শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ ।

কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করলেন স্বজনেরা

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করেছেন তার পরিবারের ৮ সদস্য। তারা হলেন স্ত্রী নূর নাহার, মেয়ে আতিকা নূর, ছেলের বউ শামীম আরা, ভাতিজি রোকসানা জেবিন, আফরোজা জেবিন, শ্যালক আবুল কালাম আজাদ, ভাগিনা সানোয়ার হোসেন। শনিবার বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে তারা কারাগারের ভেতরে প্রবেশ করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা কারাগার থেকে বেরিয়ে যান। তবে বের হয়ে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। তারা আইনজীবীরা আজ এ ব্যাপারে ব্রিফ করবেন বলে জানা গেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় হত্যা-নির্যাতনের অভিযোগে গত ৯ মে দোষী সাব্যস্ত করে কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

পুরানা পল্টনে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১

রাজধানীর পুরানা পল্টানের স্বদেশ টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আনোয়ার হোসেন (৪০) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে ভবনটির চতুর্থতলায় অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার পর আনোয়ার হোসেন সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে তীব্র ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

এখানো দায়মুক্তির আশায় কামারুজ্জামান

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কামারুজ্জামান আপিল বিভাগের রায় নিয়ে বিচলিত নন। তিনি এখানো দায়মুক্তির আশায় রয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছেন কামারুজ্জামানের আইনজীবী শিশির মনির। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কামারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করে তার পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে আইনজীবীরা সাংবাদিকদের সামনে ব্রিফ করেন। এ সময় শিশির মনির বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সময় কামারুজ্জামান বলেছেন- ঘটনার সাথে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই উনি (কামারুজ্জামান) বিশ্বাস করেন রিভিউ পিটিশনের মাধ্যমেই ওনি এই অপরাধ থেকে দায়মুক্ত হবেন। কামারুজ্জামান বলেছেন তিনি বিচলিত নন।’ শিশির মনির অভিযোগ করে বলেন, ‘তার সন্তানদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি পুলিশ তার বাসায় তল্লাসীর নামে তাণ্ডব চালিয়েছে।’
উপমহাদেশে যেমন ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ, তাসমান সাগর পাড়ে তেমনি অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। মহাদেশীয় দুই প্রতিযোগী মাঠে নামলে গ্যালারিতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে ভক্তরা। তা হোক ক্রিকেট, ফুটবল, নেটবল, হকি কিংবা রাগবি। ক্যাঙ্গারু আর কিউইদের লড়াইয়ে চারদিকে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ সৃষ্টি হয়। রক্তে নাচন ধরে উপস্থিতির। শনিবারের ইডেন পার্কেও তাই হয়েছিল। কিন্তু তা আর স্থায়ী হতে পারলো কই? খেলার মাঝ পথেই তো ম্যাচ এক দিকে মোড় নিল। শেষে অবশ্য স্নায়ুক্ষীয় একটা নাটকীয়তায় জন্ম হয়েছে। মিশেল স্টার্ক সব সমীকরণকে মুছে দিচ্ছিলেন। কিন্তু তারপরও ম্যাচ জিতে নিয়েছে ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের নিউজিল্যান্ড। সেটা ১ উইকেটের ব্যবধানে। মাত্র ২৩.১ ওভার খরচ করেই। নিউজিল্যান্ডের দুর্দান্ত ফর্মের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ানদের পেশাদারিত্বের মোড়কে এই ম্যাচকে দেখা হচ্ছিলো। যেখানে রিচার্ড হ্যাডলি, মার্টিন ক্রো থেকে স্টিভ ওয়াহ-এর মতো সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা বাজি ধরেছিল নিউজিল্যান্ডের ওপর। কিন্তু তারাও সম্ভবত এতোটা আশা করেননি? বিশ্বকাপের দাপুটে শক্তি অস্ট্রেলিয়াকে এদিন খুবলে রক্তাক্ত ও জখম করলো কিউই পাখির দেশ। এতোটাই যে- এদিন বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় সর্বনিন্ম ১৫১ রানেই অলআউট ডন ব্রাডম্যান-রিকি পন্টিংয়ের মাতৃভূমি। আর ছোট এই টার্গেট সামনে পেয়ে যতো তাড়াতাড়ি খেলা শেষ করা যায় এই মনোভাবে ব্যাটিং করে ১ উইকেট ম্যাচ জিতলো ব্লাক ক্যাপসরা। ১৫২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৩.১ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে তারা।
লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে তদন্তে সহযোগিতার প্রস্তাবও দিয়েছে দেশটি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েব সাইটে শুক্রবার এ হত্যার নিন্দা জানিয়ে একটি বিবৃতি দেয়া হয়েছে। বিবৃতিতে পররাষ্ট্র বিভাগের মুখপাত্র জেন সাকি বলেন, ‘এটা কেবল একটা ব্যক্তির বিরুদ্ধে আক্রমণ নয়, বাংলাদেশের সংবিধানে সংরক্ষিত সর্বজনীন আদর্শ এবং মুক্তবুদ্ধি ও ধর্মীয় আলোচনার বিষয়ে দেশটির গর্ব করার মতো ঐতিহ্যের প্রতি এটা কাপুরুষোচিত আঘাত।’
এই দুই দলের লড়াইকে ভাবা হচ্ছিলো ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালের ড্রেস রিহার্সেল হিসেবে। হ্যাঁ, ক্রিকেটপ্রেমীরা কল্পনায় আঁকছিল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ফেভারিট দুই দলের উত্তুঙ্গ লড়াইয়ের চিত্র। কিন্তু অকল্যান্ডের ইডেন পার্ক অকল্পনীয় এক দৃশ্যই উপহার দিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ‘এ’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচ খেলতে নেমে কুঁকড়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। ছড়ি ঘোরানো তো দূরে থাক, সামান্য প্রতিরোধও গড়তে পারলো না মাইকেল ক্লার্ক বাহিনী। বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় সর্বনিন্ম রানের স্কোর গড়ে ৩২.২ ওভারে অলআউট হয়ে গেল মাত্র ১৫১ রানেই। ১৯৮৩ সালের জুন মাসে ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে ভারতের বিপক্ষে খেলায় ৩৮.২ ওভার ব্যাট করে ১২৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। মহাযজ্ঞে এটাই অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিবর্ণ রূপ। এর আরো ৯ দিন আগে ওই একই বিশ্বকাপে লিডসে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫১ রানে থেমেছিল ‘দ্য ইয়েলো’রা। সেবার ৩০.৩ ওভার ব্যাট করেছিল তারা। ৩২ বছর আগে সেই স্মৃতি অকল্যান্ডে আবার উসকে উঠেছিল। যখন শনিবারসীয় মহারণে মাত্র ১০৬ রানে আট উইকেট হারায় অসিরা।
১০ দিনের রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনেও (শুক্রবার) নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নার কাছ থেকে নতুন কোনো তথ্য বরে করতে পারেনি তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। আদালতে যে বক্তব্য দিয়েছিলেন সে অবস্থানেই অনড় আছেন তিনি। মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে মান্না যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে ফোনালাপের কথা স্বীকার করলেও 'ষড়যন্ত্রের' ব্যাপারে মুখ খুলছেন না। তিনি আদালতের দেয়া বক্তব্যের মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছেন। পুলিশের কাছে তার ব্যাপারে ষড়যন্ত্রের অনেক অভিযোগ রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে এসব মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে তাকে ডিবির চৌকস বেশ ক'জন সদস্য জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
তাফসিরুল কুরআন মাহফিলের মঞ্চের পিছন থেকে টাইমবোমা উদ্ধার নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার রাতে ফুলবাড়ী মধ্যপাড়ায় টুকুর রাইচ মিল সংলগ্ন মাঠে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল চলছিল। বিশিষ্ট মুফাসসির বজলুর রশিদ মাহফিলে প্রধান বক্তা ছিলেন। মাহফিল চলাকালে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মঞ্চের পিছনে আয়োজক কমিটির লোকজন টাইমবোমা সদৃশ একটি বস্তু দেখতে পায়। টাইমবোমা পাওয়া গেছে এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এটিকে টাইমবোমা বলে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করে। বিষয়টি দ্রুত সেনাবাহিনীকে জানানো হয়। এরপর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তুটি উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসেন এবং পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়। রাত সাড়ে ১১টায় সেনাবাহিনীর ২ জন লে. কর্নেলের নেতৃত্বে ২৫ সদস্যসের একটি বোমা বিশেষজ্ঞ দল থানায় আসে। পরে তারা টাইমবোমা সদৃশ্য বস্তুটি নিস্ক্রিয় করতে গিয়ে দেখতে পায় ৮ ইঞ্চি লম্বা ২টি কাঠের চিকিল লাঠির সঙ্গে কাগজ দিয়ে কিছু পাথরের কুচি এবং কয়লার কুচি জড়িয়ে লাল রং এবং স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো রয়েছে। এরসঙ্গে বৈদ্যুতিক তার সংযুক্ত করে একটি ক্যাপাসিটর ও একটি সার্কিট লাগানো রয়েছে। যা দেখতে অনেকটা টাইম বোমার মতো।
কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের তোপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাত্র ১৫১ রানেই অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শনিবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ৩২.২ ওভারেই শেষ হয়েছে মাইকেল ক্লার্ক বাহিনীর ইনিংস। টস জেতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। ২.২ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতেই এসেছিল ৩০ রান। অ্যারন ফিঞ্চের (১৪) বিদায়ে এই জুটির পতন হয়। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে শেন ওয়াটসন আস্থা দেখানোর প্রত্যয় দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ৫০ রানের অবস্থানের পর ইনিংসের ৮০ রানে বিদায় নেন ফর্মের সঙ্গে ধুকতে থাকা ওয়াটসন। ২৩ রান করে ডেনিয়েল ভেট্টোরির প্রথম শিকারে পরিণত হন তিনি।
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
নিউজিল্যান্ড
শ্রীলংকা
অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশ
ইংল্যান্ড
আফগানিস্তান
স্কটল্যান্ড
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
ভারত
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আয়ারল্যান্ড
দক্ষিণ আফ্রিকা
জিম্বাবুয়ে
আরব আমিরাত
পাকিস্তান

নাটকীয়তার পর কিউইদের অসি বধ

উপমহাদেশে যেমন ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ, তাসমান সাগর পাড়ে তেমনি অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড। মহাদেশীয় দুই প্রতিযোগী মাঠে নামলে গ্যালারিতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে ভক্তরা। তা হোক ক্রিকেট, ফুটবল, নেটবল, হকি কিংবা রাগবি। ক্যাঙ্গারু আর কিউইদের লড়াইয়ে চারদিকে একটা যুদ্ধ যুদ্ধ আবহ সৃষ্টি হয়। রক্তে নাচন ধরে উপস্থিতির। শনিবারের ইডেন পার্কেও তাই হয়েছিল। কিন্তু তা আর স্থায়ী হতে পারলো কই? খেলার মাঝ পথেই তো ম্যাচ এক দিকে মোড় নিল। শেষে অবশ্য স্নায়ুক্ষীয় একটা নাটকীয়তায় জন্ম হয়েছে। মিশেল স্টার্ক সব সমীকরণকে মুছে দিচ্ছিলেন। কিন্তু তারপরও ম্যাচ জিতে নিয়েছে ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের নিউজিল্যান্ড। সেটা ১ উইকেটের ব্যবধানে। মাত্র ২৩.১ ওভার খরচ করেই। নিউজিল্যান্ডের দুর্দান্ত ফর্মের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ানদের পেশাদারিত্বের মোড়কে এই ম্যাচকে দেখা হচ্ছিলো। যেখানে রিচার্ড হ্যাডলি, মার্টিন ক্রো থেকে স্টিভ ওয়াহ-এর মতো সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা বাজি ধরেছিল নিউজিল্যান্ডের ওপর। কিন্তু তারাও সম্ভবত এতোটা আশা করেননি? বিশ্বকাপের দাপুটে শক্তি অস্ট্রেলিয়াকে এদিন খুবলে রক্তাক্ত ও জখম করলো কিউই পাখির দেশ। এতোটাই যে- এদিন বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় সর্বনিন্ম ১৫১ রানেই অলআউট ডন ব্রাডম্যান-রিকি পন্টিংয়ের মাতৃভূমি। আর ছোট এই টার্গেট সামনে পেয়ে যতো তাড়াতাড়ি খেলা শেষ করা যায় এই মনোভাবে ব্যাটিং করে ১ উইকেট ম্যাচ জিতলো ব্লাক ক্যাপসরা। ১৫২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৩.১ ওভারে জয়ের বন্দরে পৌঁছে তারা।

এ কোন অস্ট্রেলিয়া!

এই দুই দলের লড়াইকে ভাবা হচ্ছিলো ২০১৫ বিশ্বকাপের ফাইনালের ড্রেস রিহার্সেল হিসেবে। হ্যাঁ, ক্রিকেটপ্রেমীরা কল্পনায় আঁকছিল টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ফেভারিট দুই দলের উত্তুঙ্গ লড়াইয়ের চিত্র। কিন্তু অকল্যান্ডের ইডেন পার্ক অকল্পনীয় এক দৃশ্যই উপহার দিল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ‘এ’ গ্রুপের হাইভোল্টেজ ম্যাচ খেলতে নেমে কুঁকড়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। ছড়ি ঘোরানো তো দূরে থাক, সামান্য প্রতিরোধও গড়তে পারলো না মাইকেল ক্লার্ক বাহিনী। বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় সর্বনিন্ম রানের স্কোর গড়ে ৩২.২ ওভারে অলআউট হয়ে গেল মাত্র ১৫১ রানেই। ১৯৮৩ সালের জুন মাসে ইংল্যান্ডের চেমসফোর্ডে ভারতের বিপক্ষে খেলায় ৩৮.২ ওভার ব্যাট করে ১২৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। মহাযজ্ঞে এটাই অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বিবর্ণ রূপ। এর আরো ৯ দিন আগে ওই একই বিশ্বকাপে লিডসে মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১৫১ রানে থেমেছিল ‘দ্য ইয়েলো’রা। সেবার ৩০.৩ ওভার ব্যাট করেছিল তারা। ৩২ বছর আগে সেই স্মৃতি অকল্যান্ডে আবার উসকে উঠেছিল। যখন শনিবারসীয় মহারণে মাত্র ১০৬ রানে আট উইকেট হারায় অসিরা।

১৫১ রানেই শেষ অস্ট্রেলিয়া

কিউই পেসার ট্রেন্ট বোল্টের তোপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাত্র ১৫১ রানেই অলআউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শনিবার অকল্যান্ডের ইডেন পার্কের ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ৩২.২ ওভারেই শেষ হয়েছে মাইকেল ক্লার্ক বাহিনীর ইনিংস। টস জেতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ার। ২.২ ওভারের উদ্বোধনী জুটিতেই এসেছিল ৩০ রান। অ্যারন ফিঞ্চের (১৪) বিদায়ে এই জুটির পতন হয়। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ডেভিড ওয়ার্নারকে নিয়ে শেন ওয়াটসন আস্থা দেখানোর প্রত্যয় দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ৫০ রানের অবস্থানের পর ইনিংসের ৮০ রানে বিদায় নেন ফর্মের সঙ্গে ধুকতে থাকা ওয়াটসন। ২৩ রান করে ডেনিয়েল ভেট্টোরির প্রথম শিকারে পরিণত হন তিনি।

অ্যালবামের কাজে কলকাতা যাচ্ছি: অনিমা রায়

২৫শে বৈশাখ উপলক্ষ্যে একটি অ্যালবাম করবো। রবি ঠাকুরের প্রেম পর্বের গান দিয়ে সাজানো হবে অ্যালবামটি। প্রত্যুষ ব্যানার্জির সংগীতায়োজনে অ্যালবামটির নাম ঠিক করা হয়েছে ‘ভালোবাসার রবি’।

ত্বকের রুক্ষতা এড়াতে ফ্রুট ফেসিয়াল

প্রকৃতিতে শুরু হয়েছে গরমের উত্তাপ। শীতের আদুরে আলাপ বন্ধ হলেও শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বক হারিয়ে ফেলছে তার নিজেস্ব আদ্রতা। ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে শীতের ক্রিম ব্যবহার করা যেমন বিপত্তি ডেকে আনছে, তেমনি গরমের ক্রিম দিচ্ছে বাড়তি পীড়া। ফল হিসেবে ত্বকে দেখা দিচ্ছে ফুসকুড়ি, কালোভাব বা চামড়ার বেহাল দশা। এই পরিস্থিতিতে ত্বকের স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখতে ফ্রুট ফেসিয়াল অত্যন্ত উপযোগী। পার্লারে না গিয়ে ঘরে বসে খুব সহজে নিজে করতে পারেন ফ্রুট ফেসিয়াল।
প্রায় একই কায়দায় এ যাবৎ হত্যা করা হয়েছে ১৫ জনকে। চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নয়তো ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে এদের। এ ধরনের নৃশংসতার সর্বসাম্প্রতিক শিকার লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী অভিজিৎ রায়। এ ধরনে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নয়টি এবং বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনাও রয়েছে। কিন্তু কোনোটিরই রহস্য সন্দেহাতীতভাবে উদঘাটিত হয়নি। লেখক ড. হুমায়ূন আজাদ, মাওলানা নূরুল ইসলাম ফারুকী, গোপীবাগের কথিত পীর লুৎফর রহমানসহ ছয় জন, রাজধানীর উত্তরায় জেএমবির দলছুট সদস্য রাশিদুল ইসলাম, পল্লবীতে ব্লগার রাজীব হায়দার, খুলনার খালিশপুরে বাবা-ছেলে, বুয়েটের ছাত্র আরিফ রায়হান দ্বীপ, সাভারে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হত্যা এবং সর্বশেষ অভিজিৎ হত্যা- নয়টি ঘটনা একই রকম। এসব ঘটনায় ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ড. হুমায়ন আজাদ এবং ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যায় জেএমবি ও আনসারুল্লাহ বাংল টিমের জঙ্গিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তবে অন্য ঘটনার নেপথ্যে কারা, তার রহস্য এখনো অজানা।

একই কায়দায় ১৫ খুন, 'উগ্রবাদীরা' অধরাই

দায়সারা নির্বাচনে গঠিত দশম জাতীয় সংসদের চলতি বছরের শুরুর অধিবেশন যাচ্ছেতাই ভাবে চলছে। অধিকাংশ সংসদ সদস্য চলছেন ফ্রি-স্টাইলে। অধিবেশন কক্ষে পালনীয় আচরণবিধি কেয়ার করছেন না। নবীনরা হয়তো অজ্ঞতার কারণে এসব মানছেন না। কিন্তু জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও কোনো কিছুতে গা করছেন না। এর আগে বহুবার সতর্ক করে দেয়া হলেও এবার অব্যাহত বিশৃঙ্খলা নিয়ে চুপচাপ স্পিকারের চেয়ার। চিফ হুইপের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হলেও তা কর্ণপাত করছেন না জ্যেষ্ঠ সদস্যরা। সংসদের বৈঠক চলাকালীন অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যদের আচরণ কী হবে তা স্পষ্ট করা আছে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব নির্দেশনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই নবীন সদস্যদের। অন্যদিকে চোখের সামনে জ্যেষ্ঠ সদস্যদের হরহামেশা আচরণবিধি লঙ্ঘন করতে দেখে তারাও বেপরোয়া আচরণ করছেন। আচরণবিধিতে উল্লেখ আছে, অধিবেশন চলাকালে সংসদের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কোনো বই, সংবাদপত্র বা চিঠিপত্র পাঠ করা যাবে না।

আচরণবিধির কেয়ার করছেন না এমপিরা!

ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেতে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা দৌঁড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। এ দৌঁড়ে এগিয়ে থাকতে চলছে নানান তদবির। মনোনয়ন পেতে খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুয়ারে ধর্ণা দিচ্ছেন দলটির নেতারা। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি) উত্তর ও দক্ষিণে নির্বাচন অনুষ্ঠানের তাগিদ দেন। এরপর থেকেই দৌঁড়ঝাঁপ শুরু করেছেন ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। এর মধ্যে (ডিসিসি) দক্ষিণে ঢাকা সিটির প্রথম মেয়র মোহম্মদ হানিফের ছেলে ও ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাঈদ খোকন রাজধানীতে পোস্টারিং করেছেন। ভোটে দোয়া চেয়েছেন সাধারণ মানুষের। ঢাকা-৭ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমও দৌঁড়ে পিছিয়ে নেই। পিছিয়ে নেই ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ও ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী। এছাড়াও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ এবং ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা।

ডিসিসি নির্বাচন নিয়ে আ.লীগ নেতাদের দৌড়ঝাঁপ

বিখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের নান্দনিক স্থাপত্যগুলোর মধ্যে জাতীয় সংসদ ভবন অন্যতম। এই ভবনটি দেখতে প্রতিদিনই বহু পর্যটক আসেন। বিকেলে ঘুরতে যায় শত শত মানুষ। কিন্তু শিগগিরই এতোগুলো মানুষের দৃষ্টি আড়ালে চলে যাচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এ ভবন। উঁচু কংক্রিটের দেয়ালে ঘেরা হবে চারপাশ। উপরে থাকবে মোটা লোহার শলাকা। অনেকটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আদলে তৈরি করা হবে এ প্রাচীর। সংসদ সচিবালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সৌন্দর্য্য পিপাসুদের বিরোধিতা থাকলেও নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। স্বল্প সময়ের মধ্যেই শুরু করা হবে নির্মাণ কাজ। এ ব্যাপারে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বাংলামেইলকে জানান, বিষয়টি একরকম চূড়ান্ত হয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে দেখানোর পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই কাজ শুরু করা হবে। স্পিকার আরো জানান, প্রাচীরের উচ্চতা হবে আট ফুট। যার মধ্যে নিচের দুই ফুট ইট, বালু, সিমেন্টের তৈরি পাকা দেয়াল আর বাকি ছয় ফুট লোহার প্রাচীর। লোহার প্রাচীর ঢেকে দেয়া হবে বিভিন্ন লতা জাতীয় গুল্ম দিয়ে।

দৃষ্টির আড়ালে চলে যাবে সংসদ ভবন