রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০১৫ ।

সেনা নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ নিরসনে ইসির বিবৃতি

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিভ্রান্তি নিরসনে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠানো হয়েছে। শনিবার রাতে নির্বাচন কমিশনের গণসংযোগ বিভাগের পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান এ বিবৃতি পাঠান। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০০১ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনীকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এছাড়া আর কোনো সময়ই সেনাবাহিনী কেন্দ্রে কেন্দ্রে বা রাস্তায় টহল দেয়নি বরং রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে অবস্থান করেছে এবং রিটার্নিং অফিসার ডাকলে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জাতীয় সংসদ এবং উপজেলা নির্বাচনে তাদের সুবিধামত বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী ক্যাম্প করে থাকতে হয়। তারা ক্যাম্পে রিজার্ভ ফোর্স হিসেবে থাকে। ডাক পড়লে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঢাকা ও চট্টগ্রাম নগরীর মধ্যে সীমাবদ্ধ এবং সেনানিবাস শহরের কেন্দ্রস্থলে। তাই সেনাবাহিনী মিরপুর বা উত্তরা থেকে সহজে দক্ষিণের বিভিন্ন এলাকায় যেতে পারবে। এ কারণে সেনাবাহিনী ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে অবস্থান করলেও ইসি মোতায়েনকৃত সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলো প্রস্তুত হয়ে থাকবে। ডাক পরলে তাৎক্ষণিকভাবে তৎপর হবে। সিটি নির্বাচনে সেনাবাহিনী অস্থায়ী ক্যাম্পেই থাকুক আর সেনানিবাসেই থাকুক তাদের মুভমেন্ট সময় একই থাকবে এবং তাতে করে তাদের কার্যকারিতাও সমান পর্যায়েই থাকবে। এছাড়া ভোটগ্রহণের দিন বিভিন্ন যানবাহনের চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে ফলে রাস্তায় যানজট থাকবে না। তাই খুব দ্রুতই সেনাবহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারবে।

ভোটের প্রচারণায় বিএনপিনেতা গুলিবিদ্ধ

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এক মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকালে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ ২নং ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি নাজমুল হুদা আরজু (৪০)। শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতের আত্মীয়রা জানায়, এক মহিলা কউন্সিলরের প্রার্থীর প্রচারণা জন্য মোটরসাইকেল যোগে প্রচারণা চালানোকালে ছাত্রলীগ নামধারী কিছু ছেলে তার মোটরসাইকেলটির গতি রোধ করে পায়ে গুলি করে। পরে আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে খিলগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইফতেখার জানান, একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে।

ভূমিকম্পে সারাদেশে নিহত ৫

বেশ উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পুরো দেশ। কোথাও দু’দফা বা তিন দফায় আবার কোথাও দফায় দফায় দুলে উঠেছে বাড়িঘর দালানকোটাসহ সবকিছু। ভয়ে আতঙ্কে লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে নেমে এসেছে রাস্তায়, ফাঁকা স্থানে। তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে আহত হয়েছে শত শত মানুষ। অনেক স্থানে দেয়াল বা ছাদ ধসে কিংবা ভূমিকম্পের আতঙ্কে দিশাহারা হয়ে মারা গেছে নারীসহ অন্তত পাঁচজন। এর মধ্যে বগুড়ার দুঁপচাচিয়ায় দেয়াল ধসে গৃহবধূ, ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় স্কুলের ছাদ ধসে শিক্ষার্থী, পাবনায় রাস্তায় পড়ে এক শিক্ষিকা, লক্ষ্মীপরের রামগঞ্জ উপজেলায় এক কৃষক ও টাঙ্গাইলে মির্জাপুর উপজেলায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল। হুট করে সিটি নির্বাচনে এলেও প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের দোড়গোড়ায় নিজের নামটিকে এখনো পুরোপুরি পৌঁছে দিতে পারেননি। যে কাজটা সফলভাবেই সম্পন্ন করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক। তবে পরিচিতি ও নিজের প্রচার দক্ষতায় আনিস এগিয়ে থাকলেও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীদের রেসারেসির প্রভাব পড়তে তার ‘টেবিল ঘড়ি’ প্রতীকে। ২৬ থেকে ৩৪ নম্বর পর্যন্ত মোট নয়টি ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৫ এর নির্বাচনী এলাকা ঘুরে এমনটাই জানা যায়। এসব ওয়ার্ডে রয়েছে- রাজাবাজার, মনিপুরী পাড়া, শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া, শংকর, রায়ের বাজার এলাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবেই পরিচিত। তার মধ্যে আবার মোহাম্মদপুরে রয়েছে তিনটি বিহারী ক্যাম্প, যেগুলোও বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২০১৪ সালে মিরপুরের কালশী বিহারী পল্লীতে হামলার ঘটনা। যার রেশ এখনো রয়ে গেছে অন্যান্য অঞ্চলের বিহারীদের মাঝে।
এক যুগেরও বেশি সময় পর হচ্ছে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। সময় আর বেশি নেই, তাই প্রার্থীরা এখন ভোটারের দ্বারে দ্বারে। এলাকার উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়ে ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা চলছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের চেয়ে প্রচারণায় এগিয়ে আছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। দক্ষিণে মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে প্রথম সারিতে আছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সাঈদ খোকন, বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মির্জা আব্বাস এবং জাতীয় পার্টি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন। তিনজনই ভোটারদের দলে টানতে নানান কৌশল অবলম্বন করছেন। ঢাকা সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫, পুরান ঢাকার অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। ব্যবসা-বাণিজের প্রসারও রয়েছে এই এলাকায়। এই এলাকায় ১৫টি ওয়ার্ড। ওয়ার্ডগুলো হলো- ৭, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৪৭, ৪৮, ৫০, ৫১, ৫২, ৫৩ এবং ৫৪। এই ওয়ার্ডের আওতাধীন এলাকাগুলোর মধ্যে আছে নারিন্দা, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ, হাটখোলা, টিপু সুলতান রোড, কাঠের পুল, ডিস্টিলারি রোড, মিল ব্যারাক, আলমগঞ্জ, পোস্তগোলা, ফরিদাবাদ, ঢাকলা নগর, সায়দাবাদ, যাত্রাবাড়ী, মীর হাজিরবাগ, ধোলাইপাড়, মুরাদপুর, গেণ্ডারিয়া, জুরাইন।
অন্য সাধারণ দিনের মতো আজকের দিনটি যাবে না। সামান্য কারণে উপভোগ করবেন দিনের বিশিষ্টতা। কিছুদিন ধরে ঘুমের যে সমস্যা চলছে, তা কাটিয়ে উঠবেন। চাকরীরতদের পদন্নোতির সম্ভাবনা আছে। বেকারদের কারো চাকরির সুযোগ আসতে পারে। মীনের জাতক-জাতিকার কারো বাড়িতে শুরু হতে পারে বিয়ের তোড়জোড়।
বহুল প্রতীক্ষিত ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের বাকি আর মাত্র দুই দিন। রাজধানীর দুই অংশের নগরপিতার আসনে বসতে দিনরাত এক করে ফেলছেন মেয়র পদপ্রার্থীরা। ভোটারদের দুয়ারে দুয়ারে ছুটছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরাও। রাজধানীর ভোটের আমেজে সারাদেশে এখন উৎসব আর আতঙ্কের মিশ্র আমেজ। হুমকি ধামকি, অস্ত্রের ঝনঝনানি এসবের অভিযোগ তো আছেই এর মধ্যে পয়সাওয়ালা প্রার্থীদের টাকা ছড়ানোর খবরও পাওয়া যাচ্ছে। রাজধানীতে এখন ভোটের বাতাসে উড়ছে টাকা! এ অভিযোগ সবচেয়ে বেশি উঠছে কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ থেকে মুক্ত নন মেয়র প্রার্থীরাও। তারাও টাকা ছড়াচ্ছেন দরাজ হাতে- এমন অভিযোগ রয়েছে। জাতীয় বা স্থানীয় এমনকি কোনো সমিতির নির্বাচনেও টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ নতুন কোনো খবর নয়। আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও এর ব্যত্যয় ঘটছে না। এমনকি নির্বাচনে কালো টাকা ছড়ানোর বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে চিঠি দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনে। মূলত, রাতের আঁধারে টাকা ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
আসন্ন তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনের দিন আনসার, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৮০ হাজার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম। শনিবার ইসি সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব জানান। তিনি বলেন, ‘আনসার, পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি মিলে প্রায় ৮০ হাজারের মতো নিরাপত্তাকর্মী নির্বাচনের দিন নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া ২৬ এপ্রিল থেকে ব্যারাকে সেনা সদস্যরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা যখনি মনে করবেন যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে এবং সেনাবাহিনীর প্রয়োজন তখনই সেনাবাহিনী চলে আসবে।’ নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে কমিশন আর কী কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, এমন প্র
বেশ উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পুরো দেশ। ভয়ে আতঙ্কে লোকজন বাড়িঘর ছেড়ে নেমে এসেছে রাস্তায়, ফাঁকা স্থানে। তাড়াহুড়ো করে নামতে গিয়ে আহত হয়েছে শত শত মানুষ। তবে সবচেয়ে বেশি ভীত হয়ে পড়ে শিশুরা। বিশেষ করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত হয়। অনেকেই ঘটনার আকস্মিকতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। কেউ হয়ে পড়ে অসুস্থ। ভূমিকম্পে কোথাও দু’দফায় কোথাও তিন দফায় আবার কোথাও দফায় দফায় কাঁপতে থাকে বাড়িঘর দালানকোটাসহ সবকিছু। এসময় প্রায় সবার মাথাই ঘুরতে থাকে। কারো কারো বমি বমি ভাব হয়। ভূ-কম্পনের সময় আতঙ্কিত হয়ে পাবনায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ভয়ে আতঙ্কে বাগেরহাটে সদরের পশ্চিমভাগ বেলায়েত দাখিল মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী খাদিজাতুল কুবরা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তাকে জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। খাদিজার বাবা জানান, ভূমিকম্প অনুভব করে খাদিজা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করার দেড় ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হয়। একই ভাবে ভূমিকম্প চলাকালীন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোস্তবাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে যায়। এদের মধ্যে দুজনকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ধোনিকে পেছনে ফেললেন মুশফিক

শুক্রবার একমাত্র টি-২০ তে পাকিস্তানকে সাত উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এদিন উইকেটের পেছনে দারূণ এক রেকর্ড গড়েন মুশফিকুর রহিম। ভারতীয় অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে পেছনে ফেলে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে এখন টাইগার উইকেটরক্ষক চতুর্থ সর্বোচ্চ ডিসমিসালের অধিকারী।

দেশে ফিরে গেলেন আফ্রিদিরা

ওয়ানডের পর টি২০ ম্যাচ নিয়ে অনেক আশা ছিল পাকিস্তান দলের। তার ওপর অতিথিদের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই দলকে নেতৃত্ব দিতে এসেছিলেন শহিদ খান আফ্রিদি। যাকে বুম-বুম আফ্রিদি হিসেবে সবাই চিনে থাকেন। কিন্তু ওয়ানডের মতো টি২০তেও লজ্জায় ডুবতে হয়েছে সফরকারীদের। আগেরদিন টি২০ ম্যাচ খেলে শনিবার দুপুরে দেশের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে গেলেন আফ্রিদি। এদিন আফ্রিদিসহ পাকিস্তানের আরও ছয় ক্রিকেটার ঢাকা ছেড়ে গেছেন বলে বিসিবির সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানা গেছে।

আট কোটি টাকার পুরস্কার পাচ্ছে টাইগাররা

বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরমেন্সে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে উঠা। দেশে ফিরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপটের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ জয়। একমাত্র টি২০তেও টাইগাররা উড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তানকে। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল একটা স্বর্ণসময় পার করছে। তারই রেশ ধরে আজ গনভবনে ক্রিকেটারদের জন্য সংবধর্নার আয়োজন করেছেন প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে ক্রিকেটারদের মোটা অংকের অর্থ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

ভূমিকম্পে জরুরি সাবধানতা

হঠাৎ করে মাথায় চক্কর দিলে বরাবরই পুষ্টিহীনতাকে দায়ি করা চলবে না। ভূমিকম্পের কারণে শুধু মাথা নয় পুরো ঘরময় দুলতে থাকে। সহনীয় মাত্রায় থাকলে কোনো রকম ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই প্রাণে বেঁচে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু ভূমিকম্পের মাত্রাটা বেশি হলে ঘটতে পারে নানা অঘটন। তাই আগে থেকে আমাদের কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উচিৎ।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী তাবিথ আউয়াল। হুট করে সিটি নির্বাচনে এলেও প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ ভোটারদের দোড়গোড়ায় নিজের নামটিকে এখনো পুরোপুরি পৌঁছে দিতে পারেননি। যে কাজটা সফলভাবেই সম্পন্ন করছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক। তবে পরিচিতি ও নিজের প্রচার দক্ষতায় আনিস এগিয়ে থাকলেও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থীদের রেসারেসির প্রভাব পড়তে তার ‘টেবিল ঘড়ি’ প্রতীকে। ২৬ থেকে ৩৪ নম্বর পর্যন্ত মোট নয়টি ওয়ার্ড নিয়ে অঞ্চল-৫ এর নির্বাচনী এলাকা ঘুরে এমনটাই জানা যায়। এসব ওয়ার্ডে রয়েছে- রাজাবাজার, মনিপুরী পাড়া, শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, লালমাটিয়া, শংকর, রায়ের বাজার এলাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। এর মধ্যে শেরেবাংলা নগর, আগারগাঁও, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা হিসেবেই পরিচিত। তার মধ্যে আবার মোহাম্মদপুরে রয়েছে তিনটি বিহারী ক্যাম্প, যেগুলোও বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২০১৪ সালে মিরপুরের কালশী বিহারী পল্লীতে হামলার ঘটনা। যার রেশ এখনো রয়ে গেছে অন্যান্য অঞ্চলের বিহারীদের মাঝে।

অপরিচিত তাবিথ, বিদ্রোহীতে বেকায়দায় আনিস

বরাবরই পুরোনো ঢাকায় নির্বাচনী আমেজটা ভিন্ন রকমের। স্থানীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন- সব নির্বাচনেই এখনকার বাসিন্দাদের উৎসাহ একটু বেশিই থাকে। গত কয়েকদিন সেইসব এলাকা ঘুরে দেখা মিললো, নানা মুনির নানা মত। কেউ বলেন দক্ষিণের মেয়র হিসেবে বসবেন ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে সাঈদ খোকন। যাকে সমর্থন দিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। মোহাম্মদ হানিফের প্রতি এলাকার মানুষের ভালোবাসার আবেগে সেখানে অনেকাংশেই এগিয়ে সাঈদ খোকন। কিন্তু সেখানকার বাসিন্দাদের যুক্তিতে এগিয়ে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাস। বাসিন্দাদের যুক্তি- বর্তমান সরকারি দল ও এর অঙ্গসংগঠনের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের কারণে তারা ভোটের মাঠে এগিয়ে রাখতে চাচ্ছেন ঢাকার সাবেক মেয়র মির্জা আব্বাসকে। তবে সেখানকার বাসিন্দাদের শেষ কথা- যে আমাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকবে তাকেই আমরা ভোট দেবো।

আবেগে খোকন, যুক্তিতে আব্বাস

এবারের নির্বাচনে ঢাকা উত্তরের মেয়র প্রার্থী ১৬ জন। তবে এই অঞ্চলে মেয়র প্রার্থী হিসেবে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আনিসুল হক (দেয়াল ঘড়ি), বিএনপি সমর্থিত তাবিথ আউয়াল (বাস), জাতীয় পার্টির সমর্থিত বাহাউদ্দিন আহমেদ বাবুল (চরকা) এবং গণসংহতি আন্দোলন সমর্থিত জুনায়েদ সাকি (টেলিস্কোপ)। নানান কৌশলে ভোটের প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন তারা। তবে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে এগিয়ে আছেন আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী আনিসুল হক। তাবিথ আউয়ালও তেমন পিছিয়ে নেই। তিনি নিঃশ্বাস ফেলছেন আনিসের ঘাড়ের ওপর। গত শনিবার বিকেলে পূর্ব রামপুরার জাকের রোডের নূরে আলমের কাছে জানতে চাওয়া হলো তিনি ভোট দেবেন। তিনি বললেন, তার সিদ্ধান্ত নিতে আরো কয়েক দিন সময় লাগবে। তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন। তবে ওই এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী জয়ধর জানান, তিনি ভোট দেবেন আনিসকেই। আনিস একজন ব্যবসায়ী। এফবিসিআিইয়ের সাবেক নেতা। তার ভাষায় ‘আনিস অনেকটা মিশুক ও মিষ্টভাষী’। তার পাশের দোকানদার নূরে আলমের কাছে ভোটের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মেয়র পদে দুইজন (আনিস- তাবিথ) সমান সমানই আছেন।’ একটু এগুলে চন্দন নামে আরেকজন বলেন, ‘এখনও কাউকে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিইনি। কাকে ভোট দেবো। দুইজনের একজনকেও তো চিনি না!’

আনিসের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন তাবিথ

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার (ডিপিইও) ক্ষমতা খর্ব করে সংশোধন করা হচ্ছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি নীতিমালা। ডিপিইওর হাতে বদলির একক ক্ষমতা দেয়ার এক মাসের মধ্যে এ নীতিমালা সংশোধন করা হচ্ছে। গত মার্চে বদলি নীতিমালা জারির পরপরই এর অপব্যবহার হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করেছে মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যরা। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির মতামত ছাড়া নীতিমালা জারির কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর কাছে। একই কারণে মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদেরও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তোপের মুখে পড়তে হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস বুধবার বাংলামেইলের কাছে বদলি নীতিমালা সংশোধনীর বিষয়টি স্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির মতামত নিয়ে সহসাই প্রাথমিক শিক্ষকদের বদলির সংশোধিত নীতিমালা জারি করা হবে। ইতোমধ্যেই নীতিমালার খসড়া প্রস্তুত করে মন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়েছে। সংসদীয় কমিটির মতামত নিয়ে সংশোধিত নীতিমালার প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হবে।’ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ক্ষমতা খর্ব করা ছাড়াও আরো বেশ কিছু সংশোধনী আনা হচ্ছে বদলি নীতিমালায়। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি নীতিমালায় সংযুক্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা এক বছর বলা হলেও, সংশোধিত নীতিমালায় কোনো সময়ের উল্লেখ থাকবে না। জেলা সদর ও সদর সংলগ্ন পৌর সভায় বদলির সুযোগ বাতিল করা হবে। এর পাশাপাশি সিটি করপোরেশন এলাকা ও পাশ্ববর্তী থানায়ও বদলির সুযোগও বাতিল করা হচ্ছে। যেমন- ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকা কেরানীগঞ্জ, সাভার, দোহার, সিদ্দিরগঞ্জ, আড়াই হাজার এলাকায় বদলি করা যাবে না। সূত্রটি আরো জানায়, মার্চ মাসে মন্ত্রণালয় নীতিমালা সংশোধনের আগে আড়াই শতাধিক প্রাথমিক শিক্ষকদের রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলে সংযুক্ত বদলির আদেশ দেয়া হয়েছিল। জেলা ও থানা পর্যায়ের বদলির ক্ষেত্রে নীতিমালায় প্রাপ্ত ক্ষমতার অপব্যবহার করেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের দেখনো পথ ধরে একের পর এক সংযুক্ত বদলির আদেশ দিয়েছিলেন। এর ফলে অনেক শিক্ষকদের শাস্তিমূলক বদলিরও ঘটনার অভিযোগও মন্ত্রণালয়ে এসেছে। এছাড়াও মন্ত্রণালয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) মাধ্যমে বদলির নীতিমালা জারির পর গত এক মাসে সারাদেশে কতজন শিক্ষককে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারে সংযুক্ত বদলির আদেশ দিয়েছেন তারও একটি তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে মন্ত্রণালয়। এর ফলে কোনো ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কিনা সে বিষয়েও অনুসন্ধান করবে মন্ত্রণালয়।

খর্ব হচ্ছে জেলা শিক্ষা অফিসারের ক্ষমতা