শনিবার, ২৮ মার্চ ২০১৫ ।

ঢাকায় মেয়র পদে মনোনয়ন নিলেন ৫৮ জন

আসন্ন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনের জন্য মেয়র, কাউন্সিলর সংরক্ষিত আসনের প্রায় দুই হাজার সম্ভাব্য প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ৫৮ জন। মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময় একদিন বাকি থাকলেও দুই রিটার্নিং অফিসে জমা পড়েছে মাত্র সাত মেয়র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র। এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে চারজন ও উত্তর সিটিতে তিনজন। দক্ষিণ সিটি রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, শনিবার পর্যন্ত সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ৩০ জন। এর মধ্যে চারজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন এক হাজার ১২৮ জন। এর মধ্যে ৭৭ জন জমা দিয়েছেন। সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়নপত্র বিতরণ হয়েছে ২০৮টি। এর মধ্যে জমা পড়েছে ১৩ জনের। এদিকে উত্তর সিটি রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ২৮ জন। আর জমা দিয়েছেন তিনজন। সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন ৮২৩ জন। এর মধ্যে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৭৪ জন প্রার্থী। সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ১৬১ জন, এর মধ্যে মনোনয়ন দাখিল করেছেন সাতজন।

‘প্রধানমন্ত্রী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন’

আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে সাঈদ খোকন ও আনিসুল হককে প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় করিয়ে দেয়ার বিষয়টি নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থি বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র পদপ্রার্থী আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন। শনিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটে স্থাপিত রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে এসে এ অভিযোগ করেন তিনি। আব্দুল্লাহ আল কাফি রতন বলেন, ‘গতকাল (বুধবার) প্রধানমন্ত্রী দলীয় প্রার্থী হিসেবে আনিসুল হক ও মোহাম্মদ সাঈদ খোকনকে সবার সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় পরিচয় করে দিয়েছেন; যা নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির দাবি করে তিনি আরো বলেন, ‘তফসিল ঘোষণার পরও আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বড় দলের প্রার্থীরা প্রচারণা চালাচ্ছেন। স্বচ্ছ নির্বাচন করার জন্য সিটি নির্বাচন একটা বড় সুযোগ। আশা করি কমিশন এ সুযোগ গ্রহণ করবে। এজন্য কমিশনকে সরকারি প্রশাসনের প্রভাব, কালো টাকা ও পেশীশক্তি বন্ধ করে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করতে হবে।’

হরতাল নয়, রোববার বিক্ষোভ

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে সপ্তাহের পাঁচ দিন হরতাল ডেকে বিএনপির পক্ষে বার্তা এলেও দলের মুখপাত্র যুগ্ম-সম্পাদক বরকতউল্লাহ বুলুর স্বাক্ষরিত শনিবারের বিবৃতিতে কোনো হরতাল ডাকা হয়নি। যদিও স্বাধীনতা দিবসকে সামেন রেখে গত ২৪ মার্চ মঙ্গলবার পাঠানো বিবৃতেও কোনো হরতাল রাখা হয়নি। তবে নতুন বিবৃতিতে বুধবার সারাদেশে জেলা, থানা, পৌরসভা ও মহানগরের থানায় থানায় বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচির কথা বলা হয়। সর্বশেষ ২১ মার্চ বিএনপির পাঠানো বিবৃতিতে ২৫ মার্চ বুধবার ভোর পর্যন্ত হরতালের বার্তা ছিল। এদিকে শনিবার বিকেলে বরকতউল্লাহ বুলুর পাঠানো বিবৃতিতে আগামীকাল রোববার দেশব্যাপী সকল জেলা, উপজেলা, থানা, পৌরসভা ও সকল মহানগরের থানায় থানায় ২০ দলীয় জোটের উদ্যোগে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল ঘোষণা করা হয়েছে।
নিক ভুজিসিক, হাত-পা বিহীন অথচ প্রাণশক্তিতে ভরপুর এক মানুষ। বিশাল বিশাল হলরুম ভর্তি মানুষ এখন তার কথা শুনার জন্য জড়ো হয়। তিনি শত প্রতিকূলতার মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য ‘আশা’র অপ্রতিরোধ্য ও অপরিহার্য ক্ষমতার বাণী মানুষের মধ্যে বিলি করেন। শরীরের চারটি প্রধান অঙ্গবিহীন মানুষটির আত্মবিশ্বাস দেখে যে কেউ অভিভূত না হয়ে পারে না। নিকের বয়স এখন ৩২ বছর। জন্ম থেকেই তার কোনো হাত-পা নেই। শুধু উরুর কাছ থেকে ছোট্ট পায়ের মতো একটি অঙ্গ বেরিয়ে গেছে যা তাকে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করে সোজা হয়ে থাকতে সহায়তা করে। ছোটবেলা থেকেই বাস্তব জীবনের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে তাকে যেতে হয়েছে। সেসব কিছু উতরে গিয়ে এখন তিনি সবার প্রেরণাদানকারী এক সম্মোহনী ক্ষমতাধর বক্তা। নিকের এই শারীরিক প্রতিবন্ধিতার কোনো ব্যাখ্যা নেই। চিকিৎসা বিজ্ঞান এখনো এর রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি। এই সমস্যাকে বলা হয় টেট্রা-অ্যামেলিয়া সিনড্রোম। বাম উরু থেকে বের হওয়া ছোট্ট অঙ্গটি দিয়ে তিনি অনেক কিছুই করতে পারেন। দাঁড়ানো, টাইপ করা এমনকি বলে লাথি দিতেও পারেন তিনি। এছাড়া তার আছে অ্যাড্রেনাল হরমোন জনিত সমস্যা। এটা স্বীকারও করেন অবলীলায়। তবে তিনি এতে কেয়ার করেন না। নিয়মিত সাঁতার এবং দুঃসাহসিক স্কাই ডাইভিং করেন নিক।
কেউ বলছেন দুই প্রতিবেশীর লড়াই, কেউ বা বলছেন দুই ভাইয়ের লড়াই। দেশের আয়তন আর ক্রিকেটীয় সাফল্যের কারণে অনুমিতভাবেই বড় ভাইয়ের রুপে অস্ট্রেলিয়া। তাদের ছোট ভাই নিউজিল্যান্ড। সপ্তমবারের মতো ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া, আর সপ্তম প্রচেষ্টায় সেমির গণ্ডি পেরিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালে নিউজিল্যান্ড। কে হাসবে শেষ হাসি? অস্ট্রেলিয়ার সামনে রেকর্ড পঞ্চম শিরোপার হাতছানি, নিউজিল্যান্ডের জন্য পরম আরাধ্যের ‘প্রথম’। আদর করে দুই ভাই বলা হলেও মেলবোর্নে শিরোপার জন্য তীব্র লড়াইয়ে অবতীর্ণ হবে দুই দলই, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তুঙ্গস্পর্শী উত্তেজনা, বারুদে উত্তাপ আর রোমাঞ্চকর আবহে ভেসে যেতে পারে সব ভ্রাতৃত্ব বন্ধন। রবিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।
এবার আরো এক বাংলাদেশি গৃহবধূ দুই শিশু সন্তান নিয়ে পাড়ি দিয়েছেন সিরিয়ায়। তিনি আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। পূর্ব লন্ডন থেকে একে একে তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত স্কুল ছাত্রী শামীমা, খাদিজা ও আমিরা ১৭ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ায় গেলেও আরো কয়েকদিন আগে ১৪ ফেব্রুয়ারি ১৪ বছরের সংসার ছেড়ে সিরিয়ায় পাড়ি দেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বধূ রেহানা বেগম। ৩৩ বছরের বধূ রেহানা সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন তার দুই শিশু সন্তানকে। যার মধ্যে একজন আট বছর বয়সী ছেলে এবং অপরজন মাত্র তিন বছরের মেয়ে। আরব নিউজ, ডেইলি মেইল আর স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে এই খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। রেহানা বেগমের এমন ঘটনায় শুধু বাংলাদেশি কমিউনিটি নয়, সমগ্র ব্রিটেনে আলোড়ন তুলেছে। তবে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতের অন্ধকারে ঘর ছেড়ে গেলেও তার সিরিয়া গমনের খবরটি জানা জানি হয় গত ২৩ মার্চ। রেহানার স্বামী আজিজুল ইসলাম (৩৬) দুই সন্তানের কথা চিন্তা করে পাগল প্রায়। তিনি বলেন, ‘রেহানা কি কারণে সংসার ছেড়ে সিরিয়া যুদ্ধ করতে গেল, কে বা কারা তার মগজধোলাই করলো, কিছুই আমার বোধগম্য নয়।’
একটি রাত, রাত গড়িয়ে সকাল, সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকাল, বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা গড়িয়ে আবারো রাত। তেমনি সেকেন্ড গড়িয়ে মিনিট, মিনিট গড়িয়ে ঘন্টা, ঘন্টা গড়িয়ে দিন। এভাবে কালের গর্ভে হারিয়ে গেলো আমাদের কয়েকটা দিন, কয়েকটা কাল ও কয়েকটা স্মৃতি জড়িত সময়। কুয়াশা হালকা চাদর বিছিয়ে রেখেছে বঙ্গোপসাগরের গতরে। দিনের কাজকর্ম গুটিয়ে সূর্য ঘুমাতে চলেছে। ছেঁড়াদ্বীপ অল্পক্ষণের মধ্যে নিঝুম হয়ে আসবে। আকাশ থেকে ভারী কুয়াশার ভেলায় চড়ে নেমে আসবে প্রগাঢ় শূন্যতা। জীবনানন্দ জেঁকে বসবে মনের গহিনে। সে জন্যই তো এসেছি, শহরের ঝুটঝামেলা শহরকে বুঝিয়ে দিয়ে। সবুজ প্রকৃতি আর নৈসর্গিক সৌন্দর্যের দেশ বাংলাদেশ। এ দেশের নানান জায়গায় লুকিয়ে আছে নয়নভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এ দেশে একদিকে যেমন রয়েছে সবুজ প্রাকৃতিক দৃশ্যের বন-বনানী আর অন্যদিকে রয়েছে নীল সমুদ্রের হাতছানি। তেমনি একটি নৈসর্গিক সৌন্দর্যের নাম সেন্টমার্টিন। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় সাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ুন আহামদ আজ থেকে ২০ বছর আগেই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন বাংলাদেশের শেষ সীমান্ত প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন একদিন দেশের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও সমৃদ্ধ পর্যটন স্থান হবে। হুমায়ুন আহামদ আজ পৃথিবীতে নেই। তবে সত্যিই আমার কাছে মনে হয়েছে সেন্টমার্টিন এক বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ ঘেরা পর্যটন স্থান।
আগামী ২০৪৭ সাল নাগাদ গোটা বিশ্বের ভূ-পৃষ্ঠ ঢেকে যাবে চুইংগামে। এদের মধ্যে কেউ কেউ বিশ্বাস করেন যে, এখনই বিশ্ববাসীর উচিত চুইংগামকে বয়কট করা এবং এটা নিষিদ্ধে এগিয়ে আসা। উন্নত দেশগুলোর শহর কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর জনগণের কাছ থেকে নেয়া ট্যাক্সের একটা বিশাল অঙ্ক খরচ করে রাস্তা থেকে এই চুইংগাম অপসারণের জন্য। মনে রাখা দরকার, আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ সিঙ্গাপুর ইতোমধ্যেই চুইংগাম নিষিদ্ধ করেছে।
ছাত্রলীগ নেতার অদম্য প্রেমের প্রমাণ এবারও পাওয়া গেল। প্রেম নিবেদনে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে দলীয় নেত্রীর মেয়েকেই অপহরণ করে বসেছেন ওই নেতা। তবে নেত্রীও অনড় কোনোভাবেই ছাত্রলীগের ওই নেতাকে মানতে নারাজ। অবশেষে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে অপহরণকারী ছাত্রলীগের নেতার বিরুদ্ধে। পুলিশও অভিযান চালিয়ে অপহরণকারীকে ধরতে ব্যর্থ হয়ে তার মাকে নিয়ে এলেন থানায়। এ ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নে। অপহরণকারী ছাত্রলীগ নেতার নাম মেহেদী হাসান (২০)। তিনি ধুনটের ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ও শিমুলবাড়ী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে। মহিলা নেত্রীর নাম সুলতানা জাহান। তিনি ধুনট উপজেলা মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভাণ্ডারবাড়ীর আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। স্থানীয়রা জানান, একই রাজনৈতিক দলের নেতা ও নেত্রী হওয়ার কারণে মেহেদী হাসানের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে সুলতানা জাহানের। সেই সুবাদে নেত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করছেন মেহেদী। এক পর্যায়ে নেত্রীর মেয়ে সোনিয়া আকতারকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। তবে সোনিয়া সে প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। এতে ক্ষুব্ধ হয় ছাত্রলীগ নেতা। এর জের ধরে শনিবার সকাল ৭টায় সোনিয়াকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ওই নেতা।
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
নিউজিল্যান্ড ১২
অস্ট্রেলিয়া
শ্রীলংকা
বাংলাদেশ
ইংল্যান্ড
আফগানিস্তান
স্কটল্যান্ড
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
ভারত ১২
দক্ষিণ আফ্রিকা
পাকিস্তান
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
আয়ারল্যান্ড
জিম্বাবুয়ে
আরব আমিরাত

অস্ট্রেলিয়ার জয় চান তারাও

ভারতের কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়েছিল। এরপর দেশে ফিরে ছুটিতে আছে মাশরাফি বাহিনী। রোববার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড ফাইনাল ম্যাচ। সেই সঙ্গে পর্দা নামবে একাদশ বিশ্বকাপের পর্দাও। তবে তার আগে অনুষ্ঠেয় এই ফাইনাল ম্যাচটি বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের হৃদয়-স্পর্শ করেছে ভিন্নভাবে। যদিও এবারকার আসরের ফাইনালে নেই এশিয়ার কোন দেশ। এর আগের ১০টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারত,পাকিস্তান, শ্রীলংকা খেলেছে মোট সাতবার। বিশেষ করে ১৯৯২ থেকে ২০১১ পর্যন্ত প্রতিটি আসরের ফাইনালে প্রতিনিধিত্ব করেছে এশিয়ার দলগুলো। আর এই আসরের ফাইনালে খেলছে দুই স্বাগতিক দেশ অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ফাইনালের আগ পর্যন্ত অপরাজেয় রয়েছে নিউজিল্যান্ড।

আবেগ সরিয়ে শিরোপায় চোখ ক্লার্কের

ঘোষণাটা হঠাত করেই দিয়েছেন। মেলবোর্নে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচই মাইকেল ক্লার্কের শেষ ওয়ানডে ম্যাচ। যাতে দলের মধ্যে বেশ আবেগী পরিবেশ সৃষ্টি করছে। তবে অসি কাপ্তান মনে করছেন, আবেগ নয়, সবার চোখ থাকুক শিরোপার দিকে। রোববার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে শিরোপা লড়াইয়ে মাঠে অবতীর্ণ হবে অস্ট্রেলিয়া। তার আগে মাইকেল ক্লার্ক বলেছেন, ‘কোনো সন্দেহ নেই যে, এটা বিশেষ এক ম্যাচ। আবেগ নয়, দক্ষতাই আপনাকে বড় খেলা এবং বড় টুর্নামেন্ট জেতাবে। আর আগামীকাল (রোববার) এর ব্যতিক্রম হবে না।’

ভয়-ডরহীন ক্রিকেটে চোখ ম্যাককালামের

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে এসেছে নিউজিল্যান্ড। মেলবোর্নে রোববার ফাইনাল। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া নিঃসন্দেহে শক্তিশালী। তবে কিউই দলপতি ব্রেন্ডন ম্যাককালাম কোনকিছুতেই ভীত নয়। ভয়-ডরহীন ক্রিকেটই খেলতে চান তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের এরকমই খেলতে হবে। এভাবেই আমরা নিয়মিত দলগুলোকে হারাচ্ছি। আমরা হারকে ভয় পাই না।আমাদের লক্ষ্য কিছু অর্জন করা। যা হতে পারে দেশের জন্য গৌরবের’। ম্যাককালাম জানান, কিছু হারাবার ভাবনা না ভেবে জিতলে কী অর্জন হতে পারে তাই দেখে নিউজিল্যান্ড।

আসিফের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে হামলা

জনপ্রিয় গায়ক আসিফ আকবরের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মিঠাই’তে রাতের আঁধারে হামলা চালালো দুষ্কৃতিকারিরা। ২৬শে মার্চ রাতে লাঠি সোটা নিয়ে মিঠাইয়ে আক্রমন করে বাইরের কাঁচ এবং বাইরের ডেকোরেশন ভেঙে দেয় তারা।

যেসব জিনিস অনলাইনে কেনা বিপজ্জনক

প্রযুক্তির কল্যাণে দুনিয়া হয়েছে ছোট, প্রয়োজনীয় সব জিনিসের ভাণ্ডার হাজির হয়েছে হাতের নাগালে। এই সুযোগে অনলাইন বেচাকেনার চলছে ধুম। ঘরে বসে পছন্দের জিনিসটি অর্ডার করলেই মুহূর্তেই হাজির। সময়, পরিশ্রম দুই-ই বাঁচায় বলে ক্রেতাদের একটা বড় অংশ আজ অনলাইন কেনাকাটার ওপর নির্ভরশীল। বেশিরভাগ সৌখিন ক্রেতাদের কাছে অনলাইন কেনাবেচাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। অথচ ব্যবহার্য অতিপ্রয়োজনীয় কিছু জিনিস আছে শুধু অনলাইনের মাধ্যমে দেখে অর্ডার করলেই হল না, সরাসরি দেখে মান যাচাইয়ের ব্যাপার থাকে। তাই অনলাইনে কিছু জিনিস কেনার ব্যাপারে সচেতন থাকা জরুরি। যেমন...
ভারতে ইলিশ দিয়ে ফেনসিডিল আনার মতো বিনিময় বাণিজ্য প্রচলিত আছে অনেক আগে থেকেই। এখন মায়ানমার থেকে আসা ইয়াবা ট্যাবলেট বাংলাদেশ হয়ে ভারতে যাচ্ছে। বিনিময়ে আসছে অস্ত্র ও ফেনসিডিলের চালান। মাদক চোরাকারবারিরা এখন এভাবেই মাদক ও অস্ত্র ব্যবসা একসঙ্গে করছে। গোয়েন্দাদের তৎপরতায় এই বিনিময় বাণিজ্যের কৌশল ধরা পড়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর ডেমরা এলাকা থেকে লক্ষাধিক পিস ইয়াবাসহ সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ী চক্রের দুই সদস্যকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এটি রাজধানীতে উদ্ধার হওয়া ইয়াবার সবচেয়ে বড় চালান। এদের চার দিনের রিমান্ডে নিয়ে মাদক পাচারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। ডিবি পুলিশের একজন কর্মকর্তা বাংলামেইলকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে মায়ানমার থেকে টেকনাফ হয়ে অবৈধভাবে ইয়াবা দেশে ঢুকছে। চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে গত দুই মাসে দেশে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মায়ানমার থেকে এসেছে।

বিনিমিয় বাণিজ্য: যাচ্ছে ইয়াবা আসছে অস্ত্র

আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে উঠতি সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করে ফায়দা নিতে পারে মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা। তালিকাভূক্ত সাত শতাধিক উঠতি সন্ত্রাসী এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। এমন শঙ্কা এবং চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি বিবেচনা করে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে ‘ব্লকরেইড’ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাত থেকে ঢাকার আটটি ক্রাইম জোনে কঠোর গোপনীয়তার সঙ্গে এ অভিযান শুরু হয়েছে। এ অভিযানের সন্দেহভাজনদের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তদের কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে প্রার্থী অথবা নির্বাচনী প্রচারণা কাজে অংশ নিলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে মেয়র পদে মনোনয়ন কিনেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহনগরের আহ্বায়ক মির্জা আব্বাস, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুল আওয়াল মিন্টু, দলের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সালাম। এছাড়া কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র কিনেছেন বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক নেতা। যাদের বিরুদ্ধেও রয়েছে ফৌজদারি মামলা।

আব্বাস-মিন্টুদের ঠেকাতে ‘ব্লকরেইড’ অভিযান!

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মালয়েশিয়া বিষয়ক সেল সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১০ লাখ লোকের চাহিদাপত্র পাঠিয়ে তা সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে ক্রমান্বয়ে আরও ৫ লাখ লোক নেয়ার আশ্বাস দেয় মালয়েশিয়ান সরকার। এজন্য ২০১৩ সালে নিবন্ধন করেন ১৪ লাখ ৪২ হাজার ৭৭৬ জন। নিবন্ধনকারীদের মধ্যে প্রাথমিকভাবে ৩৬ হাজার ৩৮ জনকে নির্বাচিত করা হয়। নির্বাচিতদের তিন ভাগে ভাগ করে ২৩ জানুয়ারি প্রথম দফায় পাঠানোর জন্য লটারিতে ১১ হাজার ৭৫৮ জনের যাবতীয় কাগজপত্র তৈরি করা হয়। এরপর আরও দুই ধাপে ২৪ হাজার ২৪০ জনের কাগজপত্র তৈরি করে মালয়েশিয়া পাঠায় বিএমইটি। প্রথম দফায় কাগজপত্র পাঠানো লোকদের মধ্যে ওই বছরের এপ্রিলে ১৯৮ জন শ্রমিককে মালয়েশিয়া পাঠানোর মাধ্যমে শুরু হয় দেশটিতে জনশক্তি রপ্তানি। এরপরই শুরু হয় ধীরে চলো নীতি। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে চাপ দিলে দুই বছরে মাত্র সাড়ে ৭ হাজার ভিসা দেয় তারা। তবে ২০১৩ সালের এপ্রিলে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হলেও ২০১৫ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত সর্বমোট ৭ হাজার ১৬৬ জন কর্মী নিয়েছে তারা।

ঝুলে গেল ১৪ লাখ মানুষের ভাগ্য

আসন্ন ঢাকার বিভিক্ত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে নিজ দলীয় মেয়র ও কাউন্সিলার প্রার্থীদের বিজয়ী করতে মরিয়া আওয়ামী লীগ। এমনকি এলক্ষ্য অর্জনে আচরণবিধির তোয়াক্কা করবেন না তারা। ইতিমধ্যে কেন্দ্র থেকে ১৫ টিম গঠন করা হয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নেতা ও এলাকাভিত্তিক জাতীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে টিমগুলো গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সরকারের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীও। দলীয় সূত্রে এমনটাই জানা গেছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী,জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণায় এমপি-মন্ত্রীসহ কোনো ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি অংশ নিতে পারেন না। এমনকি নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের কোনো অনুষ্ঠানেও তাদেরকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে না। আচরণবিধি অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলতে- প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমমর্যাদার ব্যক্তি, সংসদ সদস্য ও সিটি করপোরেশনের মেয়রকে বোঝানো হয়েছে।

ডিসিসি দখলে মাঠে নামছেন মন্ত্রীরা