শনিবার, ২৩ মে ২০১৫ ।

ট্রাকের সঙ্গে ২ বাসের সংঘর্ষে নিহত ৯

কামারখন্দে ট্রাকের সঙ্গে দুই বাসের সংঘর্ষে নয়জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক বাসযাত্রী। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় জানা যায়নি। শনিবার বিকেল সোয়া ৩টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম মহাসড়কে কামারখন্দ উপজেলার সীমান্তবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক কামারখন্দ উপজেলার সীমান্তবাজার এলাকায় পৌঁছলে চাকা পাংচার হয়ে যায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা অন্তরা নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। একই সময়ে নাবিল পরিবহনের অপর একটি বাস পেছন থেকে অন্তরা পরিবহনকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দু’জন এবং কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে আরও সাতজন মারা যান। দুর্ঘটনায় দুই বাসের অন্তত অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত হয়েছেন।

সারাদেশে বাস ধর্মঘটের হুমকি

আটক চালক, হেলপার ও চেকারকে নিঃশ্বর্ত মুক্তি না দিলে সারাদেশে পরিবহন ও বাস চলাচল বন্ধের হুমকি দেয়া হয়েছে। শনিবার দুপুরে যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদ নেতৃবৃন্দ এ হুঁশিয়ারি দেন। এসময় ফরিদপুরের পুলিশ সুপার ও মধুখালী থানার ওসির বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করা হয়। সংগঠনের আহ্বায়ক আলী আকবর লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৮ মে রাতে ঢাকা থেকে সোহাগ পরিবহনের একটি বাস বেনাপোলের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। পথিমধ্যে ফরিদপুরের মধুখালিতে ডাকাতের কবলে পড়ে। ডাকাতি করে ডাকাতরা নেমে যাওয়ার পর চালক আয়নাল হোসেন বাসটি নিয়ে থানায় হাজির হন। এসময় তিনি ডাকাতির বিষয়টি উল্লেখ করে মামলার নেয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু মুধখালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১৯ মে ফরিদপুরের এসপির নির্দেশে চালককে সকাল পর্যন্ত বসিয়ে রাখেন। এরপর চালক আয়নাল, হেলপার অপু ও চেকার রবিউলকে আসামি করে ডাকাতির মামলা করে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে খুলনা ও বরিশাল রুটে পরিবহনের ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও চালক, হেলাপার ও চেকারকে মুক্তি না দেয়ায় ২২ মে থেকে পরিবহনের পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৮ রুটে ভাড়ায় চালিত সব ধরনের যানবাহান বন্ধ করে দেয়া হয়। কিন্তু ২৩ মে পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় তারা ধর্মঘট অব্যাহত রাখেন। এ দাবি আদায় না হলে তারা মালিক শ্রমিক মিলে সারাদেশে পরিবহন ধর্মঘট ও বাস ধর্মঘট আহ্বান জানাবেন।

গারো তরুণীকে গণধর্ষণ: একজনের নাম মিলেছে

চলন্ত মাইক্রোবাসে গারো তরুণীর গণধর্ষণের ঘটনায় এক ধর্ষকের নাম পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ নাম প্রকাশ করছে না। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান জোনের উপ-কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির গুলশানে নিজ কার্যালয়ে বাংলামেইলের সঙ্গে একান্ত আলাপকালে একথা জানান। তিনি বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে। পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঘটনাটি তদন্ত করছে। এক জনের নাম পাওয়া গেছে। তবে তাকে এখনো সনাক্ত করা যায়নি।’ নাম জানা গেলেও কেন সনাক্ত করা যায়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু ভুক্তভোগী তরুণী ধর্ষণকারীদের পূর্ব পরিচিত নন, তাই নাম জানা গেলেও সরাসরি বলতে পারছে না সে কে। ওই তরুণীকে গাড়িতে তোলার পর ধর্ষণকারীদের কাছে একটি ফোন আসে। এসময় একজন অপরজনের নাম সম্বোধন করে ফোনে কথা বলতে থাকে। সেই নামটিই আমরা পেয়েছি।’ ওই তরুণীর কর্মস্থল এবং ঘটনাস্থলে কোথাও সিসি ক্যামেরা ছিল না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যেহেতু সিসি ক্যামেরা ফুটেজ পাওয়া যায়নি, আমাদের অন্যভাবে ধর্ষণকারীদের সনাক্ত করতে হবে। তদন্ত কাজ এগিয়ে নিতে এরই মধ্যে কয়েকটি টিম কা
জুলি বিশপ বলেন, ‘তাদের (ইন্দোনেশিয়া) বিশ্বাস সাগরে এখনও প্রায় সাত হাজার অভিবাসন প্রত্যাশী রয়েছে । তাদের ধারণা এদের মধ্যে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ রোহিঙ্গা, বাকীরা বাংলাদেশি। ইন্দোনেশিয়া কর্তৃপক্ষের ভাষায় তারা আশ্রয় প্রার্থী নয়, তারা শরণার্থি নয়-তারা অবৈধ শ্রমিক। তাদেরকে মালেয়শিয়ায় চাকরির প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে অথবা তারা চাকরি সেখানে চাকরি খুঁজবে।’
ভারতের আবহাওয়া দপ্তর বলছে, গত কয়েকদিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৪৫ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এই তাপদাহ আরো তিন দিন বহাল থাকবে বলে জানা গেছে। তবে তেলেঙ্গানা এবং অন্ধ্রপ্রদেশে তাপমাত্রা ছিল আরো বেশি। আবহাওয়া দপ্তরের কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, তেলেঙ্গানা রাজ্যের তাপমাত্রা অতীতের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে।
দুর্বিষহ গরমে হাঁপিয়ে ওঠার কথা জানান গৃহিণী পপি মণ্ডল। ২ মাসের সন্তানকে নিয়ে সারারাত নির্ঘুম কাটিয়েছেন বলে জানান তিনি। এটা শুধু রাজধানীর চিত্র নয়, সারাদেশের মানুষই প্রচণ্ড গরমে অস্থির। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইডে প্রকাশিত পূর্বাভাসে দেখা গেছে, গরমের মাত্রাটা বেশি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের মধ্যাঞ্চলেও এ তাপপ্রবাহের বিস্তার আছে। এ কারণে গরমের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়, শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দেশের প্রায় সর্বত্রই তাপমাত্রা ছিল ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একমাত্র সিলেট বিভাগ ছাড়া অন্য কোনো বিভাগে বৃষ্টির দেখা মেলেনি। তবে গতকালের চেয়ে আজ শনিবার রাজধানী ঢাকার তাপমাত্রা কিছুটা বেড়ে গেছে। আজ সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বিরাজ করছে। এদিকে সূর্যের প্রচণ্ড তাপদাহের জন্য দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস; যশোরে ৩৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস; খুলনায় ৩৮ দশমিক ৩; বরিশালে ৩৬ দশমিক ৭; চট্টগ্রামে ৩৪ দশমিক ৫; তাপমাত্রা রংপুরে ৩৩ দশমিক ৫।
জাতীয় ছাত্র সমাজের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের কমিটি বিলুপ্ত করার ঘটনায় জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুর সামনেই সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জুতাপেটা করেছে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সভাপতি সৈয়দ ইফতেখার আহসান হাসান। শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে বনানীর দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সূত্র জানায়, উত্তরের বিক্ষুব্ধ ছাত্র সমাজের অর্ধশতাধিক কর্মী মহাসচিবের কক্ষের দরজা ভেঙে সেখানে বসে থাকা সভাপতি সৈয়দ ইফতেখার আহসান হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিরুকে প্রথমে জুতা নিক্ষেপ করে। পরে জুতাপেটাও করে। এ পরিস্থিতিতে সেখানে উপস্থিত জাপার কয়েকজন নেতা তাদের উদ্ধার করে অন্যত্র সরিয়ে নেন বলে জানান ছাত্র সমাজের কয়েকজন নেতা।
নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসনের ওপর এখনও গনগনে। উত্তেজিত তিনি। বিশ্বকাপ ফাইনালের দু’মাস পরও। আইসিসির সাবেক বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল ক্ষোভে ফুটছেন। ভারতীয় বোর্ড (বিসিসিআইয়ের) আমন্ত্রণে আইপিএল ফাইনাল দেখতে কলকাতায় যাওয়া এই ক্রিকেট কর্তার সঙ্গে কথা বলেছে আনন্দবাজার পত্রিকা। সেখানে সোজাসাপটা অনেক কথাই বলেছেন তিনি। সেটাই বাংলামেইল পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো...
পুলিশ প্রধান যৌন নিপীড়নকে ‘দুষ্টামি’ বলে চিহ্নিত করে ধর্ষক-যৌন নিপীড়কদের উসকে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের উসকানি ও মদদে ধর্ষকরা এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছে সিপিবি। ঢাকায় মাইক্রোবাসে জোর করে তুলে নিয়ে চলন্ত গাড়িতে গারো তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় ধিক্কার জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ এক বিবৃতিতে এই মন্তব্য করেন। তারা বলেন, একের পর এক ধর্ষণ, যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে। ধর্ষণ-নিপীড়নের কোনো ঘটনারই বিচার হচ্ছে না। অপরাধীরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছেন। সরকার নির্বিকার। প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। উপরন্তু নিপীড়নের বিচারপ্রার্থীদের আক্রান্ত হতে হচ্ছে। তারা বলেন, বিচারহীনতার ধারায় এখন দেশ চলছে। ধর্ষক-নিপীড়কদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করে কি সরকার দেশকে ধর্ষক-নিপীড়কদের ‘অভয়ারণ্যে’ পরিণত করতে চায়? সরকার যেখানে নির্বিকার, সেখানে জনগণকে নিজের শক্তির ওপর নির্ভর করতে হবে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রুখে দাঁড়াতে হবেও বলে মন্তব্য করেন তারা। যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে দেশবা

লোকে এখন বলে ‘তুই ব্যাটা শ্রীনি’

নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসনের ওপর এখনও গনগনে। উত্তেজিত তিনি। বিশ্বকাপ ফাইনালের দু’মাস পরও। আইসিসির সাবেক বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশের পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল ক্ষোভে ফুটছেন। ভারতীয় বোর্ড (বিসিসিআইয়ের) আমন্ত্রণে আইপিএল ফাইনাল দেখতে কলকাতায় যাওয়া এই ক্রিকেট কর্তার সঙ্গে কথা বলেছে আনন্দবাজার পত্রিকা। সেখানে সোজাসাপটা অনেক কথাই বলেছেন তিনি। সেটাই বাংলামেইল পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো...

নাদালের সামনে ‘লা ডেসিমার’ হাতছানি

বছরের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম টুর্নামেন্ট। টেনিস দুনিয়ার সবগুলো রাস্তাই যেন এখন এসে মিসে গেছে প্যারিসের রোলাঁ গাঁরোয়। আগামীকাল (রোববার) থেকেই যে শুরু হচ্ছে ফরাসি ওপেন! রোলাঁ গাঁরোর লাল কোর্টের রাজা-রানী হবেন কে এবার? জ্বল্পনা বহু আগে থেকে। গত বছর ফরাসি ওপেন জিতে রাজার মুকুট পরেছিলেন স্প্যানিশ তারকা রাফায়েল নাদাল এবং রুশ গ্ল্যামার গার্ল মারিয়া শারাপোভা। ‘ক্লে কোর্টে’র নায়ক নাদালের সামনে এবার দশম ফরাসি ওপেন জয়ের হাতছানি। ৯’বার রোলাঁ গাঁরো জয়ের রেকর্ড গড়ে ইতিমধ্যে কিংবদন্তীর তালিকায় নাম লিখিয়ে ফেলেছেন নাদাল। ২০১৫ সালেরটা জিতলে দশম ট্রফি। দশম অর্থাৎ স্প্যানিশে ‘লা ডেসিমা’। কিন্তু এবারই সম্ভবত সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি নাদাল। ফরাসি ওপেনের লাল মাটির কোর্টে আগে তাকে নিয়ে যে রকম উন্মাদনা থাকত, এবারও তার থেকে কম কিছু নেই। কিন্তু সেই উন্মাদনার সঙ্গেই হাজির শঙ্কাও। বহু প্রত্যাশার ‘লা ডেসিমা ’ কি মানাকোরের বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবেন নাদাল? নাকি ‘কিং অব ক্লে’র মুকুট এবারই খসে পড়তে চলেছে তার মাথা থেকে?

আনচেলত্তির বিদায় চূড়ান্ত!

কার্লো আনচেলত্তিকে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে রাখা হবে কী-না সেই ব্যাপারে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি ক্লাব কর্তৃপক্ষ। নিজের ভবিষ্যত নিয়ে ফ্লোরেন্টিনো পেরেজ ও হোসে অ্যাঞ্জেল পেরেজের সঙ্গে এখনও বৈঠকে বসেননি আনচেলত্তি। তবে এই ইতালিয়ান কোচকে যে আর রাখা হবে না সেটি নাকি পুরোপুনি চূড়ান্ত করে ফেলেছে লস ব্লাঙ্কুসরা। এমনটিই দাবি করেছে স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মারকা। জনপ্রিয় ক্রীড়া দৈনিকের শনিবারের সংস্করণের বর্ণনা মতে, কোচ আনচেলত্তিও নাকি তার বিদায়ের ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে গেছেন।

প্রকাশ্য চুমু খেলেন প্রসূন

‘সর্বনাশা ইয়াবা’ ছবির কবলে পড়ে, শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিলেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী প্রসূন আজাদ। সেই ধক্কা কাটাতেই দ্বিতীয় ছবি ‘অচেনা হৃদয়’ এর প্রচারণায় উঠেপড়ে লেগেছেন তিনি। তেমনই এক প্রচারণায় দর্শক হৃদয় জয় করতে, নবাগত নায়ক এবিএম সুমনের গালে প্রকাশ্যে চুমু খান প্রসূন আজাদ।

ভালো জীবন সঙ্গী মানেই প্রকৃত বন্ধু

প্রকৃত বন্ধুর অর্থ কি সব সময় ভালো ব্যবহার করবে, সবকিছুতে ভুল ধরবে, ঝগড়া করবে, শুধুই প্রশংসা করবে নাকি সম্পর্কের মাঝে সবই থাকবে? অনেকে আবার বন্ধুর কাছ থেকে শুধুই প্রশংসা আশা করেন। কোনো ধরনের খারাপ মন্তব্য মেনে নিতে পারেন না। তাদের ধারণা বন্ধু মানেই হাসিমাখা একটি মুখে শুধু প্রশংসার বাণী ঝরবে, সাহায্য করবে, অন্যায় কাজেও সমর্থন দেবে। কিন্তু প্রকৃত সম্পর্কের বিচারে থাকা চাই সব কিছুই। বন্ধু হতে পারে স্বচ্ছ আয়নার মতো। আয়নার সামনে দাঁড়ালে যেমন চেহারার ভালো খারাপের পুরোটা দেখা যায়, বন্ধুও হতে পারে তেমনি। তাই ভালো সঙ্গীর থাকতে হবে প্রকৃত বন্ধুর বিশেষ গুণগুলো।
যানজটে নাকাল হওয়া ঢাকাবাসীর নিত্যদিনের এক ঘটনা। বিশেষ কোনো দিন বা বিশেষ কোনো উপলক্ষ থাকলে তো কথাই নেই। নগরবাসীকে এ যন্ত্রণার হাত থেকে মুক্তি দিতে সরকার থেকে নানা উদ্যোগ নেয়ার চেষ্টা করা হলেও কোনটিই কার্যত সফলতার মুখ দেখেনি। সরকারের তরফ থেকে নেয়া উদ্যোগগুলোর মধ্যে সর্বশেষটি ছিল কাউন্টডাউন টাইমার বা সময় নিয়ন্ত্রিত সঙ্কেত বাতি। আগের উদ্যোগগুলোর ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগটিও পুরোপুরি ভেস্তে গেছে। যানজট কমানোর চিন্তাভাবনা করে কাউন্টডাউন টাইমারের কার্যক্রম শুরু হলেও বাস্তবতায় হয়েছে হিতে বিপরীত। কাউন্টডাউন টাইমার চালু করে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ট্রাফিক পুলিশ সরিয়ে নেয়ার পর জট এতটা তীব্র রূপ নেয় যে ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই উদ্যোক্তরা ফিরে আসেন তাদের সনাতনী পদ্ধতিতে, অর্থাৎ হাতের ইশারায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু যানজট নিরসনের শুভ এই উদ্যোগটি ঠিক কী কারণে কাজ করলো না- এ প্রশ্নের জবাবে ডিসিসি কর্তৃপক্ষ বলছে- নিউ ইয়র্ক, মস্কো ও কলকাতার মতো শহরগুলোতে এই স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল পদ্ধতিটি দারুণ কাজ করছে। তবে ঢাকায় কেন মেশিনগুলো এমন অসহনীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। সোমবার সকালে কাউন্টডাউন টাইমারের মাধ্যমে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে অসহনীয় যানজট তৈরি হয়। সময় নিয়ন্ত্রিত এ সঙ্কেত বাতিগুলো যখন গাড়িগুলোকে সামনে যাওয়ার সঙ্কেত দিচ্ছিল তখন দেখা যাচ্ছিল সামনে তীব্র যানজট। এগোনোর উপায় নেই। আবার কখনো দেখা যাচ্ছে। সামনে রাস্তা পুরোটাই ফাঁকা কিন্তু সঙ্কেত থেমে থাকার। ফলে চালকরা বারবার লেন পরিবর্তন করে এলোমেলোভাবে গাড়ি চালাতে শুরু করেন।

যে কারণে ব্যর্থ কাউন্টডাউন টাইমার

বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা হয়ে সমুদ্রপথে বেশি পাচার হচ্ছে মিয়ানমারের বিপদাপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর লোকজন। বাংলাদেশের মানুষের চেহারা এবং চট্টগ্রামের ভাষার সঙ্গে মিল থাকায় সাগরে ভাসতে থাকা রোহিঙ্গারা বাঁচার জন্য নিজেদেরকে বাংলাদেশি বলে পরিচয় দিচ্ছে। ফলে বহির্বিশ্বও ধারণা করছে সাগরপথে বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি পাচার হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছে বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ভাত-কাজের অভাব নেই। ফলে ঝুঁকি নিয়ে সাগর পথে বিদেশে পাড়ি জমানোর কোনো যুক্তি হয় না। তারপরও লোভে পড়ে, পাচারকারীদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে অনেকে সাগরে পাড়ি জমাচ্ছে। তবে সে সংখ্যা খুব বেশি নয়। মূলত দেশ ও বাস্তুহারা রোহিঙ্গারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য তৃতীয় কোনো দেশে পাড়ি জমাতে চাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে মুসলমান হিসেবে সহমর্মিতা পাওয়ার আশায় তারা বেছে নিয়েছে মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়াকে। সমুদ্র ও তার বিপদ সম্পর্কে ধারণা না থাকায় তারা পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে অনায়াসে পাড়ি দিচ্ছে সাগরে।

বিপদাপন্ন রোহিঙ্গারাই পাচার হচ্ছে বেশি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তথ্য সরবরাহে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা-এমন অভিযোগ করেছেন খোদ ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা। এসব মামলার শুনানি চলাকালে ট্রাইব্যুনালের বিচারপতিরা মামলার প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী) ও তদন্ত সংস্থাকে বারবার সতর্ক হয়ে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েও কিছুতেই কিছু না হওয়ায় নতুন মামলার পাশাপাশি পুরনো (রায় হওয়া) মামলাগুলো কতটুকু সুষ্টু তদন্তে পরিচালনা হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।

ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ‘অদক্ষ’: বিচারপতিদের মত

বৈধ বা অবৈধপথে বাংলাদেশে এসে ভয়ঙ্কর সব অপরাধের সঙ্গে নিজেদের জড়িয়ে ফেলছেন অনেক বিদেশি। বিভিন্ন অপরাধে তারা আটক হচ্ছেন, আবার কেউ কেউ থেকে যাচ্ছেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। বাংলাদেশে এসে অপরাধে জড়িয়ে পড়া বিদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কূটনীতিকরাও। বিভিন্ন নাশকতায়ও জড়িত থাকার তথ্য আসছে গণমাধ্যমে। বিদেশিদের এমন সব অপরাধের দিকে নজর দিয়ে বাংলামেইলের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট আহমদুল হাসান আসিকের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ থাকছে দ্বিতীয় পর্ব। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটাতে নানাভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন। ইসলামভিত্তিক আলাদা রাষ্ট্র গঠন, ভিআইপিদের উপর হামলা, ভারতে হামলা, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জন্য কর্মী সংগ্রহ এবং বাংলাদেশে নাশকতার নানামুখী পরিকল্পনা নিয়ে সংগঠনগুলোর বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে কাজ করছেন। এমনকি বিভিন্ন মিশন নিয়ে পাকিস্তান থেকে এসব সংগঠনের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা বাংলাদেশেও আসছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি সূত্র এবং শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বিভিন্ন সময় গোপন মিশন নিয়ে আসা এসব সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরাও পড়েছেন। সূত্রগুলো জানিয়েছে, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রামের কিছু অংশ এবং মায়ানমারের আরাকান নিয়ে একটি পৃথক রাষ্ট্র গঠন করার লক্ষ্যে কাজ করছে পাকিস্তানভিত্তিক কয়েকটি জঙ্গি সংগঠন এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)। পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিসংগঠনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে লস্কর-ই-তৈয়বা, তেহরিক-ই-তালিবান ও জইশ-ই-মুহাম্মদ। এসব জঙ্গি সংগঠনগুলো আলাদা রাষ্ট্র

জঙ্গি তৎপরতায় টার্গেট বাংলাদেশ