শনিবার, ২৮ মার্চ ২০১৫ ।

বিদ্রোহীরা পাবে গুরুত্বপূর্ণ পদ

বিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে অবশ্য একক প্রার্থী থাকবে। কেউ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আর বিদ্রোহীদের যারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন তাদের দলে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়া হবে। শুক্রবার রাতে গণভবনে ঢাকার দলীয় এমপি, মহানগর আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের ওয়ার্ড, ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় ডিসিসির দুই মেয়র প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে দলীয় সিদ্ধান্ত মানতে হবে। কেউ দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করলে সে যত বড়ই নেতা হোন না কেন, কোনো ছাড় দেয়া হবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে উত্তরে আমাদের প্রার্থী হচ্ছে আনিসুল হক। আর দক্ষিণে হচ্ছে সাঈদ খোকন।’ এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দুই মেয়র প্রার্থীকে আপনাদের হাতে তুলে দিলাম। তাদেরকে নির্বাচনে জয়ী করার দায়িত্ব আপনাদের।’ এসময় নগর নেতারা এক হয়ে কাজ করে দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ী করে আনার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আ.লীগের দুপক্ষে গোলাগুলি, আহত ৬

বাঘায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা চত্বরের সামনে বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ও যুবলীগ নেতা তসিকুল ইসলামের লোকজনের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুই জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস ও তার লোকজন জানান, বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসের সমর্থক আমির হোসেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে ঈশ্বরদী থেকে বাঘা আসছিলেন। তিনি উপজেলা চত্বরের সামনে এলে যুবলীগ নেতা তসিকুল ইসলাম ও তার লোকজন আমির হোসেনের গতিরোধ করে ও ২০ হাজার টাকা চাঁদা চায়। আমির হোসেন চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তসিকুল ইসলামের লোকজন তাকে মারপিট করেন। ঘটনাটি জানতে পেরে আব্দুল কুদ্দুসের আরেক সমর্থক লাল চাঁন ঘটনাস্থলে ছুটে যান আমির হোসনকে বাঁচাতে। ওই সময় তসিকুলের লোকজন তাকেও মারপিট করেন। সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে আব্দুল কুদ্দুসের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এলে উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়া ও কয়েক রাউন্ড গোলাগুলিও ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে দুই জন গুলিবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। পুলিশের রাবার বুলেটে আহত গুলিবিদ্ধ শামীম ও রতন। এছাড়াও ইট-পাটকেলের আঘাতে আহত হয়েছে সাইফুল, শাহিন, নান্নু ও ফরহাদ নামে আরো চার জন। আহতদের বাঘা সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

ঝুলে গেল ১৪ লাখ মানুষের ভাগ্য

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মালয়েশিয়া বিষয়ক সেল সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১০ লাখ লোকের চাহিদাপত্র পাঠিয়ে তা সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে ক্রমান্বয়ে আরও ৫ লাখ লোক নেয়ার আশ্বাস দেয় মালয়েশিয়ান সরকার। এজন্য ২০১৩ সালে নিবন্ধন করেন ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৬ জন। নিবন্ধনকারীদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩৬ হাজার ৩৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিতদের তিন ভাগে ভাগ করে ২৩ জানুয়ারি প্রথম দফায় পাঠানোর জন্য লটারিতে ১১ হাজার ৭৫৮ জনের যাবতীয় কাগজপত্র তৈরি করা হয়। এরপর আরও দুই ধাপে ২৪ হাজার ২৪০ জনের কাগজপত্র তৈরি করে মালয়েশিয়া পাঠায় বিএমইটি। প্রথম দফায় কাগজপত্র পাঠানো লোকদের মধ্যে ওই বছরের এপ্রিলে ১৯৮ জন শ্রমিককে মালয়েশিয়া পাঠানোর মাধ্যমে শুরু হয় দেশটিতে জনশক্তি রপ্তানি। এরপরই শুরু হয় ধীরে চলো নীতি। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চাপ দিলে দুই বছরে মাত্র সাড়ে ৭ হাজার ভিসা দেয় তারা। তবে ২০১৩ সালের এপ্রিলে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০১৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সর্বমোট ৭ হাজার ১৬৬ জন কর্মী নিয়েছে তারা।
ভারতে ইলিশ দিয়ে ফেনসিডিল আনার মতো বিনিময় বাণিজ্য প্রচলিত আছে অনেক আগে থেকেই। এখন মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা ট্যাবলেট বাংলাদেশ হয়ে ভারতে যাচ্ছে। বিনিময়ে আসছে অস্ত্র ও ফেনসিডিলের চালান। মাদক চোরাকারবারিরা এখন এভাবেই মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা একসঙ্গে করছে। গোয়েন্দাদের তৎপরতায় এই বিনিময় বাণিজ্যের কৌশল ধরা পড়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে লক্ষাধিক পিস ইয়াবাসহ সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এটি রাজধানীতে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার সবচেয়ে বড় চালান। এদের চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে মাদক পাচারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। ডিবি পুলিশের একজন কর্মকর্তা বাংলামেইলকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে অবৈধভাবে ইয়াবা দেশে ঢুকছে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে গত দুই মাসে দেশে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মায়ানমার থেকে এসেছে।
অতিরিক্ত রূপসচেতনতা আপনার পেশাগত কাজে ক্ষতি ডেকে আনতে পারে, তা নারী বা পুরুষ যেই হোন না কেন। ব্যক্তিত্বে আক্রমণ করে বসতে পারে বন্ধুর মোক্ষম কোনো বাক্যবাণ। কাজের গুরুত্ব বুঝে চললে ফল পাবেন হাতেনাতে। অনাদরে বাড়িতে লক্ষ্মীও থাকে না। বন্ধুদের খপ্পরে পড়ে পকেট ফাঁকা হতে পারে। গ্রহের অশান্তি আপনার হৃৎকম্পনের মধ্য দিয়েই টের পাওয়া যাচ্ছে। গ্রহে রাহুর প্রভাবের কারণে আজ আপনার কপালে দুর্ঘটনাযোগ লিখিত আছে। বাসা থেকে বের হওয়ার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন। বন্ধুদের দ্বারা লাভবান হবেন আজ। চারিত্রিক দুর্বলতা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েই যায়।
নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপে সবচেয়ে সেরা সাফল্যের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। আর তাই মাশরাফি বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ জাতীয় দলের সাকেবরা। কারণ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মতো পেস-সহায়ক কন্ডিশনে বাংলাদেশ খুবই ভালো পারফর্ম করেছে। এমনকি খেলেছিল শেষ আটেও। তাই বলে মাশরাফিদের উন্নতির উর্ধ্বমূখি গ্রাফে কিন্তু তুষ্ট হতে পারছেন না বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক কমিটির অন্যতম সদস্য হাবিবুল বাশার সুমন। তার দৃষ্টিতে অল্পতেই তুষ্ট হলে চলবে না। ধরে রাখতে হবে মাশরাফিদের ভালো খেলার ধারবাহিকতা। বিশেষ করে বাংলাদেশ দল একটি সিরিজে ভালো খেললে, পরের সিরিজেই ঘটে ব্যাপক ছন্দপতন। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাহলে আসন্ন হোম সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল আরও ভালো করবে বলেই মনে করছেন হাবিবুল বাশার সুমন। তার মতে, বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে পাকিস্তানকেও হারাতে পারবে বাংলাদেশ।
আমি আশাবাদী আমার অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে দল আমাকে কাউন্সিলর পদে সমর্থন দেবে। জনগণের ভোটে আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে ইনশাল্লাহ এলাকার মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস ও ছিনতাই মোকাবিলা করে পুরান ঢাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে নিয়ে আসব। পাশাপাশি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি খেলার জন্য মাঠ, একটি কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণ, পাঠাগার, ব্যায়ামাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করবো।’ জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় পার্টি করে আসছি। আমাদের নেতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ তার আমলে যে কাজগুলো করেছেন তা কেউ করেনি। আমি নির্বাচিত হলে সে কাজগুলো অব্যাহত রাখবো। তাছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা ময়লা ফেলে ভরে রাখা হয়, সড়কগুলোতে বাতি নেই, সুয়ারেজের ৬০ ভাগ অকার্যকর। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে কাজ করবো।
বিষয়টি জানতে পেরে চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা ছুটে যান কালাচি গ্রামে। কয়েকদিন সেখানে অবস্থান করে পরিবেশের বিষাক্ততা থেকে শুরু করে রোগীদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন তারা। তবে এসব পরীক্ষায় কোন উত্তর মেলেনি। আফ্রিকার ট্রাইপানোসোমিয়াসিসের মতো এটি জীবাণুঘটিত ঘুম রোগ কিনা তা জানার চেষ্টাও করেন বিজ্ঞানীরা। সব কিছু ছাপিয়ে সেই ফলাফল শূণ্য। অর্থাৎ বিজ্ঞানীরা এসব পরীক্ষার মাধ্যমে এ রোগের কোন যৌক্তিক কারণ খুঁজে পাননি।
লাঙ্গলবন্দে পদদলিত হয়ে ১১ পুণ্যার্থীর প্রাণহানির ঘটনার কারণ হিসেবে ব্রিজ ভেঙে পড়ার গুজবকেই মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পুণ্যার্থীদের প্রচণ্ড ভিড়ের জন্যও বেড়েছে নিহতের সংখ্যা। কেউ বলছেন, পুণ্যার্থীদের ভিড় সামলাতে এলাকায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক ছিল না। এ কারণে স্নানের সময় চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। আর তাতে পদদলিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার ভোর পৌনে পাঁচটা থেকেই মহাষ্টমী স্নান উৎসবের সূচনা হয়। তখন থেকেই ঢল নামে পুর্ণার্থীদের। স্নানের জন্য লাঙ্গলবন্দে ব্রহ্মপুত্র নদের ১৬টি ঘাট নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম প্রধান রাজঘাটে পুণ্যার্থীদের বেশি চাপ সৃষ্টি হয়। কারণ হিসেবে জানা গেছে, রাজঘাটে স্নান করলে বেশি পুণ্য হয়। এ জন্য প্রচণ্ড ভিড়ের চাপে ও বেইলি ব্রিজ ভেঙে পড়ার গুজবে পুণ্যার্থীদের মধ্যে দেখা দেয় হুড়োহুড়ি আর প্রচণ্ড ধাক্কাধাক্কি। এ পরিস্থিতিতে রাজঘাট এলাকায় পদদলিত হয়ে সাতজন নারীসহ অন্তত ১০ জন মারা যান। মর্মান্তিক প্রাণহানির পর ঘটনাস্থলে যান নারায়ণগঞ্জ-৫ (শহর-বন্দর) আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান। তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে মরদেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়া ও সৎকারের জন্য ২৫ হাজার টাকা করে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দিয়েছেন। এ সময় সেলিম ওসমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে হরতাল অবরোধের কারণে মানুষ আবদ্ধ অবস্থায় ছিল। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় এ উৎসবটি লম্বা ছুটির মধ্যে পড়ায় অন্যবারের তুলনায় তিনগুণ পুণ্যার্থী এসেছে। তাছাড়া গরম বাড়ার আগেই স্নান শেষ করে চলে যাওয়ার তাড়া ছিল সবার মধ্যে। তাই ভিড়টা ছিল অস্বাভাবিক। এর ওপর ব্রিজ ভেঙে পড়ার গুজবকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। তবে পুণ্য স্নানে প্রাণহানির জন্য সেলিম ওসমান রাস্তার দুইপাশে অবৈধ দখলদারদেরও দায়ী করেছেন।
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
নিউজিল্যান্ড ১২
অস্ট্রেলিয়া
শ্রীলংকা
বাংলাদেশ
ইংল্যান্ড
আফগানিস্তান
স্কটল্যান্ড
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
ভারত ১২
দক্ষিণ আফ্রিকা
পাকিস্তান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আয়ারল্যান্ড
জিম্বাবুয়ে
আরব আমিরাত

পাকিস্তানকেও হারাবে বাংলাদেশ!

নিজেদের পঞ্চম বিশ্বকাপে সবচেয়ে সেরা সাফল্যের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ। আর তাই মাশরাফি বাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ জাতীয় দলের সাকেবরা। কারণ অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মতো পেস-সহায়ক কন্ডিশনে বাংলাদেশ খুবই ভালো পারফর্ম করেছে। এমনকি খেলেছিল শেষ আটেও। তাই বলে মাশরাফিদের উন্নতির উর্ধ্বমূখি গ্রাফে কিন্তু তুষ্ট হতে পারছেন না বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক কমিটির অন্যতম সদস্য হাবিবুল বাশার সুমন। তার দৃষ্টিতে অল্পতেই তুষ্ট হলে চলবে না। ধরে রাখতে হবে মাশরাফিদের ভালো খেলার ধারবাহিকতা। বিশেষ করে বাংলাদেশ দল একটি সিরিজে ভালো খেললে, পরের সিরিজেই ঘটে ব্যাপক ছন্দপতন। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তাহলে আসন্ন হোম সিরিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল আরও ভালো করবে বলেই মনে করছেন হাবিবুল বাশার সুমন। তার মতে, বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স ধরে রাখতে পারলে পাকিস্তানকেও হারাতে পারবে বাংলাদেশ।

কলকাতার মিডিয়ায় কান্না

আয়োজন অনেক কিছুই করে রাখা হয়েছিল। ভারতকে ফাইনালে তোলার জন্য হেন কোন কাজ নেই যে করে নাই আইসিসি কিংবা ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। পুরো সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের গ্যালারিকে পরিণত করা হয়েছিল ভারতীয় স্টেডিয়ামে। ভারতীয়রা নিশ্চিতই ছিল, তারা ফাইনালে উঠে যাচ্ছেই। অন্ততঃ আর কেউ না হোক, আইসিসি তো তাদের ফাইনালে তুলে দেবেই। কিন্তু, মওকা আইসিসিও এনে দিতে পারলো না। সিডনিতে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার দাপটের সামনে ভেজা বিড়ালের মতই মাথা নুইয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল ভারতীয়দের। গ্যালারিতে সমর্থকদের মধ্যে উঠেছিল কান্নার রোল। চোখের পানি-নাকের পানি এক করে গ্যালারি থেকে তাদের বের হতে দেখেছিল সবাই।

সাবেকদের চোখে বিশ্বকাপ

শুরু ১৪ ফেব্রুয়ারী। যবনিকা হতে যাচ্ছে একদিন বাদে ২৯ মার্চ। লম্বা সময়ের বিশ্বকাপ কেমন হলো? বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়করা জানিয়েছেন, অন্য যেকোন বিশ্বকাপের চেয়ে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বিশ্বকাপ তাদের মন ভরিয়ে দিয়েছে। আর এর বড় একটা কারণ ছিল বিরুদ্ধ কন্ডিশনেও বাংলাদেশের অভাবনীয় পারফরম্যান্স।

এস আই টুটুলের মাতৃবিয়োগ

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এস আই টুটুলের মা শামসুন্নাহার ইন্তেকাল করেছেন। শুক্রবার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। এস আই টুটুলের ছোট ভাই এস আই সোহেল বাংলামেইলকে জানান, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তার মা এস আই টুটুলের ঢাকার বাসায় বেড়াতে যান। সেই থেকে তিনি ঢাকাতেই ছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরিভাবে তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরের দিকে তিনি মারা যান। পরে শুক্রবার দুপুরে তাকে কুষ্টিয়ায় নিয়ে আসা হয়। রাত ৯টায় জানাজা শেষে কুষ্টিয়া পৌর কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

সঙ্গীর আচরণে খটকা?

একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক সম্পর্ক নিশ্চিন্তে রাখে উভয়কেই। স্বস্তি আর শান্তির আশ্বাস মেলে একে অপরের কাছ থেকে। মানুষের দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অন্যতম প্রধান কারণ হল সঙ্গীর সঙ্গে সব ব্যাপারে ভাগাভাগি করে নেয়া। কিন্তু সেই সম্পর্ক যদি কিছু ব্যাপারে চিন্তা বাড়াতে থাকে, তাহলে তাকে স্বাভাবিক সম্পর্ক বলা যায় না। সম্পর্কের খাতিরে কিছু বিষয় ধামাচাপা দিয়ে রাখতে চান অনেকে, অথচ তা হয়তো ভবিষ্যৎ বিকট বিষ্ফোরণের ইঙ্গিত। তাই কিছু বিষয়ে খটকা থাকলে বুঝে নেবেন আপনার সম্পর্কটি স্বাভাবিক নয়, নিতে হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা।
ভারতে ইলিশ দিয়ে ফেনসিডিল আনার মতো বিনিময় বাণিজ্য প্রচলিত আছে অনেক আগে থেকেই। এখন মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা ট্যাবলেট বাংলাদেশ হয়ে ভারতে যাচ্ছে। বিনিময়ে আসছে অস্ত্র ও ফেনসিডিলের চালান। মাদক চোরাকারবারিরা এখন এভাবেই মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা একসঙ্গে করছে। গোয়েন্দাদের তৎপরতায় এই বিনিময় বাণিজ্যের কৌশল ধরা পড়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে লক্ষাধিক পিস ইয়াবাসহ সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এটি রাজধানীতে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার সবচেয়ে বড় চালান। এদের চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে মাদক পাচারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। ডিবি পুলিশের একজন কর্মকর্তা বাংলামেইলকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে অবৈধভাবে ইয়াবা দেশে ঢুকছে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে গত দুই মাসে দেশে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মায়ানমার থেকে এসেছে।

বিনিমিয় বাণিজ্য: যাচ্ছে ইয়াবা আসছে অস্ত্র

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মালয়েশিয়া বিষয়ক সেল সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১০ লাখ লোকের চাহিদাপত্র পাঠিয়ে তা সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে ক্রমান্বয়ে আরও ৫ লাখ লোক নেয়ার আশ্বাস দেয় মালয়েশিয়ান সরকার। এজন্য ২০১৩ সালে নিবন্ধন করেন ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৬ জন। নিবন্ধনকারীদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩৬ হাজার ৩৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিতদের তিন ভাগে ভাগ করে ২৩ জানুয়ারি প্রথম দফায় পাঠানোর জন্য লটারিতে ১১ হাজার ৭৫৮ জনের যাবতীয় কাগজপত্র তৈরি করা হয়। এরপর আরও দুই ধাপে ২৪ হাজার ২৪০ জনের কাগজপত্র তৈরি করে মালয়েশিয়া পাঠায় বিএমইটি। প্রথম দফায় কাগজপত্র পাঠানো লোকদের মধ্যে ওই বছরের এপ্রিলে ১৯৮ জন শ্রমিককে মালয়েশিয়া পাঠানোর মাধ্যমে শুরু হয় দেশটিতে জনশক্তি রপ্তানি। এরপরই শুরু হয় ধীরে চলো নীতি। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চাপ দিলে দুই বছরে মাত্র সাড়ে ৭ হাজার ভিসা দেয় তারা। তবে ২০১৩ সালের এপ্রিলে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০১৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সর্বমোট ৭ হাজার ১৬৬ জন কর্মী নিয়েছে তারা।

ঝুলে গেল ১৪ লাখ মানুষের ভাগ্য

আসন্ন ঢাকার বিভিক্ত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিজ দলীয় মেয়র ও কাউন্সিলার প্রার্থীদের বিজয়ী করতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। এমনকি এলক্ষ্য অর্জনে আচরণবিধির তোয়াক্কা করবেন না তারা। ইতিমধ্যে কেন্দ্র থেকে ১৫ টিম গঠন করা হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নেতা ও এলাকাভিত্তিক জাতীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে টিমগুলো গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীও। দলীয় সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী,জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণায় এমপি-মন্ত্রীসহ কোনো ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি অংশ নিতে পারেন না। এমনকি নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের কোনো অনুষ্ঠানেও তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে না। আচরণবিধি অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলতে- প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমমর্যাদার ব্যক্তি, সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের মেয়রকে বোঝানো হয়েছে।

ডিসিসি দখলে মাঠে নামছেন মন্ত্রীরা

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সকল সঙ্কটকে সঙ্গী করেই চলছে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা। প্রতিদিনই হাজারো খারাপ খবরের মাঝে ফুটে উঠছে বাংলাদেশের সাফল্যের চিত্র। পাকিস্তানের ২৩ বছরে শোষণ-বঞ্চনা শেষে শূন্যহাতে পথচলা শুরু করে বাংলাদেশ। এরপর থেকেই শুধুই এগিয়ে যাওয়া। রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামরিক শাসন, পারস্পরিক আস্থাহীনতা কিংবা অগণআন্ত্রিক রাজনীতির চর্চা সত্ত্বেও বাংলাদেশ প্রতিনিয়তই এগিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতিতে এক নম্বর হওয়ার পরও বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েনি, বিশ্বব্যাপী ফিরিয়ে এনেছে আস্থা। স্বাধীনতার ৪৫তম বছরে পা রাখার প্রাক্কালে সহজেই বলা যায়, বাংলাদেশ ধীর গতিতে এগিয়েছে। কিন্তু এখন গতি ক্রমবর্মান। অশিক্ষিত ও অশিক্ষিত কৃষক, পোশাক শ্রমিক, প্রবাসী শ্রমিকরাই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে। তাদের হাত ধরে আজ বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, বাড়ছে রেমিট্যান্স। ব্যাংকের রিজার্ভ রেকর্ড পরিমাণ। সরকারি প্রতিষ্ঠান যেখানে ব্যর্থ, সেখানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দেখিয়েছে সাফল্য। রাষ্ট্রযন্ত্র যখন চিন্তিত, তখন ব্যক্তিচিন্তায় অর্জিত হয়েছে সাফল্য। প্রতিদিনই বিশ্বের কোন না কোন প্রান্তে বাংলাদেশি ছিনিয়ে নিচ্ছেন সাফল্যের মুকুট।

সঙ্কটেও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ