শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০১৫ ।

নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন খালেদা

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারণায় নেমেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষে ভোট চাইছেন তিনি। শনিবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে গুলশাল-২ এর পিংকসিটি থেকেই নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন খালেদা জিয়া। বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেসউইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন। কারণ কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই প্রচারণায় নেমেছেন খালেদা। যদিও কয়েক দিন আগে ড. এমাজউদ্দীন জানিয়েছিলেন, তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় নামবেন।

বাস-কারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৭

ধামরাইয়ে দুটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছে শিশুসহ একই পরিবারের ছয়জন। শনিবার দুপুর তিনটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাথুলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো ১০ জন। তাদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদরসহ স্থানীয় বিভিন্ন হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতরা হলেন- ফরিদা বেগম (২৬), তার স্বামী মনোয়ার হোসেন (৩২), দুই ছেলে তাওহিদ (২) ও তোহা (৪), দিলারা বেগম (৩০) ও তার মেয়ে সাম্মী আক্তার (৪) ও গাড়িচালক ফারুক (২৯)।

গুমের আশঙ্কায় তাবিথ

গুম হওয়ার আশঙ্কা করছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী তাবিথ এম আউয়াল। গুমের ভয়ে অনেক কিছুই বলতে পারছেন না বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। শনিবার গাবতলীর বড়বাজার এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি সাংবাদিকদের সামনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। তাবিথ বলেন, ‘বিএনপির অনেক নেতা-কর্মীই হামলা-মামলা ও গুম-খুনের শিকার হচ্ছেন। আমি নিজেও গুমের ভয়ে অনেক কিছুই বলতে পারি না। যারা গুম হচ্ছেন তাদেরকে এখনও পর্যন্ত প্রশাসন উদ্ধার বা কোনো তথ্য দিতে পারছে না। তাই সবারই গুমের ভয় থাকাটাও স্বাভাবিক।’ এসময় তিনি পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে নারীদের যৌন হয়রানির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসন্ন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সেনাবাহিনীসহ সব বাহিনীর সহযোগিতা চাই। তাছাড়া আমি নির্বাচনে নেমেই আশার চেয়ে বেশি সাড়া পাচ্ছি। আপনারা যেভাবে সাড়া দিয়েছেন সেভাবে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন। আমি আপনাদের পাশে থাকবো সবসময়। আর আপনাদের প্রধান সমস্যা রাস্তা ঘাট উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবো। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন- জাগপার সভাপতি শফিউল আলম প্রধান ও ৯ নম্বর কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. বদিউজ্জামানসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
ড্যান কেক তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জিতে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তবে ১৬ বছর পর পাকিস্তানকে হারানোর ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারেননি নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। মনের মধ্যে দেশসেরা এ ডানহাতি পেসারের কিছুটা হলেও দুঃখ আছে। সাকিবের নেতৃত্ব প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে যাওয়ায় অপেক্ষা দীর্ঘ করতে চান না মাশরাফি। রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করতে চান নড়াইল এক্সপ্রেস।
‘সাব্বির সজীব নামে ঢাবির (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) একজন ছাত্র ঘটনাস্থল থেকে অনেকগুলো ছবি তুলেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন- ভিসি স্যারের নির্দেশে ছবিগুলো শেয়ার করতে পারছেন না। কার স্বার্থে ভিসি স্যার ছবিগুলো প্রকাশে বাধা দিচ্ছেন? তবে কি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ কর্তাব্যক্তিরাও এ ঘটনায় জড়িত?’-এমনটাই প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হাসান তারেক। তিনি আরো বলেছেন, ‘এমন বর্বরোচিত ন্যাক্কারজনক ঘটনায় প্রক্টর, পুলিশ, ভিসি যখন একই অবস্থান নেন তখন লজ্জিত ও সংক্ষুব্দ হওয়া ছাড়া কিছুই করার থাকেনা।’ শনিবার দুপুর বারোটায় ঢাবির মধুর ক্যান্টিনে পহেলা বৈশাখে টিএসসিতে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রক্টরের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করে বলা হয়, ‘নববর্ষে নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বারবার মিথ্যাচার করেছেন। মিথ্যার একটা সীমা থাকে কিন্তু প্রক্টর মহোদয়ের মিথ্যাচারের কোন সীমা-পরিসীমা নেই। আমরা দায়িত্ব পালনে চরমভাবে ব্যর্থ-মিথ্যাচারী প্রক্টরের অপসারণ চাই।’ লিখিত বক্তব্যে হাসান তারেক আরো বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে প্রক্টর বিভিন্ন গণমাধ্যমে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিয়ে বারংবার মিথ্যাচার করেছেন। তিনি বলেছেন- লিটন নন্দী ছাড়া আর কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই এবং সিসিটিভিতেও প্রমাণ নেই। প্রক্টর আরো বলেছেন- দুপুরের পর থেকে ক্যাম্পাসের মধ্য দিয়ে কোনো গাড়ি চলেনি। অথচ এমন মিথ্যাচারের সাক্ষী সেদিনের হাজার হাজার জনতা।’ অভিযোগ তীর পুলিশের দিকেও। অভিযোগে বলা হয়, ‘ঘটনার দিন কয়েকজন নিপীড়ককে আটক করে পুলিশে দেয়া হলেও তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। এছাড়া সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিলে কয়েকটি জেলায় থানা থেকে ফোন করে কর্মসূচী পালনে নিষেধ করা হয়। তবে কি পুলিশ অপরাধীদের আড়াল করতে চায়? নিপীড়কদের বাঁচাতে পুলিশ এত তৎপর কেন?’ সংবাদ সম্মেলন থেকে কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো- দা
ঢাকা দক্ষিণের মেয়র পদে লড়তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আদর্শ ঢাকা আন্দোলনের ব্যানারে তার দলের সমর্থন পেয়েছেন। মামলার বোঝা মাথায় নিয়ে আব্বাস প্রচারণায় সরাসরি অংশ নিতে না পারলেও তার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন স্ত্রী আফরোজা আব্বাস। ১৪ এপ্রিল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মির্জা আব্বাসের জন্য ভোট চেয়েছেন বেগম খালেদা জিয়াও। এই নির্বাচনে মির্জা আব্বাসের প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে অন্যতম রয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের সমর্থন পাওয়া সাঈদ খোকন।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২০ দলের নির্বাচন পরিচালনা সমন্বয় কমিটিতে মেয়র প্রার্থী মাহী বি. চৌধুরীর নাম রেখেছে বিএনপি। দলটির সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন এ বিষয়ে বাংলামেইলকে বলেছেন, ‘মাহী বি. চৌধুরীকে নিয়ে আমাদের চিন্তা ছিলো তিনি আমাদের সহযোগিতা করবেন। তিনি মেয়র পদপ্রার্থী। ভুল বশত নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে তার নাম দেয়া হয়েছে। এটা আমার ব্যক্তিগত ভুল।’ এ ব্যাপারে মাহী বি. চৌধুরীও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে শনিবার গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়েছেন। বিষয়টি গর্হিত উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ‘আমি একজন মেয়র পদপ্রাথী এবং নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার জন্য পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছি।’ এতে তিনি ‘বিস্মিত’ হয়েছেন উল্লেখ করে বিবৃতিতে মাহী বলেছেন, ‘আমি সংবাদপত্রের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। তাবিথ আউয়াল রাজনীতিতে অনভিজ্ঞ হতে পারেন। কিন্তু তাঁর এমন গর্হিত কাজ করার কথা না। অপরদিকে কমিটিতে আমার নাম অন্তর্ভূক্তি ভুল হয়েছে বলে বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীনও স্বীকার করেছেন।’ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ভুল যেন বিএনপিকে পিছু ছাড়ছে না। এ এলাকা থেকে মেয়র প্রার্থী ছিলেন তাবিথের বাবা শীর্ষ শিল্প উদ্যোক্তা আব্দুল আউয়াল মিন্টু। কিন্তু ভুল বশত তিনিও অন্য এলাকার ভোটারকে তার মনোনয়ন পত্রে সমর্থনকারী হিসেবে ব্যবহার করেন। ফলে তা বাতিল হয়ে যায়। এ ব্যাপারে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘এটা আগের কপি। মিন্টু সাহেব নির্বাচন করলে তিনি সহযোগিতা করবেন একারণে তখনকার যে তালিকা হয়েছিলো সেখানে তার নাম রয়েছে। একটা আনসাইন বিষয় নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না।’
বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১৫ উপলক্ষে নিটল-বাংলামেইল কুইজ প্রতিযোগিতার ছয় বিজয়ীর মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে এলইডি বস টিভি। শনিবার দুপুরে নিটল ইলেক্ট্রনিক্সের মহাখালীর করপোরেট অফিসে এ পুরস্কার প্রদান করেন নিটল ইলেক্ট্রনিক্সের ডিজিএম একলিম আহমেদ, বাংলামেইল২৪ডটকমের সিনিয়র নিউজরুম এডিটর মো. ওবায়দুল্লাহ খান সনি। অনুষ্ঠানে একলিম আহমেদ বলেন, ‘বিশ্বকাপ ক্রিকেট-২০১৫ কে কেন্দ্র করে আমরা বাংলামেইলের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আনন্দিত। আমরা চাই এ সম্পর্ক ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘কুইজে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার দেয়ার লক্ষ্যে আজকের এ আয়োজন। কুইজের পুরস্কার নিয়ে কারো মাঝে যেন কোনো সন্দেহের অবকাশ না থাকে এ জন্য আমরা সময় মতো তা দেয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা চাই নিটল ইলেক্ট্রনিক্স নিয়ে মানুষের ভেতর যেন কনফিডেন্স তৈরি হয়।’
দফায় দফায় ভাড়া বাড়িয়ে রেলকে স্বনির্ভর করা যাবে না। এজন্য প্রয়োজন রেলওয়ের ভূ-সম্পত্তিসহ সব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার এবং ব্যবস্থাপনা। পণ্য পরিবহনে মনোযোগী হলেই রেল স্বনির্ভর ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে অনেকের অভিমত।

অপেক্ষা বাড়াতে চান না মাশরাফি

ড্যান কেক তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জিতে এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। তবে ১৬ বছর পর পাকিস্তানকে হারানোর ম্যাচে নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে পারেননি নিয়মিত অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। মনের মধ্যে দেশসেরা এ ডানহাতি পেসারের কিছুটা হলেও দুঃখ আছে। সাকিবের নেতৃত্ব প্রথম ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে যাওয়ায় অপেক্ষা দীর্ঘ করতে চান না মাশরাফি। রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ জিতে ওয়ানডে সিরিজ নিশ্চিত করতে চান নড়াইল এক্সপ্রেস।

তামিমের পাশে মুশফিক

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে শুক্রবার দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে অদ্ভুত উদযাপন করেছিলেন তামিম ইকবাল। দুই হাত উপরে তুলে ভঙ্গিটা এমন ছিল, ‘চুপ কর, অনেক হয়েছে’। তবে তামিমের এমন সেঞ্চুরি উদযাপনে অনেক প্রশ্নেরই জন্ম দিয়েছে। তার ব্যাখ্যা অবশ্য তামিম দেননি, দিয়েছেন সতীর্থ আরেক সেঞ্চুরিয়ান মুশফিকুর রহীম। ৭৯ রানের দাপুটে জয়ের পর সংবাদ সম্মেলনে তামিমের উদযাপনের ব্যাখ্যায় মুশফিক বলেন, ‘এটা তো যে কেউই বুঝতে পারবে। শেষ চার-পাঁচ মাস ওকে নিয়ে এতো কথা হচ্ছে। একজন ব্যাটসম্যানের এমন বাজে সময় যেতেই পারে।’ মুশফিকের কথায় স্পষ্ট, দীর্ঘদিন অফ ফর্মে থাকার পর সেঞ্চুরি করায় তামিমের অমন উদযাপন।

যুবাদের সিরিজ জয়

পঞ্চম ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকা অনুর্ধ্ব-১৯ দলকে ৮ রানে হারিয়ে দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সাত ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ দল। বাংলাদেশের করা ২৫৭ রানের জবাবে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৪৮ রানে আটকে যায় সফরকারীরা।

ন্যাপকিন মানেই চিন্তামুক্ত নন!

আজকের নারী অনেক বেশি সচেতন। সব বিষয়ে সচেতনতার সঙ্গে বাড়িয়ে তুলেছে তার কর্মদক্ষতা। কোনো কাজে তার আত্মবিশ্বাসের আভাব নেই। আড়ষ্ঠতায় ঘরের কোনে নারীকে লুকোতে হয় না। আগের দিনে পিরিয়ডের সময় তাকে থাকতে হতো গুটিয়ে। কিন্তু আজ নির্ভরতা আর সাহস জুগিয়েছে স্যানিটারি ন্যাপকিন। পুরনো কাপড় ফেলে স্যানিটারি ন্যাপকিনই এখন একমাত্র ভরসা। অথচ অসংখ্য নারী নানা রকম সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে থাকেন শুধুমাত্র এই স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভুল ব্যবহারের কারণে। দাম দিয়ে কেনা ন্যাপকিন ব্যবহার স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলে দিচ্ছে। অনেক বেশি শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন, দীর্ঘ সময় লিকেজ প্রতিরোধ করে এমন প্যাড আরও বেশি ক্ষতি করছে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রতিটি ওয়ার্ডে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে একজন করে মনোনয়ন দেয়া হলেও কোনোভাবেই বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে পারেনি ক্ষমতাসীনরা। প্রতিটি ওয়ার্ডেই একাধিক প্রার্থী রয়েছে আওয়ামী লীগের। বিদ্রোহীদের কেউ কেউ নিজেকে দলের সমর্থিত প্রার্থী বলে প্রচারণা করলেও অনেকে অবশ্য স্বতন্ত্র বলেই প্রার্থী হয়েছেন। তবে অনেকেই ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

আ.লীগের গলায় কাঁটা, সুবিধায় বিএনপি প্রার্থীরা

বিগত স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোর মতোই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবক হয়ে উঠতে পারে হেফাজতে ইসলাম। অনেকে মনে করছেন, সর্বশেষ উপজেলা নির্বাচনের মতো এবার সিটি নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট প্রার্থীদের বিজয়ী করবে কওমি মাদরাসাভিত্তিক এ সংগঠন। তবে এবার প্রকাশ্যে কোনো প্রচারণায় নামছে না হেফাজত। যেমনটি নেমেছিল রাজশাহী, গাজীপুর, খুলনা, সিলেট সিটি ও উপজেলা নির্বাচনে। সংগঠনটির সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে ওলামা ও মাদরাসার ছাত্ররা যার যার অবস্থান থেকে সিটি নির্বাচনের প্রচারাণায় অংশ নেবে। এক্ষেত্রে হেফাজতকে কাজে লাগাতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। অবশ্য হেফাজত নেতারা দাবি,তারা কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নেই। এমনকি তারা রাজনৈতিক দলের সমর্থকও নন। তাদের অবস্থান নাস্তিকদের বিরদ্ধে, ইসলামের পক্ষে। এক্ষেত্রে যে দল নাস্তিকদের সমর্থন করে,তারা তাদের বিরুদ্ধে। কে আওয়ামী লীগ আর কে বিএনপি সেটা মুখ্য নয়।

বিএনপিকে জেতাবে হেফাজত?

রাত পোহালেই পহেলা বৈশাখ। বাঙালি প্রস্তুত বাংলা নতুন বছরকে বরণ করে নিতে। ঐতিহ্যের ধারায় এ দিনের বাহারি বাংলা খাবারের তালিকায় পান্তা-ইলিশ না হলে চলেই না। কিন্তু ইলিশের বাজারে যে আগুন তাতে ইলিশের কাছেই ঘেঁষা যাচ্ছে না। বরাবরের মত এবারও বৈশাখী আয়োজনে বাধ সাধছে ইলিশের দাম। কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে ইলিশের আকাশছোঁয়া দাম হাঁকানোটা এখন রেওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশাল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র অন্যায়ভাবে দাম বাড়ালেও কোনো কিছুই করতে পারছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বলা হচ্ছে আইনের নানা মারপ্যাঁচের কারণে অসাধু ব্যবসায়ীদের টিকিটিও স্পর্শ করা যায় না। বাজার নিয়ন্ত্রণে দায়িত্বরত ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে বলা হচ্ছে, আইনে ইলিশের দাম নির্ধারণ করা নেই। তাই ব্যবসায়ীরা যে রকম মূল্য রাখে তার বিরুদ্ধে কিছু করা যায় না। তাই ইলিশের স্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি রোধ করা যাচ্ছে না। জানা গেছে, বৈশাখকে কেন্দ্র করে দেশের সব জেল, উপজেলায় ইলিশের বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার তাগিদ দিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। কিন্তু সে মনিটরিং আর হচ্ছে না। মনিটরিং রয়ে গেছে কেবল কাগজে-কলমেই। এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারগুলোতে ইলিশের যেমন তীব্র সঙ্কট ঠিক তেমনি দাম হাঁকা হচ্ছে অস্বাভাবিক রকমের বেশি। তবে ইলিশের দেশে ইলিশের এত সঙ্কটের কারণটা কি তাই খুঁজে পাচ্ছেন না ক্রেতারা। দামের কথা শুনে বৈশাখী খাদ্য তালিকা থেকে অনেকেই বাদ দিচ্ছেন ইলিশকে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ, খিলগাঁও, শান্তিনগর, কারওয়ানবাজার, ধানমণ্ডি, হাতিরপুলসহ আরো কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৭০০-৮৫০ গ্রাম ওজনের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮-১০ হাজার টাকায়। আর ২৫০ গ্রাম ওজনের জাটকা ইলিশ বিক্রি করা হচ্ছে ১০০০-১২০০ টাকা হালিতে।

ইলিশের বাজারের আগুন নেভাবেন কে?

বাংলা নতুন বছরের শুরুতে হালখাতার আয়োজন করা বাঙালি সংস্কৃতির এক ঐতিহ্যবাহী উৎসব। বছরের শুরুতে পুরনো বছরের দেনা-পাওনার হিসাব-নিকাশের পাঠ চুকিয়ে নতুন বছরের জন্য নতুন খাতা খোলেন ব্যবসায়ীরা। এ দিনটিতে ক্রেতারা ব্যবসায়ীদের বাকি টাকা একসঙ্গে পরিশোধ করেন। ব্যবসায়ীরা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টিমুখ করোনোর ব্যবস্থা করেন। মোঘল আমলে চৈত্রের শেষের দিকে প্রজারা রাজ-কোষাগারে খাজনা দিতেন। পুরনো হিসেব চুকিয়ে খোলা হতো নতুন খাতা। আর বাকির খাতা শূন্য হওয়ায় রাজ দরবার থেকেও প্রজাদের নানাভাবে আপ্যায়ন করা হতো। সেই থেকে চলে আসছে বাংলা সনের শেষের দিন বা নতুন বছরের প্রথম দিনে হালখাতা আয়োজন করার রীতি। জীবন-যাপনের ধরন পরিবর্তনের সঙ্গে পুরনো সেই হালখাতার ধরনও বদলে গেছে। একটা সময় ছিল শহরের অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালখাতা করা হলেও কালে বির্বতনে এখন আর আগের মতো এই রেওয়াজ পালন করা হয় না। তবে এই এতিহ্যবাহী উৎসবকে ধরে রেখেছেন পুরনো ঢাকা ব্যবসায়ীরা। পুরনো ঢাকার তাঁতীবাজার, শাঁখারি বাজার, ইসলামপুর, চকবাজার ও শ্যাম বাজারের ব্যবসায়ীরা এখনও ধুমধাম করে পুরনো দেনা-পাওনা হিসেবে চুকিয়ে নতুন খাতা খোলেন। এসব এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, পহেলা বৈশাখের হালখাতা উৎসব পালন করার জন্য ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান পাট পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে সাজিয়ে রেখেছেন। তবে হিন্দু ব্যবসায়ীরা পঞ্জিকা অনুযায়ী হালখাতা পালন করে থাকেন। শাখারি বাজারের শ্রী শ্রী মা ভাণ্ডার জুয়েলারীর স্বত্ত্বাধিকারী স্বর্ণ ব্যবসায়ী বিশ্বনাথ কর্মকার বাংলামেইলকে বলেন, ‘আমরা প্রতিবছরের মত এবারও দোকানপাট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেছি নতুন বছরের হালখাতা করবো বলে। আর যারা সারা বছর আমাদের দোকানের ক্রেতা তাদের আমন্ত্রণ করেছি। তাদের জন্য মিষ্টিমুখ করার আয়োজন রয়েছে। আমারা প্রতিবারের মত একইভাবে আমাদের ক্রেতাদের আপ্যায়ন করাবো এ দিনটি

হাল আমলে হালখাতা