাকাবাসীর নিত্যদিনের এক ঘটনা। বিশেষ কোনো দিন বা বিশেষ কোনো উপলক্ষ থাকলে তো কথাই নেই। নগরবাসীকে এ যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি দিতে সরকার থেকে নানা উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করা হলেও কোনটিই কার্যত সফলতার মুখ দেখেনি। সরকারের তরফ থেকে নেয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে সর্বশেষটি ছিল কাউন্টডাউন টাইমার বা সময় নিয়ন্ত্রিত সঙ্কেত বাতি। আগের উদ্যোগগুলোর ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগটিও পুরোপুরি ভেস্তে গেছে। যানজট কমানোর চিন্তাভাবনা করে কাউন্টডাউন টাইমারের কার্যক্রম শুরু হলেও বাস্তবতায় হয়েছে হিতে বিপরীত। কাউন্টডাউন টাইমার চালু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ট্রাফিক পুলিশ সরিয়ে নেয়ার পর জট এতটা তীব্র রূপ নেয় যে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই উদ্যোক্তরা ফিরে আসেন তাদের সনাতনী পদ্ধতিতে, অর্থাৎ হাতের ইশারায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু যানজট নিরসনের শুভ এই উদ্যোগটি ঠিক কী কারণে কাজ করলো না- এ প্রশ্নের জবাবে ডিসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে- নিউ ইয়র্ক, মস্কো ও কলকাতার মতো শহরগুলোতে এই স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল পদ্ধতিটি দারুণ কাজ করছে। তবে ঢাকায় কেন মেশিনগুলো এমন অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে কাউন্টডাউন টাইমারের মাধ্যমে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অসহনীয় যানজট তৈরি হয়। সময় নিয়ন্ত্রিত এ সঙ্কেত বাতিগুলো যখন গাড়িগুলোকে সামনে যাওয়ার সঙ্কেত দিচ্ছিল তখন দেখা যাচ্ছিল সামনে তীব্র যানজট। এগোনোর উপায় নেই। আবার কখনো দেখা যাচ্ছে। সামনে রাস্তা পুরোটাই ফাঁকা কিন্তু সঙ্কেত থেমে থাকার। ফলে চালকরা বারবার লেন পরিবর্তন করে এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাতে শুরু করেন।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনীয়া উপজেলার শিলক ইউনিয়নে ১৩ বছর বয়সী দরিদ্র পিতার এক শিশুর ধর্ষণকারীকে বাঁচাতে ধর্ষিতার ১৫ বছর বয়সী আপন ভাইকেই ধর্ষক সাজিয়ে জেলে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। একাজে রাঙ্গুনীয়া থানা পুলিশের তিন কর্মকর্তা ও সরকার সমর্থিত প্রভাবশালী একজন জনপ্রতিনিধির প্রত্যক্ষ মদদ দেয়া ও ভিকটিমের পরিবারসহ প্রশাসনকে বিপুল অংকের টাকা ঘুষ দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভিকটিমের মার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ধর্ষক সমাজপতি ৬২ বছর বয়সী শাহ আলমকে পুলিশ প্রথমে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়। শুধু তা-ই নয়, উল্টো ধর্ষিতার ১৫ বছর বয়সী বড় ভাইকেই ধর্ষক বানিয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মামলার নথিপত্র পরিবর্তন করে নিজ ছেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করতে বাধ্য করা হয় তাদের মাকে। সেই মামলায় পুলিশ বাদীর ছেলে ও ধর্ষিতার বড় ভাইকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে গোপন রাখা হলেও পুলিশের দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সাত দিন পরেও ছেলে জেল থেকে ছাড়া না পাওয়ায় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেন ভিকটিমের মা নুর নাহার। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় রাঙ্গুনীয়সহ পুরো চট্টগ্রামজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শিলক ইউনিয়নের দরিদ্র রিকশাচালক বাবার ১৩ বছর ৩ মাস বয়সী শিশু কন্যাকে ‘নাতনি’ সম্বোধন করে সব সময় কাছে রাখতেন স্থানীয় ‘সমাজপতি’ শাহ আলম। শিশুটিও কিছু না বুঝেই কথিত দাদার ঘরে গিয়ে একসাথে টিভি দেখাসহ সব সময় কাছাকাছি থাকতো। শাহ আলম তিন মাস ধরে এই শিশুকে ফুসলিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের জের ধরে শিশুটি এক পর্যায়ে ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। শিশুটি তখন মাকে ঘটনাটি জানালে মা বিষয়টি শাহ আলমকে জানান। তিনি তখন ঘটনাটি গোপন রাখার হুমকি দিয়ে গর্ভপাত করাতে বলেন। শাহ আলম স্থানীয় মরিয়ম নগর ইউনিয়নের একটি ক্লিনিকে নিয়ে শিশুটির গর্ভপাত করাতে ধর্ষিতার মায়ের হাতে কিছু টাকাও গুঁজে দেন।
অদ্ভুত কিছু মুহূর্তের মধ্যদিয়ে বয়ে যাচ্ছে সময়। সময়টাকে আরও ঘনিষ্ঠ ভাবে উপভোগ করতে ভেসে যান সেইদিকে যেদিক হতে বয়ে আসছে মোহময় মুহূর্ত। দুশ্চিন্তা কিছুটা থেমে গিয়ে সেখানে ধরা দিবে নিশ্চত কিছু প্রাপ্তি। সময় যত গড়িয়ে যাচ্ছে ততই পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা তীব্রতর হচ্ছে... ভবিষ্যৎ কাউকে ছাড়ে না, সবাইকেই তার মধ্য দিয়ে নিয়ে যায়। পূরণ হয়ে যাবে চাওয়া পাওয়ার শূন্যস্থান, অপেক্ষা করুন...
তখন সন্ধ্যা নেমে এসেছে। জরুরি বিভাগের কাছে দাঁড়িয়ে সাত/আট বছরের একটা মেয়ে। হাতে জামা-কাপড়ের ছোট্ট একটা ব্যাগ। অসহায়ভাবে তাকিয়ে আছে। আশেপাশে কেউ নেই। এভাবেই কেটে যায় কয়েক ঘণ্টা। এরপরেও ঠাঁয় দাঁড়িয়ে শিশুটি। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের আনসার সদস্য ও বক্স পুলিশের সদস্যদের চোখ যায় শিশুটির দিকে। তারা এগিয়ে গিয়ে যায় শিশুটির দিকে। আনসার সদস্যরা জানতে চায় সে কোথা থেকে এসেছে, কোথায় যাবে, সঙ্গে আছে কিনা। কিন্তু মেয়েটি বলছে না কিছুই। এরপর শিশুটির হাতে দেখতে পান একটা চিঠি। রামেক হাসপাতালের আনসার কমান্ডার জাকারীয়া হোসেন বাংলামেইলকে জানান, মেয়েটির বয়স অনুমানিক চার বছর। তার পরনে হাফ ফ্যান্ট ও ফ্রক রয়েছে। মেয়েটি তার নাম ঠিকানা কিছুই বলতে পারছে না। আমরা তাকে উদ্ধার করে বেশ কয়েকবার মাইকিংও করেছি। মেয়েটির হাতে থাকা চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে জাকারীয়া হোসেন বলেন, অজানা কাউকে উদ্দেশ করে চিঠিটি লেখা হয়েছে। মেয়েটিকে নিজের সন্তান মনে করে আদর যত্ম দিয়ে মানুষ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
রাজধানীর কদমতলীতে গার্মেন্টে ডাকাতি করা কাপড় নিয়ে ছাত্রলীগ ও পুলিশের মধ্যে দখল পাল্টা দখলের অভিযোগ উঠেছে। ছাত্রলীগ ডাকাতির মাল ভাগাভাগি ও বিক্রির চেষ্টার কথা স্বীকার করলেও পাল্টা অভিযোগ করছে পুলিশের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মে শ্যামপুরের বোম্বে সুইটস কারখানর সামনে কে বা কারা কয়েক লাখ টাকা মূল্যমানের তৈরি পোশাক ফেলে যায়। স্থানীয় প্রভাবশালী কয়েকটি গ্রুপ সেই কাপড় দখলের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে কদমতলী থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মুনের মধ্যস্থতায় স্থানীয় চারটি গ্রুপের মধ্যে কাপড়গুলো বণ্টন করে দেয়া হয়। সাথে সাথে একজন ক্রেতাও ঠিক করে ফেলেন তারা। কাপড়গুলো ট্রাকে তোলার সময় সেখানে উপস্থিত হয় কদমতলী থানার পুলিশ। তারা কাপড়গুলো জব্দ করার চেষ্টা করলে ছাত্রলীগ নেতা মুন ও তার সঙ্গীরা তাতে বাধা দেন। এসময় কদমতলী থানার এসআই জাকিরের সঙ্গে মুনের কথা কাটাকাটি হয়। পরে পুলিশ জোর করে কাপড়গগুলো নিয়ে যায়।
বহুতল ভবন নির্মাণের সময় নিচে পথচারীদের নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা না নিয়েই কাজ চালিয়ে যাওয়ার কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পথ চলতে হচ্ছে পথচারীদের। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় পথচারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে যে পদক্ষেপটুকু নেয়া হয়েছে তা হলো- একটি সাইনবোর্ড, যেখানে লেখা থাকে- নির্মাণাধীন ভবন: পথচারী সাবধান। এভাবে পথচারীদের সাবধান করে দিয়েই নিজেদের দায় এড়িয়ে যাচ্ছে ভবন নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। তবে অতীত ঘাঁটলে এমন ঘটনার সংখ্যা নেহায়েত কম পাওয়া যাবে না যেখানে এই সতর্কবার্তা থাকার পরও নির্মাণাধীন বহুতল ভবন থেকে ইট বা অন্যকিছু পড়ে প্রাণ গেছে সড়কে থাকা মানুষের। এসব ঘটনায় উচ্চ আদালত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করে দিলেও অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতিটি ঘটনার পরই রাজউকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা স্বল্প লোকবলের দোহাই দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যান। সর্বশেষ গত ১৫ মে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টে নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে আহত হন জয়নাল আবেদীন (২৬) নামে এক যুবক। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২০ মে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। এরআগে গত বছরের ২৮ অক্টোবর মগবাজার ওয়্যারলেস গেটে আসিয়া বেগম (৬৫), ৭ মে নারায়ণগঞ্জের নয়ামাটি এলাকায় শাহাদাত হোসেন (২০), ৩ সেপ্টেম্বর খিলগাঁওয়ে রিকশাচালক সেকেন্দার মিয়া (২৪) একইভাবে মারা যান। তারও আগে ২০১৩ সালে

পাকিস্তানকে জেতালেন আফ্রিদি

একেই বলে সম্ভবত- গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা ক্রিকেট। যে ম্যাচটি অনায়াসেই জিতে যাচ্ছিল পাকিস্তান, সেটা শেষ পর্যন্ত না কত কঠিন হয়ে গেলো! তৈরী করলো চরম নাটকীয়তা। সবশেষে শেষ ওভারে প্রয়োজন ৬ রান। শোয়েব মালিক নিলেন ২ রান। পরের বলেই বোল্ড। মাঠে নামলেন শহিদ আফ্রিদি। ৪ বলে প্রয়োজন ৪ রান। মাঠে নেমেই স্বভাবসূলভ ব্যাটিং। প্রথম বলেই মারলেন বাউন্ডারি। এই চারেই জিম্বাবুয়ের স্বপ্নচূর্ণ করে ৫ উইকেটে ‘উৎসবের’ ক্রিকেট জিতে নিল পাকিস্তান। অর্ধযুগ পর পাকিস্তানে ফিরেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ২০০৯ সালে লাহোরে শ্রীলংকান ক্রিকেটারদের ওপর হয়েছিল জঙ্গী হামলার ঘটনা। সেই লাহোরেই ৬ বছর পর আমন্ত্রণ দিয়ে নিয়ে আসা হলো জিম্বাবুয়েকে। দীর্ঘ সময়পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, ‘পাকিস্তানজুড়ে তো উৎসবেরই আমেজ।’ সে কারণেই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই টি২০ ম্যাচটি ‘উৎসবের ক্রিকেট।’

ফাইনালে মুম্বাইয়ের সামনে চেন্নাই

আইপিএল ব্যর্থতা ঘুচলো না রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর। টি২০ এর সেরা দুই ব্যাটসম্যান থাকার পরও দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বিদায় নিতে হলো বিরাট কোহলির দলকে। রাঁচিতে শুক্রবার রাতে তারা মহেন্দ্র সিং ধোনির দলের কাছে ৩ উইকেটে হেরে গেছে। আর এই জয়ে কলকাতার ইডেন গার্ডেন আইপিএল-৮ এর ফাইনালে মুম্বাইয়ের মুখোমুখি হবে চেন্নাই। প্রথম কোয়ালিফায়ারে এই মুম্বাইয়ের কাছেই হেরে গিয়েছিল চেন্নাই। টি২০ ক্রিকেটে ১৩৯ রান বড় কোন চ্যালেঞ্জ নয়। কিন্তু বেঙ্গালুরু বোলাররা এদিন বেশ চাপে ফেলে দিয়েছিলেন চেন্নাই ব্যাটসম্যানদের। আর সেই চাপকে জয় করে চেন্নাইকে জিতিয়েছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালামের জায়গায় খেলতে নামা ৪৪ বছর বয়সী মি. ক্রিকেট।

মুশফিকদের চোট ভাবাচ্ছে বিসিবিকে

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ইনজুরি ও ফিটনেস সমস্যা ভাবিয়ে তুলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)। এ সমস্যা বিশ্বকাপের আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। এমনকি পাকিস্তান সিরিজেও এ থেকে রক্ষা মেলেনি টাইগারদের। বিশেষ করে বিশ্বকাপের আগে তামিম ইকবাল ও তাসকিন আহমেদের ইনজুরি নিয়ে শংকায় পড়ে গিয়েছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচকরা। পুরো টুর্নামেন্টে এ দুই ক্রিকেটারের কেউই ছিলেন না শতভাগ ফিট

ভালোবাসা ও মদ্যপান সমান অনুভূতি প্রবণ!

ভালোবাসায় মাতাল হওয়ার অনুভূতি কেমন, মদ্যপানে মাতাল হওয়ার মতোই? নতুন এক পরীক্ষায় দুই পদ্ধতিতেই একই রকম মাতাল হওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে- মদ্যপানের মতো ভালোবাসার হরমোন অক্সিটোসিন মানুষের অনুভূতিতে বিশ্রাম, সুখ এবং অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের জন্ম দেয়। বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. ইয়ান মিশেল তার দল নিয়ে গবেষণা করেছেন শরীরে ভালোবাসার অক্সিটোসিন হরমোন এবং অ্যালকোহলের প্রভাব নিয়ে। ভিন্ন উদ্দেশ্যে মস্তিষ্ক এটা গ্রহণ করালেও উভয়ে একই কাজ করে।
যানজটে নাকাল হওয়া ঢাকাবাসীর নিত্যদিনের এক ঘটনা। বিশেষ কোনো দিন বা বিশেষ কোনো উপলক্ষ থাকলে তো কথাই নেই। নগরবাসীকে এ যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি দিতে সরকার থেকে নানা উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করা হলেও কোনটিই কার্যত সফলতার মুখ দেখেনি। সরকারের তরফ থেকে নেয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে সর্বশেষটি ছিল কাউন্টডাউন টাইমার বা সময় নিয়ন্ত্রিত সঙ্কেত বাতি। আগের উদ্যোগগুলোর ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগটিও পুরোপুরি ভেস্তে গেছে। যানজট কমানোর চিন্তাভাবনা করে কাউন্টডাউন টাইমারের কার্যক্রম শুরু হলেও বাস্তবতায় হয়েছে হিতে বিপরীত। কাউন্টডাউন টাইমার চালু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ট্রাফিক পুলিশ সরিয়ে নেয়ার পর জট এতটা তীব্র রূপ নেয় যে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই উদ্যোক্তরা ফিরে আসেন তাদের সনাতনী পদ্ধতিতে, অর্থাৎ হাতের ইশারায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু যানজট নিরসনের শুভ এই উদ্যোগটি ঠিক কী কারণে কাজ করলো না- এ প্রশ্নের জবাবে ডিসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে- নিউ ইয়র্ক, মস্কো ও কলকাতার মতো শহরগুলোতে এই স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল পদ্ধতিটি দারুণ কাজ করছে। তবে ঢাকায় কেন মেশিনগুলো এমন অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে কাউন্টডাউন টাইমারের মাধ্যমে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অসহনীয় যানজট তৈরি হয়। সময় নিয়ন্ত্রিত এ সঙ্কেত বাতিগুলো যখন গাড়িগুলোকে সামনে যাওয়ার সঙ্কেত দিচ্ছিল তখন দেখা যাচ্ছিল সামনে তীব্র যানজট। এগোনোর উপায় নেই। আবার কখনো দেখা যাচ্ছে। সামনে রাস্তা পুরোটাই ফাঁকা কিন্তু সঙ্কেত থেমে থাকার। ফলে চালকরা বারবার লেন পরিবর্তন করে এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাতে শুরু করেন।

যে কারণে ব্যর্থ কাউন্টডাউন টাইমার

বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা হয়ে সমুদ্রপথে বেশি পাচার হচ্ছে মিয়ানমারের বিপদাপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর লোকজন। বাংলাদেশের মানুষের চেহারা এবং চট্টগ্রামের ভাষার সঙ্গে মিল থাকায় সাগরে ভাসতে থাকা রোহিঙ্গারা বাঁচার জন্য নিজেদেরকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিচ্ছে। ফলে বহির্বিশ্বও ধারণা করছে সাগরপথে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি পাচার হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ভাত-কাজের অভাব নেই। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সাগর পথে বিদেশে পাড়ি জমানোর কোনো যুক্তি হয় না। তারপরও লোভে পড়ে, পাচারকারীদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে অনেকে সাগরে পাড়ি জমাচ্ছে। তবে সে সংখ্যা খুব বেশি নয়। মূলত দেশ ও বাস্তুহারা রোহিঙ্গারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য তৃতীয় কোনো দেশে পাড়ি জমাতে চাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে মুসলমান হিসেবে সহমর্মিতা পাওয়ার আশায় তারা বেছে নিয়েছে মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াকে। সমুদ্র ও তার বিপদ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় তারা পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অনায়াসে পাড়ি দিচ্ছে সাগরে।

বিপদাপন্ন রোহিঙ্গারাই পাচার হচ্ছে বেশি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তথ্য সরবরাহে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা-এমন অভিযোগ করেছেন খোদ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। এসব মামলার শুনানি চলাকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা মামলার প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) ও তদন্ত সংস্থাকে বারবার সতর্ক হয়ে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েও কিছুতেই কিছু না হওয়ায় নতুন মামলার পাশাপাশি পুরনো (রায় হওয়া) মামলাগুলো কতটুকু সুষ্টু তদন্তে পরিচালনা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ‘অদক্ষ’: বিচারপতিদের মত

বৈধ বা অবৈধপথে বাংলাদেশে এসে ভয়ঙ্কর সব অপরাধের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়ে ফেলছেন অনেক বিদেশি। বিভিন্ন অপরাধে তারা আটক হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ থেকে যাচ্ছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। বাংলাদেশে এসে অপরাধে জড়িয়ে পড়া বিদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কূটনীতিকরাও। বিভিন্ন নাশকতায়ও জড়িত থাকার তথ্য আসছে গণমাধ্যমে। বিদেশিদের এমন সব অপরাধের দিকে নজর দিয়ে বাংলামেইলের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আহমদুল হাসান আসিকের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে দ্বিতীয় পর্ব। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটাতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন। ইসলামভিত্তিক আলাদা রাষ্ট্র গঠন, ভিআইপিদের উপর হামলা, ভারতে হামলা, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জন্য কর্মী সংগ্রহ এবং বাংলাদেশে নাশকতার নানামুখী পরিকল্পনা নিয়ে সংগঠনগুলোর বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে কাজ করছেন। এমনকি বিভিন্ন মিশন নিয়ে পাকিস্তান থেকে এসব সংগঠনের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা বাংলাদেশেও আসছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি সূত্র এবং শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বিভিন্ন সময় গোপন মিশন নিয়ে আসা এসব সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরাও পড়েছেন। সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অংশ এবং মায়ানমারের আরাকান নিয়ে একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠন করার লক্ষ্যে কাজ করছে পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিসংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লস্কর-ই-তৈয়বা, তেহরিক-ই-তালিবান ও জইশ-ই-মুহাম্মদ। এসব জঙ্গি সংগঠনগুলো আলাদা রাষ্ট্র

জঙ্গি তৎপরতায় টার্গেট বাংলাদেশ