শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০১৪ ।

আর বাকি

গুলিবিদ্ধ ভাইস চেয়ারম্যানের মৃত্যু

রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার গুলিবিদ্ধ ভাইস চেয়ারম্যান মুন্সী নাদের হোসেনের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ১টার দিকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শুক্রবার সকালে বাড়ির অদূরে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে আহত হন মুন্সী নাদের হোসেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ বাংলামেইলকে জানান, শুক্রবার সকালে নাদের হোসেন তার বাড়ি উপজেলার হাবাসপুর গ্রাম থেকে মোটর সাইকেলযোগে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাড়ির অদূরে কাচারিপাড়া নামক স্থানে অস্ত্রধারী কয়েক যুবক তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। এতে নাদের হোসেনের বুকে ও মুখে দুটি গুলিবিদ্ধ হয়।

জানুয়ারিতে ভারত সফরে আসছেন ওবামা

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবর উদ্দিন বলেন, ‘আপনারা জানেন যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেপ্টেম্বরের যুক্তরাষ্ট্র সফর ছিল খুবই সফল। ওই সফরের পর দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ নেন ওবামাকে আমন্ত্রণ জানানোর। এর মধ্যে এক আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে আগামী রিপাবলিকান ডে’র অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানান। ওবামাও তাতে রাজি হয়ে যান।

সোহাগের বক্তব্য শাবি ছাত্রলীগের প্রত্যাখ্যান

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগের দেয়া বক্তব্য প্রত্যাখান করেছেন সিলেট মহানগর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও শাবি ছাত্রলীগ নেতা উত্তম কুমার দাশ। সংঘর্ষে নিহত ছাত্রলীগ কর্মী সুমন চন্দ্র দাশ ও সংঘর্ষ নিয়ে কেন্দ্রীয় সভাপতির দেয়া বক্তব্য বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠিয়েছেন তিনি। পাঠকদের জন্য উত্তমের বিবৃতিটি হুবহু তুলে ধরা হলো- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংগঠিত অনাকাঙ্খিত ঘটনায় সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মেধাবী ছাত্র ও ছাত্রলীগকর্মী আমার রাজনৈতিক অনুজ সুমন চন্দ্র দাসের মৃত্যুতে সিলেটসহ সারাদেশ যখন শোকাহত তখন আমার প্রাণের সংগঠনের অন্যতম অভিভাবক বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ তার আত্মার মাগফেরাত কামনার পরিবর্তে, তার পরিবারের প্রতি সমবেদনার পরিবর্তে তার সমালোচনা করেছেন যা ছাত্রলীগের জন্য অত্যন্ত বেদনার।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ অন্তর্কোন্দলে জর্জরিত। নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি সরা দেশে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছেন তারাই। নিজেদের মধ্যে কোন্দল সংঘর্ষে একের পর এক খুন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেই চলছে। প্রভাব বিস্তার, টেন্ডার ও পদপদবী ইত্যাদি ‘লাভজনক’ বিষয় নিয়ে অন্তর্কোন্দলে নিজ দলের কর্মীকে খুন করতেও হাত কাঁপছে না তাদের। অপরদিকে কেন্দ্রীয় নেতারা রাষ্ট্রক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াইয়ে ব্যস্ত। এ কারণে সাংগঠনিক কার্যক্রমে নজর দিচ্ছেন না তারা। ফলে খুন, গুম, সংঘাত, সংঘর্ষ, রক্তপাত বেড়েই চলেছে। তৃণমূলে দলের হয়ে কাজ করার বদলে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, ক্ষমতার লড়াইয়ে বাড়ছে সংঘর্ষ, হত্যাকাণ্ড। আর এমন ঘটনা বারবার ঘটার পরও এবং জড়িতরা চিহ্নিত হওয়ার পর দলের পক্ষে থেকে ‘তারা আমাদের কেউ নয়’ বলেই দায় এড়াচ্ছেন নেতারা। কোনো কোনো ঘটনায় মামলা হলেও আসামিরা পুলিশের চোখে পলাতক হয়েও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আবার কেউ কেউ দলের প্রভাবশালী অংশের আশীর্বাদে মামলার চার্জশিট থেকে নামটা প্রত্যাহার করিয়ে নিচ্ছেন অথবা যুক্ত হওয়ার আগেই ম্যানেজ করছেন প্রশাসনকে।
সোনা পাচারে বাংলাদেশ বিমানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ আড়াই শতাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন গোয়েন্দারা। সন্দেহভাজনদের ধরতে গোয়েন্দাদের চোখ এখন হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সবকটি বিমানবন্দরে। আর এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই গা-ঢাকা দিয়েছেন বিমানের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী। রাসেল নামে এক কেবিন ক্রুর জিজ্ঞাসাবাদে দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিন কর্মকর্তাসহ পাঁচ প্রভাবশালীকে গ্রেপ্তারের পর অর্ধশত সোনা চোরাকারবারির নাম জেনেছে গোয়ন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার পর্যন্ত গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশের পর সন্দেহভাজন অনেকেই স্থান পরিবর্তন করেছেন। তাদের কেউ কেউ হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে রুটিন ডিউটি না করেই সকটে পড়েছেন। গ্রেপ্তার এড়াতে অনেকেই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র ও বিমানবন্দর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত বিমানের ক্ষমতাধর কর্মকর্তা গ্রেপ্তার এবং অনেকের জড়িত থাকার অভিযোগের ব্যাপারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইস কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করেছে। তোলপাড় সৃষ্টিকারী এ ঘটনায় বিমান নিজস্ব তদন্ত কমিটিও গঠন করেনি। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ বলেছে, এ ব্যাপারে কয়েক দিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের অবহিত করা হবে।
রাজধানীর বেইলী রোডে (ক্যাপ্টেন মনসুর আলী সরণী) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সদর দপ্তরের সামনে আবারও উল্টোপথে গাড়ি চলাচল প্রতিরোধক ডিভাইস বসানো হচ্ছে। আজ শনিবার থেকে ওই রাস্তায় ‘প্রতিরোধ’ নামের যন্ত্রটি চালু হচ্ছে। সেখানে উল্টোপথে যানবাহন চালালে যে কোনো ধরনের গাড়ির চাকাই পাঞ্চার হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, গত ২৩ মে হেয়ার রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন সুগন্ধার পাশে উল্টো পথে গাড়ি চলাচল রোধক যন্ত্রের উদ্বোধন করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) হাসান মাহমুদ খন্দকার। বেশ কিছুদিন চালু থাকার পর ডিভাইসটি তুলে নেয়া হয়। কিছুদিন পরেই ডিভাইসটি বিকল হয়ে যাওয়ার কথাও শুনা যায়। শুক্রবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ ব্যবস্থায় যানবাহনের আরোহীদের এবং পথচারীদের চালাচল নিরাপদ থাকবে। ট্রাফিক আইন কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া ট্রাফিক আইন অমান্য করে সড়কের উল্টো পথে যানবাহন চালালে শুধু ট্রাফিক আইন অমান্য নয়, বড় ধরণের দুর্ঘটনারও ঝুঁকি থাকে।
স্বস্তির এক পশলা বৃস্টি ভিজিয়ে দিল বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মন। নয় মাসের অপেক্ষার পর ওয়ানডে ক্রিকেটে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। সেটা নিজেদের পয়মন্ত ভেন্যু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই। অপ্রত্যাশিত ‘খরা’ শুরু হয়েছিল শ্রীলঙ্কার হাতে। এরপর এশিয়া কাপ, ভারত সিরিজ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ- কারো বিপক্ষেই জয়ের সরণীতে পৌঁছাতে পারেনি মুশফিক বাহিনী। শেষে ওয়ানডে অধিনায়ক বদল করে ‘প্রিয়’ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জয়ের বন্দরে টাইগাররা। টি-টোয়েন্টি বাদে টানা ১২ ওয়ানডে হারের পর মাশরাফির হাত ধরে বছরের প্রথম ওয়ানডে জয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ ক্রিকেট।
মেলা শুরু আগেই থেকেই তারা তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ও সংবাদ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছিল মেলায় সর্বনিম্ন ১৫ হাজারে ল্যাপটপ পাওয়া যাবে। তবে মেলার দ্বিতীয় দিনেই দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। স্টলের সামনে তারা লিখে দিয়েছে ‘১৫ হাজার শেষ ১৮ হাজার আছে’। মেলায় স্মার্ট টেকনোলজির স্টলের সামনে ভিড় বেশি হলেও আশাহত ক্রেতারা। কয়েকজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা খবরে দেখেছি ১৫ হাজার টাকায় ল্যাপটপ পাওয়া যাবে। কিন্তু এখানে এসে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলছেন স্টক শেষ। তাহলে এত কম স্টকের পণ্য প্রচারণার কি দরকার ছিল।’
মনিবের মৃত্যুটা যেন মেনে নিতে পারছে না ময়না। যার কাছ থেকে বুলি শেখা সেই মনিবের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে ময়নাটি। কেউ সামনে উপস্থিত হলে ‘ময়না’, ‘তোমার নাম কি?’ ‘আল্লাহু’ এ রকম হাজার কথায় বাড়ি মাতিয়ে রাখতো যে পাখিটি আজ সে অনেকটা স্তব্ধ। তার চোখ দুটি যেন মনিবকেই খুঁজছে। রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর এলাকার মাজেদুর রহমান মাজেদের মৃত্যুতে তার পোষা ময়নাটি স্তব্ধ হয়ে গেছে। বুধবার ভোর সাড়ে ৪টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মাজেদের ছোট ছেলে পলাশ বাংলামেইলকে জানান, পশু-পাখিদের প্রতি তার বাবার ভালোবাসা ছিল অসম্ভব রকমের। তাদের গ্রামের বাড়ি নওগাঁ জেলার পত্মীতলা উপজেলার সোনাপুরে। দীর্ঘদিন থেকেই পশু-পাখি প্রেমিক মাজেদের বাড়িটি এক সময় ছোট চিড়িয়াখানায় পরিণত হয়েছিল। বানর, বিদেশি কুকুর, বিড়াল, টিয়া, ময়না, বেনিপুষ, খরগোশ পালন করতেন তিনি। তবে ময়নার প্রতি তার ছিল বিশেষ ধরনের ভালোবাস। তাই গ্রামের বাড়ি ছেড়ে রাজশাহী শহরের বাড়িতে আসার সময় ভালোবাসার ময়নাটি সঙ্গে নিয়ে আসেন। মাজেদের আরেক ছেলে শিমুল বাংলামেইলকে জানান, এর আগে তার বাবার আরও একটি ময়না ছিল। বাচ্চা ময়না কিনে দিনের পর দিন বিছানায় বসে বসে কথা শেখানোর চেষ্টা করতেন বাবা। অবশেষে একদিন কথা ফোটে ময়নার মুখে। কয়েক বছর আগে ময়নাটি অসুস্থ হয়ে মারা যাওয়ার সময় কয়েকদিন খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই শোক ভুলে তারা বাব আবারও একটি ময়নার বাচ্চা কিনেছিলেন।

এক ঘণ্টা আগে দ্বিতীয় ওয়ানডে

সাকিব আল হাসান থাকতে শিশিরে ভয় কী? চট্টগ্রামে প্রথম ওয়ানডে উপভোগ করার পর বাংলাদেশী ক্রিকেটপ্রেমীরা অন্তত এ কথা বলতেই পারেন। তবে তারপরও ক্রিকেটীয় কারণেই বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে অবশিষ্ট ওয়ানডেগুলোর সময় পরিবর্তন করেছে বিসিবি।

আনচেলাত্তিও চান মেসিকে!

আগুণে ঘি ঢাললেন কার্লো আনচেলাত্তি। শনিবার রিয়াল মাদ্রিদ ম্যানেজার জানালেন, লিওনেল মেসি যদি মৌসুম শেষে বার্সেলোনা ছাড়তে চায় তাহলে এমএলটেনকে সই করানোর জন্য চেষ্টা করবেন তিনি!

সাকিবের এক উইকেটের আক্ষেপ

ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সেঞ্চুরি এবং ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হলেন সাকিব আল হাসান। আর মাত্র একটি উইকেট পেলেই বিরাট এক অর্জন হয়ে যেতো তার। সেই একটি উকেট অবশ্য চেয়েছিলেনও সাকিব। কিন্তু হয়নি। সিরিজের প্রথম ম্যাচটিতে সেঞ্চুরি পেয়েই বেশি খুশি হয়েছেন তিনি। তবে তারচেয়ে বেশি খুশি হতেন যদি আরও একটি উইকেট পেতেন। শুক্রবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়েকে বলতে গেলে একাই হারিয়েছেন সাকিব। এরপর সংবাদ সম্মেলনে এসে সাকিব সেই এক উইকেটের আক্ষেপই করলেন সাংবাদিকদের সামনে। সাকিব বলেন, ‘সেঞ্চুরি পেয়েছি ভালো লাগছে। পাঁচ উইকেট পেলে তার চেয়ে বেশি খুশি হতাম। ভাগ্য আমার সহায় হয়নি বলেই পায়নি। সামনে আরও অনেক সুযোগ আছে। আশা করছি সেটা হয়ে যাবে।’

মাঠে নামছেন সালমান শাহর মা

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যার বিচারের দাবিতে প্রায় ১৮ বছর পর মাঠে নামছেন তার মা নীলা চৌধুরী। এ লক্ষ্যে আগামী ১৭ ডিসেম্বর সিলেটের আলীয়া মাদরাসা মাঠে স্মরণ সভা ও সমাবেশের ডাক দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই ছেলে হত্যার বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরী। এর অংশ হিসেবেই সালমান শাহ’র ভক্তদের নিয়ে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

শনিবারের রাশিফল

কাজকে আজ বোঝা মনে হবে। নিজেকে নিরুত্তাপ রাখুন। সঙ্গীর সঙ্গে সুন্দর করে কথা বলতে হবে। আজ আপনাদের বিশেষ কোনো দিন না হলেও সঙ্গীকে পুরস্কার দিতে হবে। নইলে এর ঝাল আপনার ঘাড়েই মিটাবে সে। সংসারে নতুন নতুন ঘটনার তৈরি হবে। বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাবেন কি না ভেবে দেখুন ঘুরতে না গিয়ে হাতের কাজটা শেষ করলেও পারেন এতে লাভ হবে বেশি।
জঙ্গিবাদ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নানা তৎপরতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়ত অপতৎপরতার কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরা। সদস্য সংগ্রহ, নাশকতার পরিকল্পনা, বিদেশে জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনসহ বিভিন্ন অপতৎপরতায় তারা শুধু প্রযুক্তিকে বেছেই নেয়নি প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারও করছে। ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের ধরতে হিমশিম খাচ্ছে। গত শনিবার দিনেদুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক শফিউল ইসলামকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই শিক্ষক মারা যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেসবুকে হত্যার ‘দায়’ স্বীকার করে আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ-২ নামে একটি জঙ্গী সংগঠন। আর এ ঘটনার পরই জঙ্গিদের ইন্টারনেটে তৎপরতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে। অবশ্য আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ-২ শফিউল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করলেও এ বিষয়টি সম্পর্কে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি যে, এ হত্যাকাণ্ডে আসলেও তারা জড়িত। হত্যার মূল উদ্দেশ্য থেকে তদন্তকে ভিন্নখাতে নিতে ফেসবুকে একটি পেজ খুলে এ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করা হয়েছে- এমনটিও ধারণা করছে পুলিশ।

জঙ্গি তৎপরতায় নতুন মাত্রা

এসব অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারের কারণে ফেরি র‌্যাম্প দুর্বল হওয়া, ইঞ্জিনে লোড পড়া, নৌ-চ্যানেল গভীরতা সংকট দেখা দেয়া, ট্রিপের সময় বেশি লাগা, জ্বালানি তেল বেশি অপচয়সহ নানা অবকাঠামোগত সমস্যার শিকার হচ্ছে সব শ্রেণীর ফেরি। ফলে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব, অন্যদিকে ধ্বংস হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এ সব বিষয়ের ওপর গত ৮ নভেম্বর পাটুরিয়া ও দৌলতদিয়া ঘাট ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

ওজনযন্ত্রে ভূত, ফেরির সর্বনাশ!

বাংলাদেশে সোনা চোরাচালান নতুন কিছু নয়। আগেও হতো, এখনো হচ্ছে। আর অবৈধ পথে আসা এসব সোনা কস্টমস কতৃপক্ষ থেকে শুরু করে শুল্ক গোয়েন্দাদের নজর ফাঁকি দিয়ে বিমানবন্দর থেকে বাইরে পাঠানোর ‘নীল নকশার’ পুরোটাই আঁকেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এমনকি বাংলাদেশ বিমান, সিভিল অ্যাভিয়েশনসহ বিভিন্ন সংস্থার লোকজনও এর সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ বিমানের ক্যাপ্টেন ও ডিজিএমসহ চোরাচালান চক্রের ৫ নিয়ন্ত্রককে গ্রেপ্তারের পর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এসব তথ্য জানতে পেরেছে বলে জানান গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের যুগ্ম কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম।

‘নীল-নকশা’ আঁকেন সরকারি কর্মকর্তারাই

প্রায় দেড়কোটি মানুষের আবাসস্থল রাজধানী ঢাকা। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের শহরে রাস্তা পারাপার নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে নির্মাণ করা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস। যদিও এসবের বেশিরভাগ ব্যবহৃত হয় না বলে জানা যায়। এবার নগরবাসীর নিত্যদিনের যন্ত্রণা যানজট নিরসনের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। রাজধানীর শাহজাহানপুর থেকে বিমানবন্দর রোড সিগন্যালমুক্ত করার লক্ষ্যে ৬৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি আন্ডারপাস (ভেহিকুলার আন্ডারপাস) নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা সিটি করপোরেশন (ডিসিসি)।প্রতিটি আন্ডারপাসের গড় খরচ ধরা হয়েছে ৬৪ কোটি টাকা।

যানজট নিরসনে এবার যানবাহনের আন্ডারপাস