বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০১৫ ।

ঈদের পরে নাশকতার পরিকল্পনা জঙ্গিদের

ঈদের পরেই দেশে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছিল ‘দাওয়াতে তাবলিগ’ নামের জঙ্গি সংগঠনের কর্মীরা। নিষিদ্ধ হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজিবি)-এর এসব নেতাকর্মী আপাতত দাওয়াতে তাবলিগ নামে কাজ চালালেও শিগগিরই ‘৩১৩ বদরের সৈনিক’ নামে আত্মপ্রকাশের অপেক্ষায় ছিল। সবশেষে নিজেদেরকে সুসংগঠিত এবং যোগ্য করে তুলে আল কায়েদায় যোগদানের লক্ষ ছিল আটক জঙ্গিদের।

কক্সবাজার হবে উন্নয়নের প্রাণকেন্দ্র

কক্সবাজার বিমানবন্দর সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার মধ্যে দিয়ে এখানকার উন্নতির ধারা আরো একধাপ এগিয়ে দেয়া হলো। জয় হওয়া সমুদ্র সীমা, মাতারবাড়ি কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র, সাবরাং এক্সক্লুসিভ ট্যুরিস্টজোনসহ কক্সবাজারের পর্যটন শিল্প সম্ভাবনাকে আরো সম্প্রসারিত করবে এই বিমানবন্দর।’ ঘুমধুম-দোহাজারী রেললাইন নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঘুমধুম-দোহাজারী রেললাইন স্থাপন হলে বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর যোগযোগের অপার সম্ভবনা সৃষ্টি হবে। আর কক্সবাজার হবে এর সংযোগস্থল। একই সঙ্গে কক্সবাজার দিয়ে মায়ানমার, ভারত ও চীনের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগও স্থাপন হবে।’

আবারো সোনালীর সোয়া ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ

গত কয়েক বছরে সোনালী ব্যাংক থেকে লোপাট হয়েছে সাত হাজার কোটি টাকারও বেশি। হল-মার্ক কেলেঙ্কারি দিয়ে অর্থ আত্মসাতের গোমর ফাঁস হলেও পরবর্তী সময়ে ব্যাংকটির আরো বিপুল পরিমাণ অর্থ লোপাটের তথ্য বেরিয়ে এসেছে প্রতিষ্ঠানটির অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায়। শুধু রূপসী বাংলা শাখা নয়, অর্থ লোপাটের ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রায়ত্ত এ ব্যাংকটির আরো বেশ কয়েকটি শাখায়। সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখায় হল-মার্কের প্রায় চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের বাইরেও আরো ছয়টি শাখা থেকে বৈদেশিক বাণিজ্যের নামে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি বের করে নেয়া হয়। স্থানীয় কার্যালয়, বৈদেশিক বাণিজ্য করপোরেট শাখা মতিঝিল, সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু এভিনিউ করপোরেট শাখা, আগ্রাবাদ করপোরেট শাখা, লালদীঘি করপোরেট শাখা চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ করপোরেট শাখা, রাজশাহীর তানোর শাখা থেকে এসব অর্থ লোপাট হয়েছে।
ইংল্যান্ডের বেডফোর্ডশায়ারের লুটন এলাকায় বসবাসকারী মোহাম্মদ আবদুল মান্নান গত এপ্রিলে চার ছেলেমেয়ে এবং নাতিনাতনিদের নিয়ে বাংলাদেশে বেড়াতে এসেছিলেন। বেড়ানো শেষে গত ১৭মে মে তাদের তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুল হয়ে যুক্তরাজ্যে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে ফেরত না আসায় দুশ্চিন্তা শুরু করে পরিবারের অন্য সদস্যরা।
বুধবার সকালে বাংলাদেশ দলের নেট সেশন চলছিল। জাতীয় দলের প্র্যাকটিস জার্সি পরে প্রায় সব ক্রিকেটারই সেখানে উপস্থিত। কেউ বল করছেন, আবার কেউ করছেন বল। কিন্তু কোথায় যেন একটুখানি খুঁত। সবার মাঝে একটা ভিন্ন কিছু যেন পরিলক্ষিত হচ্ছে। হ্যাঁ, ছিলেন একজন। যার শরীরে নেই জাতীয় দলের প্র্যাকটিস জার্সি। বিপিএলে খেলা সাউথ জোনের জার্সি গায়ে নেটে মুমিনুল হককে এক মনে বল করে যাচ্ছেন। তিনি সোহাগ গাজী। গত বছর আগস্টে অবৈধ অ্যাকশনের কারণে যিনি নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। প্রায় ১০মাস পর জাতীয় দলের নেটে বল করার সুযোগ পেলেন তিনি। বল করে গেলেও নিজেকে এই দলের অংশ মনে করার কোন সুযোগই যেন নেই তার কাছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেনেথ এম কুইন এই পুরস্কারের জন্য ফজলে হাসান আবেদের নাম ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী থোমাস জে ভিলস্যাক। পুরস্কারের অর্থমূল্য আড়াই লাখ ডলার। আগামী অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া অঙ্গরাজ্যের ডে মইন শহরে ফজলে হাসান আবেদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজের বিবৃতিতে বলা হয়, অনেকেই যে প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বের মধ্যে দারিদ্র্য বিমোচনে সবচেয়ে কার্যকরী সংগঠন হিসেবে মনে করে থাকেন, সেই ব্র্যাক গড়ে তোলার অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে ফজলে হাসান আবেদকে এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।
ছিটমহল বিনিময় চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর ভূমির মালিকানা নির্ধারণকেই বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে স্থানীয় প্রশাসন। এ নিয়ে গলদঘর্ম হতে পারেন তারা। দিনদিন সমস্যাটি জটিল আকার ধারণ করছে। গত ৬৮ বছরে কখনো সাদা কাগজে, কখনো স্ট্যাম্পে জমির কেনাবেচা করেছেন ছিটমহলের মানুষ। কারো জমির রেজিস্ট্রি হয়েছে ভারতের ভূমি অফিসে। আগামী ৩১ জুলাই থেকে ভারতীয় ছিটমহলগুলো বাংলাদেশের অংশ হয়ে যাবে। সব রকম নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষেরা ফিরে পাবেন তাদের অধিকার। ছিটমহল রয়েছে এমন চার জেলা পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একই জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেছেন জমির মালিক। যেহেতু সাদা কাগজে লিখে হস্তান্তরিত হয়েছে, সে কারণে চারজনই জমির বৈধ মালিক বলে নিজেদের দাবি করতে পারেন।
বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেনকে উদ্দেশ্য করে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ‘যেহেতু আপনারা আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন যার ফলে এই গাড়ি পোড়ানো হয়েছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়েছে। অতএব আপনাদেরই দায়িত্ব নিতে হবে।’ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামিন শুনানিতে বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি আদালতে এমন মন্তব্য করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। মাহবুব বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি এমন বক্তব্যের পর আমি জবাবে বলেছি- দেশনেত্রী (খালেদা জিয়া) বার বার বলেছেন- শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন হবে। আমাদের মহাসচিবের তরফ থেকেও এমন কোনো বক্তব্য, বিবৃতি দেয়া হয় নাই। তখন প্রধান বিচারপতি বলেন, তার (ফখরুল) বিরুদ্ধে একমাত্র অভিযোগ উসকানি দেয়া। রাষ্ট্রপক্ষও বলেছে তার উসকানির কথা। বিষয়টি এখন বিচারে আছে। বিচারে প্রমাণ হলে তখন দেখা যাবে।’
দর্জিপাড়ার টেইলার্স খ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোতে তরুণ-তরুণীদের উপচে পড়া ভিড়। কোথাও থেমে নেই কারিগরদের হাত-পা। মেশিনের শব্দ বিরক্তিকর মনে হলেও এখন যেন সেলাই মেশিনের এ শব্দই ঈদ আনন্দের উপমা হয়ে দোলা দিচ্ছে সবার মনে। নগরীর টেইলার্সগুলোতে আসা তরুণ-তরুণীদের সঙ্গে কথা হয় বাংলামেইল প্রতিনিধির। এ সময় তাদের ভাষায় ঈদ মানে যেমন তেমন দিন নয়। ব্যতিক্রমধর্মী মডেল ও বৈচিত্র্যময় নকশার পোশাকের খোঁজ করাই এখন তাদের লক্ষ্য। অবিরাম ঘুরতে থাকা সেলাই মেশিনের মতোই পছন্দের তৈরি পোশাক পেতে এখানে সেখানে ছুটছে সবাই। যেখানে মিলছে তাদের মনের সাথে চাওয়া পাওয়ার মিল। সেখানেই জুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে অর্ডার।

নতুন শুরুর অপেক্ষায় সোহাগ গাজী

বুধবার সকালে বাংলাদেশ দলের নেট সেশন চলছিল। জাতীয় দলের প্র্যাকটিস জার্সি পরে প্রায় সব ক্রিকেটারই সেখানে উপস্থিত। কেউ বল করছেন, আবার কেউ করছেন বল। কিন্তু কোথায় যেন একটুখানি খুঁত। সবার মাঝে একটা ভিন্ন কিছু যেন পরিলক্ষিত হচ্ছে। হ্যাঁ, ছিলেন একজন। যার শরীরে নেই জাতীয় দলের প্র্যাকটিস জার্সি। বিপিএলে খেলা সাউথ জোনের জার্সি গায়ে নেটে মুমিনুল হককে এক মনে বল করে যাচ্ছেন। তিনি সোহাগ গাজী। গত বছর আগস্টে অবৈধ অ্যাকশনের কারণে যিনি নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। প্রায় ১০মাস পর জাতীয় দলের নেটে বল করার সুযোগ পেলেন তিনি। বল করে গেলেও নিজেকে এই দলের অংশ মনে করার কোন সুযোগই যেন নেই তার কাছে।

বিসিবি একাদশের অধিনায়ক ইমরুল

দুই ম্যাচ টি-২০ সিরিজের পূর্বে নিজেদের পরখ করে নিতে প্রস্তুতি ম্যাচে সফরকারী দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মুখোমুখি হবে বিসিবি একাদশ। ইমরুল কায়েসকে অধিনায়ক করে বুধবার সেই প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য ১২ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগামী শুক্রবার ফতুল্লার খান সাহেব আলী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

গরমটাই প্রোটিয়াদের বড় চ্যালেঞ্জ

উপমহাদেশে আসলে অনেক কিছুই মানিয়ে নিতে হয় বাইরের দেশগুলোকে। সাধারণত স্পিনের ভেল্কি নিয়েই তটস্থ থাকে হয় অতিথি দলের সদস্যদের। সেই সঙ্গে কন্ডিশন তো আছেই। আর তাই বাংলাদেশ সফরে দক্ষিণ আফ্রিকার চ্যালেঞ্জ অনেক। তবে এরই মধ্যে গরমটাই বেশি ভাবাচ্ছে ফাফ ডু প্লেসিসকে। এবারকার সফরে এটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মানছেন সফরকারী দলের টি-২০ অধিনায়ক। বররবার বাংলাদেশের কন্ডিশন দক্ষিণ আফ্রিকানদের জন্য ভিন্ন কন্ডিশন।

আধুনিক ফটোগ্রাফিটা হচ্ছে সমস্ত শিল্পের নির্যাস

বাংলাদেশের পোট্রেট ফটোগ্রাফের উদগাতা নাসির আলী মামুন, শুধু বাংলাদেশের নয় পুরো বিশ্বেই পোট্রেট ফটোগ্রাফার হিসেবে খ্যাতি আছে তাঁর। কাজী নজরুল, বঙ্গবন্ধু, এস এম সুলতান, মাদার তেরেসা, ড.ইউনূস থেকে শুরু করে অ্যালেন গিন্সবার্গ, গুন্টার গ্রাস এবং বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংয়ের মতো অসংখ্য বিখ্যাত মানুষের পোট্রেট তোলেছেন তিনি। ১ জুলাই আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বাংলাদেশের এই গুণী মানুষটির ৬৩ তম জন্মদিন, সেই উপলক্ষে তাঁর সাথে দীর্ঘ আলাপচারিতায় অংশ নিয়েছিলেন একই দিনে জন্ম নেয়া বর্তমান সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ ফটোগ্রাফার আরিফ আহমেদ। দীর্ঘ আলাপচারিতার প্রসঙ্গ ছিল কাজী নাসির আলী মামুনের পোট্রেট ফটোগ্রাফার হওয়ার পেছনের কথা, বাংলাদেশে পোট্রেট ফটোগ্রাফি করতে গিয়ে নানান সীমাবদ্ধতা ও সংগ্রামের কথা, সফলতা আর ব্যর্থতার কথা, বাংলাদেশের ফটোগ্রাফি নিয়ে সম্ভাবনা আর স্বপ্নের কথা।তিন পর্বের ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব প্রকাশিত হল আজ।

অজান্তেই পেটের ক্ষতি করছে যেসব খাবার

হজমের সমস্যা বা পেটে গড়বড় দেখা দিলে সব শান্তিই নষ্ট হয়ে যায়। পেট ফাপা, গ্যাসের ব্যথা শুরু হওয়া, খাবারে অরুচিসহ নানা সমস্যা দেখা দেয়। কোনো কাজও ঠিক মতো করা যায় না। অনেকের ধারণা অতিরিক্ত তেলচর্বি, অ্যালকোহল বা দেরিতে হজম হয় এমন খাবার খেলেই এধরনের সমস্যা হয়। অথচ এসব খাবার ছাড়াও এমন কিছু খাবার আমরা খাই যা অজান্তেই পেটের ভয়ানক ক্ষতি করে চলেছে। যেমন-
শিক্ষা সচিবের অতিউৎসাহের কারণেই প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থীকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমন অভিযোগ উঠেছে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণীর ভর্তির মেধাতালিকা প্রকাশে জটিলতা এবং প্রকাশিত তালিকা নিয়ে বিভ্রাট সৃষ্টির পর থেকেই। অনুসন্ধানে বিষয়টির সত্যতাও মিলেছে। এমনকি এ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আর সচিব দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে। বুধবারও সকাল থেকে নানা অভিযোগ নিয়ে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের বারান্দায় ঘুরে ফিরছেন ভোগান্তীর শিকার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাতো মুখ খুলছেনই না, শিক্ষামন্ত্রীও কোনো কথা বলতে রাজি হচ্ছেন না।

ভর্তি ভোগান্তি: মন্ত্রী-সচিব দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে নজর দিয়েছে জঙ্গি সংগঠনগুলো। ধর্মের নামে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের দলে ভিড়াচ্ছে তারা। এদিকে, মুক্তমনা লেখক, ব্লগারদের পর এবার এসব জঙ্গিদের টার্গেট বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা। সম্প্রতি তারা ‘মৃত্যুর জন্য তৈরি থাকো’ এ হুমকিতে চিঠি পাঠিয়েছে। এ তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, বর্তমান উপাচার্য থেকে শুরু করে আছেন প্রক্টর ও বিভিন্ন বিভাগীয় শিক্ষকরাও। বিভিন্ন গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর নেতৃত্বের অগ্রভাগে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সাবেক শিক্ষার্থীও রয়েছে। এরাই মূলত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নানাভাবে মগজধোলাই করছে।

জঙ্গি সহযোগী ল্যাব সহকারী, টার্গেট বুদ্ধিজীবী

অধিক যাত্রী দ্রুত পারাপার, সাশ্রয়ী, পরিবেশ বান্ধব ও আরামদায়ক সেবা নিশ্চিত করে রাজধানী ঢাকাকে যানজট মুক্ত করতে সরকারের নতুন প্রকল্প বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি)। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সংরক্ষিত আলাদা লেনের মাধ্যমে প্রতি ঘণ্টায় ৩০ হাজার যাত্রী পারাপার হবে। স্টেশন থেকে প্রতি তিন মিনিট পর পর ছেড়ে যাবে অধিক গতিসম্পন্ন অত্যাধুনিক বাস। রাজধানীর যানজট নিরসন ও গণপরিবহন ব্যবস্থার আধুনিকায়নে গৃহীত প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। উন্নত বিশ্বে এ ব্যবস্থাটি পুরোনো হলেও বাংলাদেশে এই প্রথম।

৩ মিনিট পরপর বাস, ঘণ্টায় চলবে ৩০০০০ যাত্রী

যুবলীগ নেতা রিয়াজুল হক খান মিল্কী হত্যাকাণ্ডের অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি)। এর আগে মামলাটির তদন্ত ও চার্জশিট দিয়েছে র‌্যাব। কিন্তু আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অধিকতর তদন্তে নেমে বিপাকে পড়েছে সিআইডি। গুরুত্বপূর্ণ কোনো নথিই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। এর মধ্যে র‌্যাবের হেফাজতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত এসএম জাহিদ সিদ্দিক তারেকের মৃত্যুকালীন জবানবন্দি, রিয়াজুলের ব্যবহৃত মোবাইলের সিজারলিস্ট এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত গাড়িগুলোর মালিকানার নথি পায়নি সিআইডি। ফলে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার এক বছরেও সিআইডি এ ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি দেখাতে পারছে না। এ কারণে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের নথি চেয়ে র‌্যাব ও বিআরটিএকে চিঠি পাঠিয়েছে তারা।

তথ্য নেই সিআইডিতে, হোতারা সব জামিনে