শনিবার, ০৭ মার্চ ২০১৫ ।

সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ। পাকিস্তানি শাষকদের ২৩ বছরের শোষণে বিরুদ্ধে অগ্নিস্ফূলিঙ্গের মতো জেগে ওঠা পুরো বাংলাকে এক সুতোয় বাঁধেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা, রাজনৈতিক কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান। তার ডাকে সেদিন সব পিছুটান ফেলে বাংলার মানুষ ছুটে আসে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে; যা বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হিসেবে পরিচিত। লাখো জনতার সামনে বজ্রকণ্ঠে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ আজ সেই ৭ই মার্চ। কালের প্রবাহমানতায় ঐতিহাসিক সেই ভাষণ পেরিয়ে এসেছে ৪৪ বছর। তবু, তার মাহাত্ম্য একটুও কি কমেছে! সেদিনের সেই ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাঙালির স্বাধীকার আদায়ের চূড়ান্ত লড়াই। ওইদিনের ওই ভাষণের পরে পুরো বাংলা চলতে থাকে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায়। স্বাধীন বাংলার মূল স্বপ্নদ্রষ্টার ভাষণের প্রতিটি লাইন অক্ষরে অক্ষরে পালন করে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়সত্তায় বিপ্লবের নবস্পন্দন জাগিয়ে তোলে। সেই ভাষণের অনুপ্রেরণায় দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষ ওই বছরেরই ১৬ ডিসেম্বর পৃথিবী নামক গ্রহে অঙ্কিত হয় ‘বাংলাদেশ’ নামে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও ‘কভু হার না মানা’ একটি রাষ্ট্রের।

তিস্তায় হঠাৎ বাড়ছে পানি

তিস্তার সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকায় আকস্মিকভাবে পানি প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। চারশ কিউসেকে নেমে আসা প্রবাহ এক লাফে ছাড়িয়ে গেছে দুই হাজার কিউসেকে। গত ২৪ ঘণ্টায় যে পানি উজান থেকে এসেছে তা দিয়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, উজান থেকে ধীরে ধীরে আরো পানি আসছে। আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। গত ১৯ মার্চ তিনদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছিলেন। পরে ভারতে গিয়ে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সইয়ের ব্যাপারে সায় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও দেন। এ ঘটনার পরে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে হঠাৎ করেই তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকায় বাড়তে শুরু করে পানি প্রবাহ। পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের নিবার্হী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বাংলামেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিস্তায় হঠাৎ করেই পানি প্রবাহ বেড়ে গেছে। শুক্রবার সকালে এ প্রবাহ দুই হাজার কিউসেক ছাড়িয়ে গেছে। এতে আমরা আশার আলো দেখছি।

ড. শফিউল হত্যায় সেই রেশমা গ্রেপ্তার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাসরিন আক্তার রেশমাকে গ্রেপ্তার করেছে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। নগরীর মেহেরচণ্ডি এলাকা থেকে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার (এসি) ইফতেখায়ের আলাম জানান, রেশমা শিক্ষক অধ্যাপক ড. একেএম শফিউল ইসলাম লিলন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আগে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ঠিকাদার আব্দুস সামাদ পিন্টুর স্ত্রী। রেশমা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকশন অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। হত্যার কিছুদিন আগে রেশমার সঙ্গে ড. শফিউলের বাকবিতণ্ডা হয়। সেই থেকে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে রেশমার সম্পৃক্ততা আছে বলে সন্দেহ করে আসছিলো গোয়েন্দা পুলিশ।
দুধসাদা পাঞ্জাবি। তার ওপর হাতাকাটা কালো কোট পরে দৃঢ়তার সাথে মঞ্চে উঠলেন দীর্ঘদেহী এক বাঙালি। পরবর্তীতে যে ব্যক্তি পরিণত হন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে। জীবনের অর্ধশত বসন্ত পার করে আসা সেই বাঙালির নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সেদিন তিনি মঞ্চে সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন সাত কোটি বাঙালির ভবিষ্যৎ, আত্মসম্মান আর অধিকার আদায়ের জাদুমন্ত্র। সে মন্ত্রে নিজেকে মন্ত্রমুগ্ধ করতে সেদিন পূর্ব বাংলার টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া সর্বত্র থেকে লাখো জনতা এসে মিশেছিলেন রেসকোর্স ময়দানে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও ভিডিও ফুটেজ দেখে বোঝা যায়, সেদিন আক্ষরিক অর্থেই জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল রেসকোর্স ময়দান (আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান)। সেদিনের সেই ভাষণ শুধু বাঙালির স্বাধীনতার ঘোষণাই ছিল না, ছিল এক অনবদ্য কাব্য। আর সেই কাব্যের কবি আমাদের বঙ্গবন্ধু। বাঙালির অবিসংবাদিত এই নেতা ৭ই মার্চের ভাষণে কী বলেছিলেন, সেই ভাষণের দিক নির্দেশনায় বাঙালি জাতি যে মরণপণ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল তা আজ কারো অজানা নয়। কিন্তু সেদিনটি কেমন কেটেছিল বঙ্গবন্ধুর? কীরূপ প্রস্তুতি ছিল তার ভাষণের আগে- এ কথাগুলো এখনো অনেকেরই অজানা। তেমনি অজানা, সেদিন রাতের কথাও।
আ স ম আবদুর রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় সংসদের (ডাকসুর) সহ-সভাপতি নির্বাচিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন তিনি স্বাধীন বাংলা নিউক্লিয়াসের সদস্য হন। ১৯৭১ সারের ২রা মার্চ স্বাধীন বাংলার প্রথম পতাকা উত্তোলনের বিরল সম্মানের অধিকারী তিনি। ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক গণজমায়েতে বঙ্গবন্ধুর পাশেই ছিলেন তিনি। ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে ছিলেন অন্যতম সংগঠক। স্বাধীনতার পর তার নেতৃত্বে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল- জাসদ গঠিত হয়। চুয়াত্তর থেকে একাশি সাল পর্যন্ত ৭ বছর জেলে ছিলেন। ১৯৮৬ এবং ৮৮ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি। তিনি স্মৃতিচারণ করেছেন আজকের সেই দিনের। তার সেই স্মৃতিচারণের অনুলিখন করেছেন বাংলামেইলের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট কামাল মোশারেফ। শুক্রবার উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের ৪ রোডের ১৪ নম্বর হাউজের নিজ বাসায় বাংলামেইলকে এসব কথা বলেন তিনি। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার রেসর্কোস ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গববন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের পেছনেও রয়েছে এক ঐতিহাসিক ঘটনা।
হাতের মুঠোয় মৃত্যু, চোখে স্বপ্ন নিয়ে এসেছিল মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, করুণ কেরানী, নারী, বৃদ্ধ, বেশ্যা, ভবঘুরে আর তোমাদের মত শিশু পাতা-কুড়ানীরা দল বেঁধে। একটি কবিতা পড়া হবে, তার জন্যে কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের: “কখন আসবে কবি?’ ‘কখন আসবে কবি?’ শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে, রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে অত:পর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন। তখন পলকে দারুণ ঝলকে তরীতে উঠিল জল, হদৃয়ে লাগিল দোলা, জনসমুদ্রে জাগিল জোয়ার সকল দুয়ার খোলা। কে রোধে তাঁহার বজ্রকন্ঠ বাণী? গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।
জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্রিজ অথরিটি (বিবিএ) থেকে বলা হয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্থ আড়ৎ ব্যবসায়ীদের অবকাঠামোগত ক্ষতিপূরণ ও নতুন জায়গায় আড়ৎ নির্মাণ করে দেয়া হবে। কিন্তু ৫ বছরেও সে ক্ষতিপূরণ এবং নতুন আড়ৎ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে আড়ত হারানোর পর থেকে আজ অবধি খোলা আকাশের নীচে বসে ব্যবসা পরিচালনা করছেন আড়তদাররা। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে চরম নিরাপত্তাহীনার মধ্যে প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে খুচরা বিক্রির জন্য তারা মাছ সরবরাহ করে আসছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে ভাবছেন।
স্বর্ণ চোরাচালান ও ডলার পাচারের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটকের ঘটনা এর আগে বহুবার ঘটেছে। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকদের কেউ এ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ এ-ই প্রথম পাওয়া গেল। শুধু তা-ই নয়, হাতেনাতে ধরা গেল তাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উত্তর কোরিয়ার এক কূটনীতিক ২৭ কেজি স্বর্ণসহ ধরা পড়েন। পরে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হলে ঢাকায় পিউংইয়ং দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুক্রবার দুপুরে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। অবশ্য এই ঘটনার আগে থেকেই বিমানবন্দরে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি চলছিল। কোরীয় কূটনীতিককে আটকের পর গোয়েন্দা নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগ।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জযের পর দারুন খোশ মেজাজে মাশরাফি ব্রিগেড। আর তাই স্কটিশ পরীক্ষা শেষে, এবার ইংলিশদের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পালা টাইগার ক্রিকেটারদের। চার ম্যাচে দুটি করে জয় পরাজয়ের সঙ্গে এক পরিত্যাক্ত ম্যাচে ৫ পয়েন্ট অর্জণ হলো বাংলাদেশের। কোয়ার্টারে যেতে হলে এবার মাশরাফিদের সামনে বড় বাধা ইংল্যান্ড। আর এই ম্যাচে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বাড়তি প্রেরণা গত বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংলিশদের হারানোর সুখস্মৃতি। সব মিলিয়ে তাই অ্যাডিলেডে আরেকটি ইংল্যান্ড বধের প্রত্যাশা মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের।
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
নিউজিল্যান্ড
শ্রীলংকা
অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশ
ইংল্যান্ড
আফগানিস্তান
স্কটল্যান্ড
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাকিস্তান
আয়ারল্যান্ড
জিম্বাবুয়ে
আরব আমিরাত

এবার মাশরাফিদের মিশন ইংল্যান্ড

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জযের পর দারুন খোশ মেজাজে মাশরাফি ব্রিগেড। আর তাই স্কটিশ পরীক্ষা শেষে, এবার ইংলিশদের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পালা টাইগার ক্রিকেটারদের। চার ম্যাচে দুটি করে জয় পরাজয়ের সঙ্গে এক পরিত্যাক্ত ম্যাচে ৫ পয়েন্ট অর্জণ হলো বাংলাদেশের। কোয়ার্টারে যেতে হলে এবার মাশরাফিদের সামনে বড় বাধা ইংল্যান্ড। আর এই ম্যাচে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বাড়তি প্রেরণা গত বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংলিশদের হারানোর সুখস্মৃতি। সব মিলিয়ে তাই অ্যাডিলেডে আরেকটি ইংল্যান্ড বধের প্রত্যাশা মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের।

দলের সঙ্গে যোগ দিলেন ইমরুল

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও ব্যাটিংয়ের সময় ওপেনার তামিম ইকবালকে স্ট্রেসিং (প্রসারন) করতে দেখে অনেকই ভয় পেয়েছিলেন। এরপর এনামুল হক বিজয়ের ইনজুরি ভড়কে দিয়েছে বাংলাদেশি সমর্থকদের।

জিম্বাবুয়ের বাঁচা-মরার ম্যাচ

ছোট দল নয়, বলুন আইসিসির সহযোগী দেশ। ২০০৭ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৫, আয়ারল্যান্ডের যে পারফরম্যান্স তাতে আইরিশ অধিনায়ক এরকম দাবি করতেই পারেন। এবারও কি কম যাচ্ছে আইরিশরা! বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে অনেকটা বলেকয়ে হারিয়েছে শক্তিধর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। অনেকে ব্যাপারটিকে অঘটন হিসেবে ব্যাখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইরিশ অধিনায়কের তাতে তীব্র আপত্তি। বরং পাল্টা দিয়ে বলেছেন ‘অঘটন’ শব্দটিকে তিনি ঘৃণা করেন। তাই জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে দিলে কেউ যেন ভুল করেও অঘটন শব্দটি না লেখেন!

স্মরণে আজাচৌ...

বিনোদন সাংবাদিকতা করেও কেউ তারকা খ্যাতি পেতে পারেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছেন প্রয়াত সাংবাদিক আহমেদ জামান চৌধুরী। সংবাদপত্রের পাতায় 'আজাচৌ এর কলাম' এর মাধ্যমে তিনি পাঠকদের হৃদয় জয় করেন। চলচ্চিত্র অঙ্গনে তিনি সবার কাছের মানুষ ‘খোকা ভাই’। ৬ মার্চ এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

উড়ে যাচ্ছে মনের শান্তি...

সুখ-দুঃখে গড়া আমাদের জীবন, তাই কেউই পুরোপুরি সুখী বলে দাবি করতে পারিনা। জীবনের পুরোটা একদম অশান্তির, তাও কিন্তু নয়। দুঃখবিলাসী মন মাঝে মাঝে ইচ্ছে করেই কষ্টকে ডেকে আনে নিজের অজান্তে। নিজের কষ্টের কারণ স্বয়ং নিজে, এই বোধটা আমাদের মাঝে অনেক সময়ই কাজ করে না। দোষ দেই ভাগ্যের বা অন্য কারো। তখন বোকা চোখে চেয়ে থাকি উড়ে যাওয়া মনের শান্তি গুলোর দিকে। অথচ কিছু খারাপ অভ্যাস বাদ দিলে অনেকটা সুখী থাকা সম্ভব। যেমন-
স্বর্ণ চোরাচালান ও ডলার পাচারের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটকের ঘটনা এর আগে বহুবার ঘটেছে। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকদের কেউ এ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ এ-ই প্রথম পাওয়া গেল। শুধু তা-ই নয়, হাতেনাতে ধরা গেল তাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উত্তর কোরিয়ার এক কূটনীতিক ২৭ কেজি স্বর্ণসহ ধরা পড়েন। পরে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হলে ঢাকায় পিউংইয়ং দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুক্রবার দুপুরে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। অবশ্য এই ঘটনার আগে থেকেই বিমানবন্দরে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি চলছিল। কোরীয় কূটনীতিককে আটকের পর গোয়েন্দা নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগ।

কূটনীতিকরাও এখন গোয়েন্দা নজরদারিতে

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্রিজ অথরিটি (বিবিএ) থেকে বলা হয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্থ আড়ৎ ব্যবসায়ীদের অবকাঠামোগত ক্ষতিপূরণ ও নতুন জায়গায় আড়ৎ নির্মাণ করে দেয়া হবে। কিন্তু ৫ বছরেও সে ক্ষতিপূরণ এবং নতুন আড়ৎ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে আড়ত হারানোর পর থেকে আজ অবধি খোলা আকাশের নীচে বসে ব্যবসা পরিচালনা করছেন আড়তদাররা। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে চরম নিরাপত্তাহীনার মধ্যে প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে খুচরা বিক্রির জন্য তারা মাছ সরবরাহ করে আসছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে ভাবছেন।

পথে বসেছে ২৯ মৎস্য আড়ৎদার

ঢাকা বারের আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে দুটি সুস্পষ্ট ধারা রয়েছে। এর একটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ। এর নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবু আব্দুল্লাহ। আর অন্যটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। এর নেতৃত্বে আছেন অ্যাডভোকেট বাসেত মজুমদার ও অ্যাডভোকেট লায়েকুজ্জামান। যখন দেশে বঙ্গবন্ধু শব্দ উচ্চারণ প্রায় নিষিদ্ধ ছিল তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী বলয়ের আইনজীবীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এই সংগঠন গড়ে তোলা হয়। এছাড়াও আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ নামে অধুনা আরেকটি সংগঠনও আইনজীবীদের মধ্যে কাজ করছে। তবে নামে ভিন্ন হলেও বাস্তবে এটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদেরই সমর্থক সংগঠন। আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের কার্যত দুটি সুস্পষ্ট ধারায় বিভক্ত করে রেখেছে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। এই আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সমর্থক আইনজীবীদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে নানা কারণে। ক্ষোভের অন্যতম কারণ হচ্ছে জন্মের পর থেকেই এই সংগঠনের কোনো সম্মেলন হয় না। এর নেতাদের কেউ কেউ একই সঙ্গে সংগঠনে, মূল দলে, সংসদে, সরকারে এবং আদালতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন এবং আছেন।

আওয়ামীপন্থিদের ভরাডুবির পোস্টমর্টেম

কর্মকর্তাদের অবহেলা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয়হীনতায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ও সঠিক হিসাব সংরক্ষণে নেই। নামমাত্র কিছু সম্পদের তালিকা থাকলেও এর মধ্যেও রয়েছে বহু গড়মিল। এ কারণেই সংস্থা দু’টির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বেদখলের পাশাপাশি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি নিয়ে আমাদের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট শাহেদ শফিকের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের অষ্টম পর্বের বিষয় ‘দোকান নির্মাণ করতে রাস্তাও বরাদ্দ দিচ্ছে ডিএসসিসি!’

রাস্তাও ইজারা দিচ্ছে ডিসিসি!