শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০১৫ ।

কূটনীতিকরাও এখন গোয়েন্দা নজরদারিতে

স্বর্ণ চোরাচালান ও ডলার পাচারের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটকের ঘটনা এর আগে বহুবার ঘটেছে। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকদের কেউ এ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ এ-ই প্রথম পাওয়া গেল। শুধু তা-ই নয়, হাতেনাতে ধরা গেল তাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উত্তর কোরিয়ার এক কূটনীতিক ২৭ কেজি স্বর্ণসহ ধরা পড়েন। পরে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হলে ঢাকায় পিউংইয়ং দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুক্রবার দুপুরে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। অবশ্য এই ঘটনার আগে থেকেই বিমানবন্দরে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি চলছিল। কোরীয় কূটনীতিককে আটকের পর গোয়েন্দা নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগ।

পথে বসেছে ২৯ মৎস্য আড়ৎদার

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্রিজ অথরিটি (বিবিএ) থেকে বলা হয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্থ আড়ৎ ব্যবসায়ীদের অবকাঠামোগত ক্ষতিপূরণ ও নতুন জায়গায় আড়ৎ নির্মাণ করে দেয়া হবে। কিন্তু ৫ বছরেও সে ক্ষতিপূরণ এবং নতুন আড়ৎ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে আড়ত হারানোর পর থেকে আজ অবধি খোলা আকাশের নীচে বসে ব্যবসা পরিচালনা করছেন আড়তদাররা। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে চরম নিরাপত্তাহীনার মধ্যে প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে খুচরা বিক্রির জন্য তারা মাছ সরবরাহ করে আসছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে ভাবছেন।

তিস্তায় হঠাৎ বাড়ছে পানি

তিস্তার সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকায় আকস্মিকভাবে পানি প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। চারশ কিউসেকে নেমে আসা প্রবাহ এক লাফে ছাড়িয়ে গেছে দুই হাজার কিউসেকে। গত ২৪ ঘণ্টায় যে পানি উজান থেকে এসেছে তা দিয়ে ৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দেয়া যাবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, উজান থেকে ধীরে ধীরে আরো পানি আসছে। আমরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। গত ১৯ মার্চ তিনদিনের সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তার ওপর আস্থা রাখার কথা জানিয়েছিলেন। পরে ভারতে গিয়ে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি সইয়ের ব্যাপারে সায় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও দেন। এ ঘটনার পরে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে হঠাৎ করেই তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকায় বাড়তে শুরু করে পানি প্রবাহ। পাউবোর ডালিয়া ডিভিশনের নিবার্হী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বাংলামেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তিস্তায় হঠাৎ করেই পানি প্রবাহ বেড়ে গেছে। শুক্রবার সকালে এ প্রবাহ দুই হাজার কিউসেক ছাড়িয়ে গেছে। এতে আমরা আশার আলো দেখছি।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জযের পর দারুন খোশ মেজাজে মাশরাফি ব্রিগেড। আর তাই স্কটিশ পরীক্ষা শেষে, এবার ইংলিশদের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পালা টাইগার ক্রিকেটারদের। চার ম্যাচে দুটি করে জয় পরাজয়ের সঙ্গে এক পরিত্যাক্ত ম্যাচে ৫ পয়েন্ট অর্জণ হলো বাংলাদেশের। কোয়ার্টারে যেতে হলে এবার মাশরাফিদের সামনে বড় বাধা ইংল্যান্ড। আর এই ম্যাচে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বাড়তি প্রেরণা গত বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংলিশদের হারানোর সুখস্মৃতি। সব মিলিয়ে তাই অ্যাডিলেডে আরেকটি ইংল্যান্ড বধের প্রত্যাশা মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের।
বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে দলীয় কর্মীদের নিয়ে কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিবিদ্যালয় (রাবি) ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমেদ কৌশিক। পথে অটোরিকশা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন এক ছাত্রলীগ কর্মী। এতেই উত্তেজিত হয়ে চালককে ধরে মারধর করেন তারা। পরে পুলিশের সঙ্গেও খারাপ আচরণের অভিযোগে কৌশিকসহ রাবি ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মীকে আটক করে পুলিশ। শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আটক অপর ছাত্রলীগ কর্মীর নাম তরিকুল ইসলাম। তাদের আটক করে মতিহার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগ ও পুলিশ সূত্র জানায়, রাবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাওসার আহমেদ কৌশিক এবারের বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার্থী। তিনিসহ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী পরীক্ষার কেন্দ্রে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অটোরিকশা ভাড়া করেন। অটোরিকশাটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে এলে চালকের অসাবধানতায় রানা হামিদ নামের এক ছাত্রলীগ কর্মী পড়ে গিয়ে হাতে ও কপালে গুরুতর জখম হন। এসময় রানাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে চালক রাজি হন না। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে চালককে পিটুনি দেন ছাত্রলীগ কর্মীরা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ এলে তাদের সঙ্গেও তর্কে লিপ্ত হন। এসময় ছাত্রলীগ নেতা কৌশিক ও কর্মী তরিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। আহত ছাত্রলীগ কর্মীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হয়।
ফেনীতে থামছে না বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলের সহিংসতা। কখনো লাগাতার, কখনো থেমে থেমে চলছে সহিংসতা। ইতোমধ্যে নাশকতার শিকার হয়েছে শিশুসহ প্রায় শতাধিক মানুষ। এছাড়া গত কয়েকদিনে বোমা হামলার টার্গেট হয়েছে পুলিশ ফাঁড়ি, পৌর কার্যালয়, পৌরসভার গাড়ি, ফায়ার সার্ভিস। দীর্ঘ দেড়যুগ স্থবির থাকার পরে সহিংসতার মধ্য দিয়ে চাঙ্গা হয়ে উঠেছে ফেনী জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠন নেতাকর্মীরা। তবে অতীতে এখানকার দলীয় পরিস্থিতি নাজুক হয়ে পড়লেও বর্তমান চলমান আন্দোলনে শক্তি যোগাচ্ছেন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি ফেনীর বিএনপি নেতাদের কাছে ‘ভাগিনা’ নামে পরিচিত। সহিংসতার কারণ খুঁজতে গিয়ে জানা গেছে, লন্ডনের নির্দেশেই ফেনীতে সরকারবিরোধী আন্দোলন দিন দিন ‘চাঙ্গা’ হয়ে উঠেছে। নাশকতা আর সহিংসতায় অন্য জেলাগুলোকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নেতা বাংলামেইলকে বলেন, ছাত্রদলের নবীণ-প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে লন্ডন থেকে নিয়মিত মুঠোফোনে যোগাযোগ করেছেন দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের পদবঞ্চিতদের লোভনীয় পদের আশ্বাস দিয়ে চলমান আন্দোলনকে গতিশীল করছেন তিনি। বিশ্বাসযোগ্য অপর এক সূত্র জানায়, ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ভিপি জয়নাল, যুবদলের বর্তমান জেলা সভাপতি গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারি, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কামরুল হাসান মাসুদ, ছাত্রদলের বর্তমান জেলা সভাপতি (একাংশ) মেজবাহ উদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে তারেক রহমান মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলেছেন। সরকার বিরোধী আন্দোলনকে চাঙ্গা করতে দিক নির্দেশনাও দিয়েছেন।
জয়ের জন্য টার্গেট ১৮৩ রান। বিশ্বমানের ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে এমন টার্গেট বেশ সহজেই ছুঁবে ভারত, এমনটিই ভেবেছিল সবাই। তবে উইন্ডিজ বোলারদের নৈপুন্য তা হতে দেয়নি। ভারতকে বেশ কষ্ট করেই জিততে হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে। শুক্রবার পার্থে ধোনিদের জয়ের ব্যবধান ৪ উইকেটে। এই জয়ে নিউজিল্যান্ডের পর বিশ্বকাপে দ্বিতীয় দল হিসাবে কোয়ার্টার ফাইনালের খেলা নিশ্চিত করল ভারত। চলতি বিশ্বকাপে ভারতের এটি টানা চতুর্থ জয়।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একহালি মামলা সচল হয়েছে। অর্ধযুগ পরে এসব মামলা সচল হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব মামলা সচল করার সঙ্গে চলমান আন্দোলনের যোগসূত্র রয়েছে। মামলা চারটি হলো বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলা, নাইকো দুর্নীতি মামলা, গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা। এরমধ্যে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জেবিএম হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে দুটি এবং অন্য একটি বেঞ্চে দুটি মামলার কার্যক্রম চলছে। মামলাগুলোর মধ্যে গত বুধবার গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার রুলের শুনানি হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিশেষ আদালতের বিচারক পরিবর্তনের বিষয়ে আবেদনের শুনানিও হয়েছে বৃহস্পতিবার। এর আগে একই মামলায় বকশি বাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে বিশেষ আদালত বিচারক-৩ খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেন।
ঢাকা বারের আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে দুটি সুস্পষ্ট ধারা রয়েছে। এর একটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ। এর নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবু আব্দুল্লাহ। আর অন্যটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। এর নেতৃত্বে আছেন অ্যাডভোকেট বাসেত মজুমদার ও অ্যাডভোকেট লায়েকুজ্জামান। যখন দেশে বঙ্গবন্ধু শব্দ উচ্চারণ প্রায় নিষিদ্ধ ছিল তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী বলয়ের আইনজীবীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এই সংগঠন গড়ে তোলা হয়। এছাড়াও আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ নামে অধুনা আরেকটি সংগঠনও আইনজীবীদের মধ্যে কাজ করছে। তবে নামে ভিন্ন হলেও বাস্তবে এটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদেরই সমর্থক সংগঠন। আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের কার্যত দুটি সুস্পষ্ট ধারায় বিভক্ত করে রেখেছে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। এই আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সমর্থক আইনজীবীদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে নানা কারণে। ক্ষোভের অন্যতম কারণ হচ্ছে জন্মের পর থেকেই এই সংগঠনের কোনো সম্মেলন হয় না। এর নেতাদের কেউ কেউ একই সঙ্গে সংগঠনে, মূল দলে, সংসদে, সরকারে এবং আদালতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন এবং আছেন।
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
নিউজিল্যান্ড
শ্রীলংকা
অস্ট্রেলিয়া
বাংলাদেশ
ইংল্যান্ড
আফগানিস্তান
স্কটল্যান্ড
দল ম্যাচ জয় পরাজয় ড্র পয়েন্ট
ভারত
দক্ষিণ আফ্রিকা
ওয়েস্ট ইন্ডিজ
পাকিস্তান
আয়ারল্যান্ড
জিম্বাবুয়ে
আরব আমিরাত

এবার মাশরাফিদের মিশন ইংল্যান্ড

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে রেকর্ড জযের পর দারুন খোশ মেজাজে মাশরাফি ব্রিগেড। আর তাই স্কটিশ পরীক্ষা শেষে, এবার ইংলিশদের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পালা টাইগার ক্রিকেটারদের। চার ম্যাচে দুটি করে জয় পরাজয়ের সঙ্গে এক পরিত্যাক্ত ম্যাচে ৫ পয়েন্ট অর্জণ হলো বাংলাদেশের। কোয়ার্টারে যেতে হলে এবার মাশরাফিদের সামনে বড় বাধা ইংল্যান্ড। আর এই ম্যাচে নামার আগে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশের বাড়তি প্রেরণা গত বিশ্বকাপে চট্টগ্রামে ইংলিশদের হারানোর সুখস্মৃতি। সব মিলিয়ে তাই অ্যাডিলেডে আরেকটি ইংল্যান্ড বধের প্রত্যাশা মাশরাফি বিন মর্তুজার দলের।

দলের সঙ্গে যোগ দিলেন ইমরুল

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ও ব্যাটিংয়ের সময় ওপেনার তামিম ইকবালকে স্ট্রেসিং (প্রসারন) করতে দেখে অনেকই ভয় পেয়েছিলেন। এরপর এনামুল হক বিজয়ের ইনজুরি ভড়কে দিয়েছে বাংলাদেশি সমর্থকদের।

জিম্বাবুয়ের বাঁচা-মরার ম্যাচ

ছোট দল নয়, বলুন আইসিসির সহযোগী দেশ। ২০০৭ বিশ্বকাপ থেকে ২০১৫, আয়ারল্যান্ডের যে পারফরম্যান্স তাতে আইরিশ অধিনায়ক এরকম দাবি করতেই পারেন। এবারও কি কম যাচ্ছে আইরিশরা! বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে অনেকটা বলেকয়ে হারিয়েছে শক্তিধর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। অনেকে ব্যাপারটিকে অঘটন হিসেবে ব্যাখা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইরিশ অধিনায়কের তাতে তীব্র আপত্তি। বরং পাল্টা দিয়ে বলেছেন ‘অঘটন’ শব্দটিকে তিনি ঘৃণা করেন। তাই জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে দিলে কেউ যেন ভুল করেও অঘটন শব্দটি না লেখেন!

স্মরণে আজাচৌ...

বিনোদন সাংবাদিকতা করেও কেউ তারকা খ্যাতি পেতে পারেন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছেন প্রয়াত সাংবাদিক আহমেদ জামান চৌধুরী। সংবাদপত্রের পাতায় 'আজাচৌ এর কলাম' এর মাধ্যমে তিনি পাঠকদের হৃদয় জয় করেন। চলচ্চিত্র অঙ্গনে তিনি সবার কাছের মানুষ ‘খোকা ভাই’। ৬ মার্চ এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

উড়ে যাচ্ছে মনের শান্তি...

সুখ-দুঃখে গড়া আমাদের জীবন, তাই কেউই পুরোপুরি সুখী বলে দাবি করতে পারিনা। জীবনের পুরোটা একদম অশান্তির, তাও কিন্তু নয়। দুঃখবিলাসী মন মাঝে মাঝে ইচ্ছে করেই কষ্টকে ডেকে আনে নিজের অজান্তে। নিজের কষ্টের কারণ স্বয়ং নিজে, এই বোধটা আমাদের মাঝে অনেক সময়ই কাজ করে না। দোষ দেই ভাগ্যের বা অন্য কারো। তখন বোকা চোখে চেয়ে থাকি উড়ে যাওয়া মনের শান্তি গুলোর দিকে। অথচ কিছু খারাপ অভ্যাস বাদ দিলে অনেকটা সুখী থাকা সম্ভব। যেমন-
স্বর্ণ চোরাচালান ও ডলার পাচারের অভিযোগে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের আটকের ঘটনা এর আগে বহুবার ঘটেছে। কিন্তু শীর্ষ পর্যায়ের কূটনীতিকদের কেউ এ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ এ-ই প্রথম পাওয়া গেল। শুধু তা-ই নয়, হাতেনাতে ধরা গেল তাকে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে উত্তর কোরিয়ার এক কূটনীতিক ২৭ কেজি স্বর্ণসহ ধরা পড়েন। পরে তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হলে ঢাকায় পিউংইয়ং দূতাবাসের কর্মকর্তারা শুক্রবার দুপুরে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন। অবশ্য এই ঘটনার আগে থেকেই বিমানবন্দরে বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের ওপর নজরদারি চলছিল। কোরীয় কূটনীতিককে আটকের পর গোয়েন্দা নজরদারি আরো বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগ।

কূটনীতিকরাও এখন গোয়েন্দা নজরদারিতে

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্রিজ অথরিটি (বিবিএ) থেকে বলা হয়েছিল, ক্ষতিগ্রস্থ আড়ৎ ব্যবসায়ীদের অবকাঠামোগত ক্ষতিপূরণ ও নতুন জায়গায় আড়ৎ নির্মাণ করে দেয়া হবে। কিন্তু ৫ বছরেও সে ক্ষতিপূরণ এবং নতুন আড়ৎ নির্মাণ করা হয়নি। ফলে আড়ত হারানোর পর থেকে আজ অবধি খোলা আকাশের নীচে বসে ব্যবসা পরিচালনা করছেন আড়তদাররা। রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করে চরম নিরাপত্তাহীনার মধ্যে প্রতিদিন রাজধানী ঢাকাসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে খুচরা বিক্রির জন্য তারা মাছ সরবরাহ করে আসছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, তাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। এখন তারা বাধ্য হয়ে আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে ভাবছেন।

পথে বসেছে ২৯ মৎস্য আড়ৎদার

ঢাকা বারের আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে দুটি সুস্পষ্ট ধারা রয়েছে। এর একটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ। এর নেতৃত্বে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি আবু আব্দুল্লাহ। আর অন্যটি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। এর নেতৃত্বে আছেন অ্যাডভোকেট বাসেত মজুমদার ও অ্যাডভোকেট লায়েকুজ্জামান। যখন দেশে বঙ্গবন্ধু শব্দ উচ্চারণ প্রায় নিষিদ্ধ ছিল তখন বঙ্গবন্ধু পরিষদ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী বলয়ের আইনজীবীদেরকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য এই সংগঠন গড়ে তোলা হয়। এছাড়াও আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ নামে অধুনা আরেকটি সংগঠনও আইনজীবীদের মধ্যে কাজ করছে। তবে নামে ভিন্ন হলেও বাস্তবে এটি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদেরই সমর্থক সংগঠন। আওয়ামীপন্থি আইনজীবীদের কার্যত দুটি সুস্পষ্ট ধারায় বিভক্ত করে রেখেছে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ। এই আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সমর্থক আইনজীবীদের মধ্যেও ক্ষোভ রয়েছে নানা কারণে। ক্ষোভের অন্যতম কারণ হচ্ছে জন্মের পর থেকেই এই সংগঠনের কোনো সম্মেলন হয় না। এর নেতাদের কেউ কেউ একই সঙ্গে সংগঠনে, মূল দলে, সংসদে, সরকারে এবং আদালতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন এবং আছেন।

আওয়ামীপন্থিদের ভরাডুবির পোস্টমর্টেম

কর্মকর্তাদের অবহেলা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সমন্বয়হীনতায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ও সঠিক হিসাব সংরক্ষণে নেই। নামমাত্র কিছু সম্পদের তালিকা থাকলেও এর মধ্যেও রয়েছে বহু গড়মিল। এ কারণেই সংস্থা দু’টির গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ বেদখলের পাশাপাশি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দুই সিটি করপোরেশনের সম্পত্তি নিয়ে আমাদের স্টাফ করেসপন্ডেন্ট শাহেদ শফিকের ধারাবাহিক প্রতিবেদনের অষ্টম পর্বের বিষয় ‘দোকান নির্মাণ করতে রাস্তাও বরাদ্দ দিচ্ছে ডিএসসিসি!’

রাস্তাও ইজারা দিচ্ছে ডিসিসি!