রোববার, ২৪ মে ২০১৫ ।

দেশত্যাগের কারণ অনুসন্ধান করুন: বান কি মুন

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষের সমুদ্র পাড়ি দেয়ার পেছনের কারণ অনুসন্ধান করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন। তিনি জানিয়েছেন, মিয়ানমার, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের নেতাদের সঙ্গে তিনি জরুরিভিত্তিতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা এবং এইসব অসহায় মানুষদের পুনর্বাসন ও স্বস্থানে ফিরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম শুরু করার জোর তাগিদ দিয়েছেন। শনিবার ভিয়েতনামের হেনয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বান কি মুন বলেন, ‘মানুষের জীবন বাঁচানো গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মানুষকে আরো বিপজ্জনক পরিস্থিতির মুখে ঠেলে না দেওয়াও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।’ গত ১০ মে থেকে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি এবং মিয়ানমারের নির্যাতিত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিম ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ডের উপকূলে আশ্রিত আছেন। আরো কয়েক হাজার গভীর সমুদ্রে আটকা পড়ে আছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘ সতর্ক করে দিয়েছে, সমুদ্রে আটকরা পড়া মানুষদের জীবিত উদ্ধারের সময় খুব দ্রুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে।

ছাত্রলীগের ৫ নেতা-কর্মী আজীবন বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) পহেলা বৈশাখে এক আদিবাসী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতা-কর্মীকে আজীবন বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বলে জানান সিন্ডিকেট সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিক। তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখে ছাত্রী লাঞ্ছনা, মারধর ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সিন্ডিকেটের সর্বসম্মতিক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাদের চিরতরে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০

কামারখন্দে ট্রাকের সঙ্গে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এতে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক বাসযাত্রী। আহতদের মধ্যে নারীসহ ৪৪ জনকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। শনিবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কে কামারখন্দ উপজেলার সীমান্তবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে আসাদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার মফিজ শেখের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক কামারখন্দ উপজেলার সীমান্তবাজার এলাকায় পৌঁছলে চাকা পাংচার হয়ে যায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অন্তরা নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। একই সময়ে নাবিল পরিবহনের অপর একটি বাস পেছন থেকে অন্তরা পরিবহনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ছয় জন ও সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর আরও চার জনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় দুই বাসের অন্তত অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।
পাচার ও উদ্ধার নিয়ে টেলিভিশনে খবর পড়লেই ছুটে আসেন মা চম্পা খাতুন। ফেলেন চোখের পানি। নিখোঁজ ছেলেকে জীবত অথবা মৃত দেখার আশা নিয়ে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পলুয়া গ্রামের এই নারী প্রায় ৮ মাস ধরে এভাবে চোখের পানি ফেলে চলেছেন। চম্পা খাতুনের মতো এ জেলার কতো মা তার ছেলের জন্য কাঁদছেন তার সঠিক হিসেব নেই। তবে আশায় বুক বেঁধে রয়েছেন স্বজনরা। তারা বিভিন্নভাবে নিখোঁজ সন্তানদের খোঁজ নিচ্ছেন। আশা করছেন হয়ত একদিন জীবত অথবা মৃত ফিরে পাবেন তাদের। যশোরের মণিরামপুর উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের একটি গ্রাম চাকলা। এই গ্রামের ১২ যুবকের প্রায় দু’বছর ধরে সন্ধান মেলেনি। দালালের খপ্পরে পড়ে তারা সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য রওনা হয়। সম্প্রতি থাইল্যান্ডের জঙ্গলে একাধিক গণকবরের সন্ধান পাওয়ার পর তাদের পরিবারে শঙ্কা বেড়েছে। এদিকে, শার্শার বারিপোতা, বোলদেদা, নারায়ণপুর, পানতাপাড়া ও শিকারপুরে ১৩ যুবক নদী পথে বিদেশে পাড়ি দিয়ে প্রায় দুই বছর নিখোঁজ রয়েছেন। তারা বেঁচে আছে না মরে গেছে জানে না পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় দালাল চান্দালীর ছেলে আকবার ও সামসুর রহমানের ছেলে শুকুর আলী কোনো টাকাছাড়াই বিদেশ নেয়ার প্রলোভন দেখালে বিত্তি বারিপোতার রবিউল ইসলামের ছেলে জামাল হোসেন, আয়ুব আলীর ছেলে মোহর আলী, মুজিবার রহমানের ছেলে মুনসুর আলী, নজরুল ইসলাম, বোলদেদাহ গ্রামের জাহান আলীর ছেলে মোকলেস আলী, শার্শা পানতাপাড়া গ্রামের আব্দল খালেকের ছেলে ইকলাস হোসেন, গঙ্গানন্দপুর গ্রামের সামাদ আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম, ইদ্রিস আলীর ছেলে মেহেদী হাসান, আতিয়ারের ছেলে রাসেল হোসেনসহ ১৩ যুবক আর ফিরে আসেনি।
পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিখরের নাম ‘এভারেস্ট’ - নেপালিরা বলে ‘সাগরমাতা’ আর তিব্বতীয়রা বলে ‘চুমলুংমা’। ১৮৫২ সালের জরিপে পিক-১৫ নামে পরিচিত এই শিখরটি পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জরিপটি শুরু করেছিলেন ভারত উপমহাদেশের তখনকার সার্ভেয়ার জেনারেল স্যার জর্জ এভারেস্ট। তাই অবসরপ্রাপ্ত স্যার জর্জ এভারেস্টের নামেই ১৮৬৫ সালে শিখরটির নামকরণ করা হয়। নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ‘খুম্বু’ হিমালয় অঞ্চলের ‘মহালনগর’ রেঞ্জে গিয়ে এখন আমরা এই শিখরের নাগাল পাই ...
রাজধানী ঢাকায় ৭০ হাজারেরও বেশি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ আছে। ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থায় এসব ভবন চিহ্নিত করে অপসারণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান দুই সিটি করপোরেশন ও রাজউকের দায় চাপাচ্ছে একে অপরের ওপর। ভবনগুলো অপসারণ করা না হলেও দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে ভূমিকম্প মোকাবেলায় তাদের ৭৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন দক্ষিণ এশিয়ায় বড় ধরনের কোনো ভূমিকম্প হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে রাজধানী ঢাকা। সরকারের পরিসংখ্যান মতে নগরীতে ৭০ হাজারেরও বেশি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। আর সরকারের সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির (সিডিএমপি) এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে এর সংখ্যা ৭৮ হাজার। এর মধ্যে শুধু সরকারী ভবনই আছে প্রায় ৫ হাজার। জানা গেছে, ভূগর্ভস্থ নরম মাটি, বিল্ডিং কোড না মানা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণসহ নানা কারণে ‍প্রায় দেড়কোটি মানুষের বসবাস রাজধানী ঢাকায় ৭৫ হাজারেরও বেশি ভবন ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব ভবন চিহ্নিত করার নির্দেশ দেয়া হলেও অপসারণের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ভবনগুলোতে এখনো বসবাস করছে লাখ লাখ মানুষ। সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন সিটি করপোরেশন ও রাজউকের একার পক্ষে অপসারণ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি উপলব্ধি করেই সরকারের পক্ষ থেকে ভবনগুলোতে বিশেষ রঙ দিয়ে কালার ও সাইনবোর্ডের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভাড়াটিয়ারা আর ওসব ভবনে উঠবেন না। তখন মালিক পক্ষ ভাড়াটিয়া না পেলে নিজ উদ্যোগ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করবেন। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের সামান্য এ নির্দেশ টুকুও বাস্তবায়ন করছে না সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তিনটি।
নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ আনবেন নয়ত ফেঁসে যাবেন। বন্ধুদের মধ্যে কিছু শত্রু ঢুকে গেছে আপনার। সময় করে তাদের পর্যবেক্ষণ করুন। অল্পতেই হতাস হয়ে যাওয়া আপনার স্বভাবে আজ কিছুটা পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তন আপনাকে নিয়ে যাবে আপনার নিজ চাহিদা পুরনের কাছা কাছি।
ব্যস্ততম সড়কের পাশে উৎসুক জনতার ভিড়। কয়েকজন তরুণ ছুটাছুটি করে যানবাহন ও পথচারীদের কাছে সহযোগিতা চাইছেন। রাস্তার উপরে একটি প্লস্টিকের গামলায় কিছু টাকা ও কয়েন। পাশে একটি গাছের সঙ্গে বাঁধা মধ্যবয়সী এক নারী। চোখে মুখে তার আতঙ্কের ছাপ। ফ্যালফ্যাল করে তাকাচ্ছেন এদিক-ওদিক। মুখে খাবার তুলে দিতে গেলেই বিষ বিষ বলে আর্তনাদ করছেন। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামুন্দি নিশিপুরে ববিতা নামের গৃহবধূকে গত কয়েকদিন ধরে এভাবেই বেঁধে রেখে চিকিৎসার জন্য টাকা তোলা হচ্ছে। স্বামীর বাড়িতে খাবার খেয়ে হঠাৎ মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছেন গৃহবধূ ববিতা। এমন অভিযোগ তুলে তার খালা রিজিয়া বেগম বাংলামেইলকে জানান, তাকে পাগল বানিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। সহায় সম্বল ও পিতামাতাহীন ববিতার চিকিৎসার জন্য মানুষের কাছে হাত পাতা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। স্থানীয় সূত্রমতে, বছর চারেক আগে প্রেমের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বামুন্দি মোল্লাপাড়ার ব্যবসায়ী মিনা মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় ববিতার। বিয়ের পর থেকে বামুন্দি এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছিলেন মিনা ও ববিতা। কিছুদিন আগে ববিতাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিনার নিজ বাড়িতে। সেখানে মিনার প্রথম স্ত্রী ও বাড়ির লোকজন ববিতাকে মেনে নিতে অস্বীকার করেন। এনিয়ে কয়েকদিন ববিতার ওপর মানসিক নির্যাতন চলছিল। এর এক পর্যায়ে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে তার খালার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরপর থেকেই ববিতার কোনো খোঁজ খবর নেয়নি মিনা মিয়া।
বহুজাতিক ‘মনস্যান্টো’ কোম্পানি বাংলাদেশের চা বাগানগুলোতে ‘রাউন্ডআপ’ নামে একপ্রকার আগাছানাশক ব্যবহার করছে যা কৃষি ও পরিবেশের জন্য অত্যন্ত বিপদজনক। এছাড়া দেশের হাইব্রিড ভুট্টাবীজের বাজারও এ কোম্পানির দখলে। জিন প্রযুক্তিগত গবেষণার নামে ‘বিটি বেগুন’ প্রকল্পের ভেতর দিয়ে এ কোম্পানি বাংলাদেশের নয়টি স্থানীয় বেগুন জাতের মালিকানা দখল করে নিচ্ছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, ‘মনস্যান্টো’ কোম্পানি দুনিয়ার তাবৎ বীজসম্পদ, প্রাণবৈচিত্র্য, কৃষি, খাদ্য ও পরিবেশ ব্যবস্থা দখলের চেষ্টায় উন্মত্ত। জেনে রাখা ভালো, ‘এজেন্ট অরেঞ্জ’ নামের একপ্রকার বিষাক্ত রাসায়নিক বিক্রির মাধ্যমে ভিয়েতনামের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের হত্যার কারণে বহুজাতিক কৃষি বাণিজ্য কোম্পানি ‘মনস্যান্টো’ বিশ্বব্যাপী নিন্দিত। এদিকে পার্শ্ববর্তী ভারত ও ফিলিপাইনে বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশেই প্রথম জিন প্রযুক্তিতে পরিবর্তিত ‘বিটি বেগুন’ রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদন পেয়েছে এবং চাষ হচ্ছে। জিএম (জেনেটিক্যালি মোডিফাইড) শস্য, ফসল ও খাদ্যের বিরু

তবুও আশার ভেলায় ফারুক

ভারতের বিপক্ষে আসন্ন হোম সিরিজের আগে ক্রিকেটারদের ম্যাচ প্র্যাকটিসের যথেষ্ট সুযোগ ছিল। বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) তৃতীয় ও শেষ রাউন্ডের ম্যাচটি মাঠে গড়াচ্ছে রোববার। কিন্তু ইনজুরির কারণে দেশের সেরা তিন ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান খেলতে পারছেন না এ ম্যাচ। তারপরও ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশ দল ভালো করবে বলে আশা করছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ। শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ কথা বলেন তিনি। এছাড়া আসন্ন ভারত সিরিজ, বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটসহ অনেক বিষয়েও কথা বলেছেন। ভারতের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জটা কেমন হবে জানতে চাওয়া হলে জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক বলেন, ‘আপনি যখন ফর্মে থাকবেন এবং ভালো করবেন আপনার প্রত্যাশা থাকবে যে, কোনো সিরিজ থেকে ভালো কিছু নেওয়া। ছেলেরা সবাই উন্নতি করছে। আশা করছি ভারতের বিপক্ষে একটি ভালো সিরিজ হবে। ভারত তাদের শক্তিশালী দলই পাঠাচ্ছে, তাদের মূল দলই আসছে। আমার মনে হয় একটা ভালো টুর্নামেন্টই হবে। যেহেতু আমাদের হোমে খেলা সেহেতু যে কাজটা আমরা ভালো করতে পারি সেটাই করবো। ভারত সিরিজের জন্য অপেক্ষা করছি আমরা।’

বাফুফের অ্যাওয়ার্ড নাইটসে তারার মেলা

সাবেক-বর্তমান তারকা সব ফুটবলারদের মিলন মেলা যেন বসেছিল শনিবার সন্ধ্যায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদেও অডিটরিয়ামে। যেখানে অনুষ্ঠিত হয় বাফুফে অ্যাওয়ার্ড নাইটস ২০১৫। সর্বশেষ এই অ্যাওয়ার্ড নাইটস হয়েছিল ২০০৯ সালে। এরপর দীর্ঘ ছয় বছর পর বেশ জমকালোভাবেই শেষ হয়েছে বাফুফে অ্যাওয়ার্ড নাইটস। সবাই উপস্থিত থাকলেও এই অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। ব্যক্তিগত কারণে দেশের বাইরে রয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশের শুভ সূচনা

প্রথমবারের মতো দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট। সফল আয়োজনের পাশাপাশি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ ভলিবল দলের প্রত্যাশাও অনেক। সেই হিসাবে সূচনাটা ভালোই হয়েছে বাংলাদেশের। এশিয়ান সিনিয়র পুরুষ সেন্ট্রাল জোন ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে মালদ্বীপকে ৪-১ সেটে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।

ভালো জীবন সঙ্গী মানেই প্রকৃত বন্ধু

প্রকৃত বন্ধুর অর্থ কি সব সময় ভালো ব্যবহার করবে, সবকিছুতে ভুল ধরবে, ঝগড়া করবে, শুধুই প্রশংসা করবে নাকি সম্পর্কের মাঝে সবই থাকবে? অনেকে আবার বন্ধুর কাছ থেকে শুধুই প্রশংসা আশা করেন। কোনো ধরনের খারাপ মন্তব্য মেনে নিতে পারেন না। তাদের ধারণা বন্ধু মানেই হাসিমাখা একটি মুখে শুধু প্রশংসার বাণী ঝরবে, সাহায্য করবে, অন্যায় কাজেও সমর্থন দেবে। কিন্তু প্রকৃত সম্পর্কের বিচারে থাকা চাই সব কিছুই। বন্ধু হতে পারে স্বচ্ছ আয়নার মতো। আয়নার সামনে দাঁড়ালে যেমন চেহারার ভালো খারাপের পুরোটা দেখা যায়, বন্ধুও হতে পারে তেমনি। তাই ভালো সঙ্গীর থাকতে হবে প্রকৃত বন্ধুর বিশেষ গুণগুলো।
রাজধানী ঢাকায় ৭০ হাজারেরও বেশি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ আছে। ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থায় এসব ভবন চিহ্নিত করে অপসারণ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে সরকার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান দুই সিটি করপোরেশন ও রাজউকের দায় চাপাচ্ছে একে অপরের ওপর। ভবনগুলো অপসারণ করা না হলেও দুযোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বলছে ভূমিকম্প মোকাবেলায় তাদের ৭৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত আছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন দক্ষিণ এশিয়ায় বড় ধরনের কোনো ভূমিকম্প হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে রাজধানী ঢাকা। সরকারের পরিসংখ্যান মতে নগরীতে ৭০ হাজারেরও বেশি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। আর সরকারের সমন্বিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির (সিডিএমপি) এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে এর সংখ্যা ৭৮ হাজার। এর মধ্যে শুধু সরকারী ভবনই আছে প্রায় ৫ হাজার। জানা গেছে, ভূগর্ভস্থ নরম মাটি, বিল্ডিং কোড না মানা ও অপরিকল্পিত নগরায়ণসহ নানা কারণে ‍প্রায় দেড়কোটি মানুষের বসবাস রাজধানী ঢাকায় ৭৫ হাজারেরও বেশি ভবন ভূমিকম্প ঝুঁকিতে রয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এসব ভবন চিহ্নিত করার নির্দেশ দেয়া হলেও অপসারণের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ভবনগুলোতে এখনো বসবাস করছে লাখ লাখ মানুষ। সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন সিটি করপোরেশন ও রাজউকের একার পক্ষে অপসারণ করা সম্ভব নয়। বিষয়টি উপলব্ধি করেই সরকারের পক্ষ থেকে ভবনগুলোতে বিশেষ রঙ দিয়ে কালার ও সাইনবোর্ডের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভাড়াটিয়ারা আর ওসব ভবনে উঠবেন না। তখন মালিক পক্ষ ভাড়াটিয়া না পেলে নিজ উদ্যোগ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণ করবেন। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের সামান্য এ নির্দেশ টুকুও বাস্তবায়ন করছে না সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তিনটি।

ঝুঁকিপূর্ণ ভবন: দায় কার?

যানজটে নাকাল হওয়া ঢাকাবাসীর নিত্যদিনের এক ঘটনা। বিশেষ কোনো দিন বা বিশেষ কোনো উপলক্ষ থাকলে তো কথাই নেই। নগরবাসীকে এ যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি দিতে সরকার থেকে নানা উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করা হলেও কোনটিই কার্যত সফলতার মুখ দেখেনি। সরকারের তরফ থেকে নেয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে সর্বশেষটি ছিল কাউন্টডাউন টাইমার বা সময় নিয়ন্ত্রিত সঙ্কেত বাতি। আগের উদ্যোগগুলোর ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগটিও পুরোপুরি ভেস্তে গেছে। যানজট কমানোর চিন্তাভাবনা করে কাউন্টডাউন টাইমারের কার্যক্রম শুরু হলেও বাস্তবতায় হয়েছে হিতে বিপরীত। কাউন্টডাউন টাইমার চালু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ট্রাফিক পুলিশ সরিয়ে নেয়ার পর জট এতটা তীব্র রূপ নেয় যে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই উদ্যোক্তরা ফিরে আসেন তাদের সনাতনী পদ্ধতিতে, অর্থাৎ হাতের ইশারায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু যানজট নিরসনের শুভ এই উদ্যোগটি ঠিক কী কারণে কাজ করলো না- এ প্রশ্নের জবাবে ডিসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে- নিউ ইয়র্ক, মস্কো ও কলকাতার মতো শহরগুলোতে এই স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল পদ্ধতিটি দারুণ কাজ করছে। তবে ঢাকায় কেন মেশিনগুলো এমন অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে কাউন্টডাউন টাইমারের মাধ্যমে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অসহনীয় যানজট তৈরি হয়। সময় নিয়ন্ত্রিত এ সঙ্কেত বাতিগুলো যখন গাড়িগুলোকে সামনে যাওয়ার সঙ্কেত দিচ্ছিল তখন দেখা যাচ্ছিল সামনে তীব্র যানজট। এগোনোর উপায় নেই। আবার কখনো দেখা যাচ্ছে। সামনে রাস্তা পুরোটাই ফাঁকা কিন্তু সঙ্কেত থেমে থাকার। ফলে চালকরা বারবার লেন পরিবর্তন করে এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাতে শুরু করেন।

যে কারণে ব্যর্থ কাউন্টডাউন টাইমার

বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা হয়ে সমুদ্রপথে বেশি পাচার হচ্ছে মিয়ানমারের বিপদাপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর লোকজন। বাংলাদেশের মানুষের চেহারা এবং চট্টগ্রামের ভাষার সঙ্গে মিল থাকায় সাগরে ভাসতে থাকা রোহিঙ্গারা বাঁচার জন্য নিজেদেরকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিচ্ছে। ফলে বহির্বিশ্বও ধারণা করছে সাগরপথে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি পাচার হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ভাত-কাজের অভাব নেই। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সাগর পথে বিদেশে পাড়ি জমানোর কোনো যুক্তি হয় না। তারপরও লোভে পড়ে, পাচারকারীদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে অনেকে সাগরে পাড়ি জমাচ্ছে। তবে সে সংখ্যা খুব বেশি নয়। মূলত দেশ ও বাস্তুহারা রোহিঙ্গারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য তৃতীয় কোনো দেশে পাড়ি জমাতে চাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে মুসলমান হিসেবে সহমর্মিতা পাওয়ার আশায় তারা বেছে নিয়েছে মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াকে। সমুদ্র ও তার বিপদ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় তারা পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অনায়াসে পাড়ি দিচ্ছে সাগরে।

বিপদাপন্ন রোহিঙ্গারাই পাচার হচ্ছে বেশি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তথ্য সরবরাহে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা-এমন অভিযোগ করেছেন খোদ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। এসব মামলার শুনানি চলাকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা মামলার প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) ও তদন্ত সংস্থাকে বারবার সতর্ক হয়ে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েও কিছুতেই কিছু না হওয়ায় নতুন মামলার পাশাপাশি পুরনো (রায় হওয়া) মামলাগুলো কতটুকু সুষ্টু তদন্তে পরিচালনা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ‘অদক্ষ’: বিচারপতিদের মত