রোববার, ২৫ জানুয়ারি ২০১৫ ।

সরকারকে আলোচনার পরামর্শ সম্পাদকদের

দেশের চলমান সঙ্কট নিরসনে রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছেন প্রিন্ট মিডিয়ার সম্পাদকদরা। রোববার সচিবালয়ে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সম্পাদকদের পক্ষে এ কথা বলেন দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সরওয়ার। তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে বেলা সোয়া ১১টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়ে দুপুর দেড়টায় শেষ হয়। বৈঠক সম্পর্কে সম্পাদক পরিষদের পক্ষে দৈনিক সমকালের সম্পাদক গোলাম সরওয়ার ও সরকারের পক্ষে কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। এসময় তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি টেলিভিশন চ্যানেলের সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করে সরকার। এবং সেসময় সহিংসতা উসকে দিতে পারে এমন প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়।

খালেদার বিরুদ্ধে মামলা, বিবেকশূন্য সরকার

এই সরকার ও তাদের আন্দোলনের ফসল ১/১১ এর সরকারের মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনে প্রায় সাড়ে সাত বছর ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। ২০০৭ সালের মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিনের সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তারের দিনই কোকোকে আটক করে। আটকের পর তার ওপর চালানো হয় অমানুষিক অত্যাচার। এই অত্যাচারেই গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হন আরাফাত রহমান কোকো। এরপর আওয়ামী মহাজোট সরকার একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করতে থাকে কোকোর বিরুদ্ধে। মায়ের কাছ থেকে সন্তান ও সন্তানের পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়। মানসিক ও শারিরিক নির্যাতনের ফলে অসুস্থতায় ভুগতে ভুগতে গতকাল আরাফাত রহমান কোকো মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে ধারাবাহিকভাবে ধ্বংস করার একটি মাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে তার বহুদলীয় গণতন্ত্রকে উচ্ছেদ করে এক ব্যক্তির একক রাজত্ব চালিয়ে যাওয়ার পথে বাধা দূর করা।

দুই নেত্রীর জন্য ৭ দিন, না হলে অনশন

সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক একেএম বদরোদ্দোজা চৌধুরী চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনে দুই নেত্রীকে আলোচনায় বসার জন্য ৭ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে যদি তারা আলোচনায় না বসেন তাহলে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে নিয়ে অনশনের ডাক দিয়েছেন তিনি। রোববার দুপুরে রাজধানীর বারিধারার নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন। এসময় তিনি আলোচনার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকেই এগিয়ে আসা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন। গতকাল খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘একজন বিরোধী জোটের নেত্রীর বাসায় তালা নাগনো যেমন অপরাধ, ঠিক একই অপরধ দরজা না খোলা।’
হিন্দি ও উর্দু ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে দেশীয় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। তোপের মুখে কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে আমদানিরা করা একটি হিন্দি ছবি নামিয়ে ফেলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর রিপোর্টাস ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে, আন্দোলনকারীদের ছবি প্রেক্ষাগৃহে না চালানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা।
পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির উত্থানটা বুঝি বছরেই হয়েছিল। ২০১৪ সালে বেশ কয়েকটি কোম্পানি বাজারে পরিধানযোগ্য গ্যাজেট নিয়ে আসে। এই দৌড়ে পিছিয়ে থাকতে চায় না সফটওয়্যার জায়ান্ট মাইক্রোসফটও। এবার তারা ‘হলোলেন্স’ নামে একটি পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি আনার ঘোষণা দিয়েছে। বাজারে আসার আগেই প্রযুক্তিপ্রেমিদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে ‘হলোলেন্স’।
জনগণের জানমালের অধিকার রক্ষা বিজিবির কাজ উল্লেখ্য করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, ‘জনসাধারণের জানমালের হুমকি দেখা দিলে আইনের ধাপ অনুসারে গুলি করা হয়। সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নই ওঠে না।’ তিনি বলেন, ‘আমার সৈনিক আক্রন্ত হলেই কেবল তারা অস্ত্র ব্যবহার করে থাকেন। কারণ জনগণের জানমালের অধিকার রক্ষাই আমাদের কাজ।’ রোববার সকালে রংপুরে বিজিবির উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন হেড কোয়ার্টারের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, ‘দেশ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বেসামরিক বাহিনীকে সহায়তা করতে দেশের বিভিন্নস্থানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে। বিজিবিকে সাংবিধানিকভাবে পাঁচটি দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- সীমান্তপ্রহরী হিসেবে দেশকে রক্ষা করা, যুদ্ধুকালীন সময়ে সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তা করা, নারী ও শিশু পাচার রোধে কাজ করা, বেসা
সৌদি আরবে স্বল্প খরচে দক্ষ শ্রমশক্তি প্রেরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং শিগগিরই সৌদি শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য উন্মুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। রোববার বেলা ১২টায় প্রবাসীকল্যাণ ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সম্প্রতি বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল সপ্তাহব্যাপী সৌদি আরব সফর করেছে। কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে সৌদি আরবের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে অভিবাসন বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে রাজনৈতিক দলগুলো চেষ্টা করে যাচ্ছে। গণতান্ত্রিক অবকাঠামো মজবুতসহ জবাবদিহি ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন নেতারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে নির্বাচনী ইশতেহারে ‘স্বপ্নের বাংলাদেশ’ দেখতে পায় দেশবাসী। উন্নয়নের জোয়ারে ভেসে যাওয়ার স্বপ্নও দেখতে শুরু করে তারা। আর এসবই করা হয় দেশের মানুষকে শান্তিতে রাখতে। জনগণকে নিরাপদে রাখার এ মহৎ প্রতিযোগিতায় রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা, বিশ্বাস আর নির্ভরতা বেড়ে যায়। সে কারণেই সাধারণ মানুষের স্বস্তঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে জাতীয় সংসদ নির্বাচনগুলো পরিণত হয় উৎসবে। তবে বিগত দুই দশকে চরম রাজনৈতিক অস্থিরতার কবলে পড়েছে দেশ ও দেশের মানুষ। দলগুলো ক্ষমতা আর ভোটনির্ভর হয়ে পড়ায় পরিবর্তন এসেছে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে। মূলত রাজনীতি এখন হয়ে পড়েছে মুনাফানির্ভর ব্যবসায়। এ কারণে সাধারণ মানুষ আর রাজনীতিকদের মধ্যে বিশ্বাস ও আস্থার ক্ষেত্রে তৈরি হচ্ছে দূরত্ব। এতে বাড়ছে সহিংসতা, সন্ত্রাস। এ ভাবেই নানা ঘাত প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে বর্তমান সময়ে এসে দাঁড়িয়েছি আমরা। তবে সম্প্রতি জনগণের নিরাপত্তা আর শান্তি নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন, শঙ্কা।
চীনা মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান অপ্পো এদেশে মোবাইল ফোন সেট বাজারজাত শুরু করেছে। জনপ্রিয় বিভিন্ন স্মার্টফোনের ভিড়ে অপ্পোর আকর্ষণীয় ফিচার এরইমধ্যে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পেরেছে। তাই প্রযুক্তিপ্রেমীদের কাছে এখন নতুন ক্রেজ অপ্পো মোবাইল। অপ্পো মোবাইলে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি আর উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ক্যামেরা রয়েছে। এছাড়া এর ‘মেটালিক বডি’ যেমন শক্তপোক্ত তেমনি আকর্ষণীয়।

সেরাটা দেয়ার প্রতিশ্রুতি মামুনুলের

গ্রুপ পর্বে দুটি ম্যাচ। দুটিতে জিতলেই কোন হিসাব ছাড়া পাওয়া যাবে সেমিফাইনালের টিকিট। তারপর ফাইনালে যাওয়ার লড়াই। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হতে আর মাত্র বাকি তিনদিন। তার আগে টুর্নামেন্টে ভালো করার ব্যাপারে বেশ আশাবাদী বাংলাদেশ শিবির। রোববার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের প্রস্তুতি ও লক্ষ্য নিয়ে কথা বলেছেন দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠেয় এই মর্যাদাকর টুর্নামেন্টে সেরাটা দেয়ার প্রত্যয়ই ব্যক্ত করেছেন দেশ সেরা এই মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, ‘আমরা তিন মাস কঠোর অনুশীলন করেছি। যাতে সবার ফিটনেস বেশ ভালো। শারিরীক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই ফুটবলাররা বেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে। সব মিলিয়ে আমাদের টার্গেট ভালো খেলা। নিজেদের সেরাটা দেয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করব। যেহেতু ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট, সেহেতু চেষ্টা থাকবে শতভাগ’।

শরীফ-রনিতে বিধ্বস্ত বরিশাল

১৬তম ওয়ালটন জাতীয় ক্রিকেট লিগের উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টূর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান ও বিসিবির সহ-সভাপতি মাহবুব আনাম সহ অনেকই। উদ্ধোধন করে মাঠে বসে খেলা দেখছিলেনও তারা। উপস্থিত সবাইকে রিতিমতো হতাশ করলেন বরিশাল বিভাগের ব্যাটসম্যানরা।

ফের হিউজের মাথায় বলের আঘাত

ফিল হিউজের করূন মৃত্যুর দগদগে ঘা এখনও শুকোয়নি! অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেট শেফিল্ড শিল্ডের এক ম্যাচে শন অ্যাবটের একটি ‘ঘাতক’ ডেলিভারিতে অকালে প্রাণ হারাতে হয়েছিল হিউজকে। সেই শোক কাটতে না কাটতে আবারও বলের আঘাতে মাথায় চোট পেলেন আরেক হিউজ। এবারও ঘটনাস্থল অস্ট্রেলিয়ার একটি মাঠ।

আন্দোলনকারীদের ছবি চালাবে না প্রেক্ষাগৃহগুলো

হিন্দি ও উর্দু ছবি প্রদর্শনের প্রতিবাদে মাঠে নেমেছে দেশীয় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। তোপের মুখে কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহ থেকে আমদানিরা করা একটি হিন্দি ছবি নামিয়ে ফেলা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর রিপোর্টাস ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে, আন্দোলনকারীদের ছবি প্রেক্ষাগৃহে না চালানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা।

সঙ্গীর নজরে সুন্দর থাকতে যে খাবার

নারীরা বরাবরই নিজের শরীরের প্রতি উদাসীন। বয়স বাড়ার সঙ্গে হৃদরোগ, হাড়ক্ষয়, স্থূলতা, ডায়াবেটিস, স্তন ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির ঝুঁকিতে ভুগতে থাকে। চেহারায় চলে আসে বয়সের ছাপ। ফলে অল্প বয়সেই পরিবারের বোঝা হতে হয়, সঙ্গীর সঙ্গে বাড়ে দূরত্ব। নিজের অসুস্থতা পর-নারীর প্রতি সঙ্গীর ঝুঁকে পড়ার অন্যতম পরোক্ষ কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই সাবধান হোন এখনি, নিজে সুস্থ থেকে সঙ্গীর নজরে সুন্দর থাকতে অতি প্রয়োজনীয় কিছু খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) আইনে মোটরসাইকেলে চালকসহ দুই জন আরোহী বহনের অনুমতি থাকলেও সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে অনির্দিষ্টকালের জন্য তা নিষিদ্ধ করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এই দ্বিচক্রযানটি ব্যবহার করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যদিও এ পদক্ষেপ কতোটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তারচেয়ে বড় কথা হলো- এই নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কয়েক হাজার খেটে খাওয়া মানুষের পেটে লাথি মারা হলো! বরিশাল, নেত্রকোনাসহ বেশক’টি জেলায় এখন মোটরসাইকেলে যাত্রী বহন একটি বেশ ভালো পেশা হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। অসংখ্য বেকারের এতে কর্মসংস্থান হয়েছে। কয়েক হাজার পরিবার তাদের উপার্জনের উপর নির্ভরশীল। এই নিষেধাজ্ঞা যদি টানা এক সপ্তাহ বলবত থাকে তাহলে নিঃসন্দেহে তাদের অভুক্ত থাকতে হবে।

কয়েক হাজার মানুষের পেটে লাথি

সচিবালয়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও পেট্রোলপাম্পে বোমা হামলা চালানোর ঘৃণ্য পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে জামায়াত-শিবিরকে সহযোগিতা করে ঢাকাকে অকার্যকর করার পরিকল্পনা করছে জঙ্গিরা। আইএস এর শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতায় দেশীয় জঙ্গি সংগঠন জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম ও হিযবুত তাহরীরের মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের কাজে লাগানো হচ্ছে। পাকিস্তানে অবস্থানকারী জেএমবির স্বঘোষিত আমির ইজাজ আহমেদের পরিকল্পনায় এমন আরো ভয়াবহ ছক কষে ইতোমধ্যে সংগঠিত আইএস মতাদর্শের জঙ্গিরা। এ বিষয়ে ডিবির উপ-কমিশনার (ডিসি) শেখ নাজমুল আলম বলেন, ‘আইএসআইএস’র অর্থে মারাত্মক অস্ত্র সংগ্রহ করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ক্ষতিসাধন, হুমকি সৃষ্টি ও খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই গ্রেপ্তার জঙ্গি সদস্যদের একমাত্র লক্ষ্য।’

বাংলাদেশে আইএস’র ভয়াবহ ছক

হরতাল-অবরোধে কোনো যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হলে ওই গাড়ির মালিককে দেয়া হবে ক্ষতিপূরণের টাকা। ড্রাইভার, সুপারভাইজার, হেলপার বা কোন পরিবহনের শ্রমিক মারা গেলেও দেয়া হবে ক্ষতিপূরণ। কিন্তু যাত্রী মারা গেলে কী দেয়া হবে? এমন প্রশ্নই এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে নাড়া দিচ্ছে। অবরোধ নাশকতায় কোনো পরিবহনের শ্রমিক মারা গেলে সরকার বা মালিক পক্ষ থেকে ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অনুদান দেয়া হয়। কিন্তু কোন পরিবহনের যাত্রী মারা গেলে সরকার বা পরিবহন মালিক পক্ষ থেকে কোন অনুদান দেয়া হয় না।

গাড়ি পুড়লে টাকা, মানুষ পুড়লে কি?

বছরের প্রথম দিনেই ছিল জামায়তে ইসলামীর হরতাল। সেই দিন প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত চার কোটি ৪৪ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৪ শিক্ষার্থীকে দেয়া হয়েছে ৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার ৯২৩ বই। কিন্তু নতুন বই পেয়েও অবরোধে ক্লাস করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ৫০ শতাংশেরও নিচে নেমেছে। বিশেষ করে যাদের বাড়ি থেকে স্কুল দূরে তাদের স্কুলে পাঠাতে সাহস পাচ্ছেন না অভিভাবকরাই। শ্রেণী কক্ষে শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতির কারণেও পাঠ্দান ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে উদ্বিগ্ন আসন্ন এসএসসি পরিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। এসএসসি ও সমমানের প্রায় ১৫ লাখ পরীক্ষার্থীদের আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

জীবনের ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীরা, বিপর্যস্ত শিক্ষা